আজঃ শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬

শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সেপ্টেম্বরে শেষে হচ্ছে ৫ র‌্যাম্পের কাজ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরের শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ৫ র‌্যাম্পের কাজ সেপ্টেম্বরে শেষ হবে বলে জানা গেছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত সাড়ে ১৫ কিলোমিটার। এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন অংশে ৯টি র‌্যাম্প নির্মাণে কাজ করছে চউক। এর মধ্যে ৩টির কাজ পুরোপুরি শেষ। শুধুমাত্র আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র‌্যাম্পের কাজ শুরু হয়নি। বাকি ৫ র‌্যাম্পের কাজ সেপ্টেম্বরে শেষ হবে বলে আশা করছে চউক।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান-২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করা হয়। তবে মূল অংশে পরীক্ষামূলকভাবে গাড়ি চলাচল শুরু হয় গত বছরের আগস্টের শেষ সপ্তাহে। আনুষ্ঠানিকভাবে টোল পরিশোধের মাধ্যমে গাড়ি চলাচল করছে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে। তবে ৯টি র‌্যাম্প চালুর কথা থাকলেও সেগুলো না হওয়ায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ব্যবহার বাড়ছে না। প্রত্যাশিত টোলও পাওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে র‌্যাম্প নির্মাণকাজ দ্রুততার সঙ্গে শেষ করতে চায় চউক।

জানা গেছে, জিইসির র‌্যাম্পের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৮৫ শতাংশ। ওয়াসা মোড় এলাকায় ওয়াসার একটি রেগুলেটর রয়েছে। এটি সরাতে আরো ১০ দিন সময় লাগবে। এছাড়া এই র‌্যাম্পের জিইসি এলাকায় ৬টি দোকান অপসারণ করতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩টি দোকান অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়াও জিইসি অংশে একটি বিদ্যুতের খুঁটিও রয়েছে। যার কারণে র‌্যাম্পের কাজে সময় লাগছে বলে জানিয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১১ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। দুই দফা ব্যয় বৃদ্ধির পর এখন খরচ হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। তিন বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের কাজ ২০২০ সালের জুনে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু কাজই শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তিন দফা সময় বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়েছে ২০২৬-এর জুন পর্যন্ত।

চউক সূত্রে জানা গেছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ১৫টি র‌্যাম্প নির্মাণ করার কথা ছিল। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে ৬টি র‌্যাম্প বাদ দেওয়া হয়। ৯টির মধ্যে নিমতলা মোড়ে ওঠানামার দুটি র‌্যাম্প, টাইগারপাসে আমবাগানমুখী নামার একটি র‌্যাম্পের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। ফকিরহাটে নামার একটি র‌্যাম্পের কাজ প্রায় ৯৩ শতাংশ শেষ হয়েছে। রেলওয়ে থেকে জায়গা বুঝে না পাওয়ায় আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ে পতেঙ্গামুখী ওঠার র‌্যাম্পের কাজ এখনো শুরু করা যায়নি। জিইসি মোড়ে ওঠার র‌্যাম্পের নির্মাণকাজ প্রায় ৮৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। চট্টগ্রাম ইপিজেডের সামনে ওঠানামার দুটি র‌্যাম্পের কাজ প্রায় ৭৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। কর্ণফুলী ইপিজেডের সামনে ওঠার র‌্যাম্পের কাজ ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

চউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, ডেবারপাড়ের র‌্যাম্প নির্মাণের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। রেলওয়ে থেকে ভূমি পেলে আমরা ওই র‌্যাম্পের নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করতে পারবো।এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ৯টি র‌্যাম্পের মধ্যে ৩টির কাজ পুরোপুরি শেষ। শুধুমাত্র আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র‌্যাম্পটির কাজ শুরু হয়নি। বাকি র‌্যাম্পের কাজও অনেক এগিয়েছে। আমরা আশা করছি, সেপ্টেম্বরের মধ্যে চলমান র‌্যাম্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে।তিনি আরো বলেন, আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র‌্যাম্প নির্মাণের জন্য রেলওয়ে আমাদের এখনো জমি বুঝিয়ে দেয়নি। জমি বুঝে পেলে আমরা কাজ শুরু করতে পারবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে: ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় চলমান ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সকালে মেয়র নগরীর ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রজাপতি রোডস্থ সিডিএ খাল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। পরে তিনি ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের কাটগড় মোড় থেকে চর পাথরঘাটা পর্যন্ত চলমান নালা নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রম তদারকি করেন। এরপর ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দার পাড়া থেকে টিজি অফিস সাগরপাড় পর্যন্ত পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, ৪১ নম্বর ওয়ার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে বিমানবন্দর থাকায় প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত হয়। তাই এই এলাকাসহ পুরো নগরীকে সবসময় জলাবদ্ধতামুক্ত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, শুধু সিটি কর্পোরেশন ড্রেন পরিষ্কার করলেই হবে না, নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। মানুষ যদি ড্রেন ও খালে ময়লা আবর্জনা ফেলে, তাহলে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। নগরী আমাদের সবার, তাই এটিকে পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জলাবদ্ধতামুক্ত রাখা সবার দায়িত্ব।

মেয়র আরও বলেন, আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই নগরীর গুরুত্বপূর্ণ নালা নর্দমা ও খালসমূহ পরিষ্কার করার লক্ষ্যে চসিক ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি খাল খনন, খালের গভীরতা বৃদ্ধি এবং বন্ধ মুখগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল থাকে এবং পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে।

এসময় তিনি মুসলিমাবাদ খাল পরিদর্শন করে খালটি দ্রুত পরিষ্কার ও সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে মেয়র বলেন, প্লাস্টিক, পলিথিন, ডাবের খোসা ও নির্মাণসামগ্রীর মধ্যে জমে থাকা পানিতে মশার লার্ভা জন্ম নেয়। এজন্য বাসাবাড়ি, মার্কেট, ভবনের ছাদ কিংবা এসির ভেতরে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে জনপ্রতিনিধি, সেবাদানকারী সংস্থা ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত অংশগ্রহণ জরুরি। তিনি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, সহকারী প্রকৌশলী রূপক চন্দ্র দাশ, উপ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, সহকারী ইন্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী, ইন্জিনিয়ার মো: মোহাইমিনুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া, মেয়রের এপিএস মারুফুল হক চৌধুরী (মারুফ), মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদসহ চসিকের কর্মকর্তা কর্মচারী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

চসিকের অভিযান কর্ণফুলী মার্কেট এলাকায় ফুটপাতের ৩০ টি দোকান উচ্ছেদ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরের আগ্রাবাদ কর্ণফুলী মার্কেট এলাকায় জেলা তথ্য অফিস সংলগ্ন রাস্তা ও ফুটপাতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০ টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকান ও ভ্যানগাড়ি বসিয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। অভিযানে প্রায় ৩০ টি অবৈধ দোকান ও ভ্যানগাড়ি উচ্ছেদ করে চলাচলের পথ সুগম করা হয়। একইসাথে অবৈধভাবে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকানের মালামাল রেখে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করার অপরাধে ৫ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রুজু পূর্বক ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যহত থাকবে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ