আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

আইইউটি পরিদর্শন গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) স্কুল অব সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি গাজীপুরে অবস্থিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) এর ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (এফইটি) পরিদর্শন করেছে। একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে আয়োজিত এই সফরটি উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
পরিদর্শনকালে সিআইইউ’র প্রতিনিধি দল আইইউটি’র অত্যাধুনিক বিভিন্ন গবেষণা ও প্রযুক্তি ল্যাব পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে ছিল রোবোটিক্স ল্যাব, সেমিকন্ডাক্টর ল্যাব, সিজারি ল্যাব, অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ, কম্যুনিকেশন্স ল্যাব, সিম্যুলেশন ল্যাব, ডিএসপি ও

ভিএলএসআই ল্যাব, কন্ট্রোল সিস্টেম ল্যাব এবং মেশিন ল্যাব ও ওয়ার্কশপ। পরিদর্শনের সময় তারা এসব ল্যাবে পরিচালিত চলমান গবেষণা কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন। পাশাপাশি, উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেইট (বিএইটিই) এক্রেডিটেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সিআইইউ’র প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিন অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাজ্জাতুল ইসলাম এবং ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. রুবেল সেন গুপ্ত।

আইইউটি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম অতিথিদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় যৌথ গবেষণা উদ্যোগ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি, সমন্বিত প্রকল্প এবং জ্ঞান বিনিময়ের বিভিন্ন ক্ষেত্র গুরুত্ব পায়।

এসময় আইইউটি’র উপ-উপাচার্য ড. হিসেইন আরাবি নুর, ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলোজি এর ডিন আধ্যাপক ড. মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ পাটোয়ারী, মেকানিক্যাল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান আধ্যাপক ড. এম আহসান হাবীব, ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান আধ্যাপক ড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, সিআইইউ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব লুৎফি এম আইয়ুব এবং সদস্য জনাব সৈয়দ মাহমুদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

এই একাডেমিক সফরের মাধ্যমে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ) এবং ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) এর মধ্যে একটি শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ