আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

পরিবহন খাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে : মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ট্রেইলার ওনার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন–এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার চসিকের প্রধান নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পরিবহন খাতের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি-দাওয়া ও পেশাগত প্রতিবন্ধকতার বিষয় মেয়র মহোদয়ের কাছে তুলে ধরেন।

এ সময় তারা নগরের সড়ক ব্যবস্থাপনা, ভারী যানবাহন চলাচল, ট্রেইলার পার্কিং সংকট এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। এ নগরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে পরিবহন খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই খাতের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “নগরবাসীর স্বার্থ রক্ষা এবং যানজট ও জনদুর্ভোগ কমিয়ে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চট্টগ্রামকে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সাক্ষাৎ শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বোয়ালখালীর সাফল্যের ঝড়, একাধিক ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা পর্যায়ের “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” প্রতিযোগিতায় একাধিক ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ হয়ে ক্রীড়াঙ্গনে গৌরবজনক সাফল্য অর্জন করেছে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা। এ সাফল্যে উপজেলাজুড়ে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।

প্রতিযোগিতায় বোয়ালখালী উপজেলার বালিকা ক্রিকেট দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এছাড়া ব্যাডমিন্টন বালিকা একক ও দ্বৈত বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি বালক দ্বৈত বিভাগেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বোয়ালখালী। বালক একক বিভাগে রানারআপ হওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করে উপজেলার খেলোয়াড়রা।

অন্যদিকে কাবাডি বালিকা বিভাগে রানারআপ, সাঁতার বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ এবং ২০০ মিটার দৌড়ে রানারআপ হয়ে বোয়ালখালীর ক্রীড়াবিদরা নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অনুশীলন ও প্রশিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানের ফলেই এ সাফল্য এসেছে। আগামীতে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছে বোয়ালখালীর ক্রীড়াবিদরা। সেখানেও তারা সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

এ অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতিমা, বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাফুজুর রহমান, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোঃ নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

চট্টগ্রামে ব্যাংকের ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ : ৫ কর্মকর্তার কারাদণ্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকের সাবেক পাঁচ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ধারায় আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা মো. আবু তৈয়ব, বাবুল চন্দ্র মজুমদার, রনেন্দ্র বিকাশ সাহা, মোসলেম উদ্দিন এবং জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাবেক এসপিও (আইডি রিকন) মো. সাঈদ হোসেন। রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৪৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এসময় পাঁচ আসামিই আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।এ মামলায় একই শাখার সাবেক কর্মকর্তা নুরুল হুদাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরেক আসামি আবু বকর সিদ্দিকীর রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের ২৯ মার্চ পর্যন্ত সময়ে জনতা ব্যাংক শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা ও গ্রাহক যোগসাজশে ব্যাংকের বিভিন্ন হিসাব থেকে অবৈধভাবে অর্থ স্থানান্তর করেন।

পরে সেই অর্থ বিভিন্ন চলতি ও এসটিডি হিসাবের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় বিশেষ পরিদর্শন দলের তদন্তে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে আসে। পরবর্তী সময়ে ২০০০ সালের ৬ এপ্রিল জনতা ব্যাংকের তৎকালীন ওই শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আবুল কাসেম মিয়া নগরের ডবলমুরিং থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

দুদক চট্টগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর এড.মো. এনামুল ইসলাম জানান, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পাঁচ আসামিকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর, ৪২০ ধারায় দুই বছর এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। সব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। তিনি আরও জানান, আদালত প্রত্যেক আসামিকে ৪৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ