আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

সরবরাহের জন্য নয়,জ্বালানি তেলের দূর্ভোগ কিছুটা তৈরী করা- ঠাকুরগাঁওয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল।

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হঠাৎ করে একটা দুর্যোগ নেমে এসেছে। ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ সমগ্র বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বাংলাদেশ মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেলের দাম বেড়ে গিয়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। এসব তেল কম সরবরাহের জন্য নয়, সমস্যা কিছুটা হল তৈরী করা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


শুক্রবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও পৌর মিলনায়তনে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন এবং এলজিইডি ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কল্পে ঢেউটিন, চেক ও বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷

মন্ত্রী বলেন, কিছু মানুষ অনৈতিক ভাবে ব্যবসা শুরু করেছে। তারা তেল নিয়ে কালোবাজারিতে বিক্রি করে দেয়। তেল বিক্রি করে কেউ যাতে ফায়দা না লুটতে পারে তা নজরদারি করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি বলেছি।

এলজিআরডি মন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা কখনো বিচলিত হবেননা। অন্যায়কে প্রশয় দেবেননা৷ যারা মিথ্যা কথা বলে মিথ্যা প্রচারণা চালায়। দূর্ভাগ্যজনক ভাবে দেশে একটা শ্রেণি সৃষ্টি হয়েছে যারা দেশের স্থিতিশীল নষ্ট করতে চায়। আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে ৫ ই আগস্টে ফ্যাসিস্ট শক্তিতে পরাজিত করেছি৷ দল, জোট আন্দোলন করেছে। যারা এসবের জন্য জান প্রাণ দিয়েছে এটার মূল্য দিতে হবে। সেটা হল একটা শান্তিময়, উন্নত ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ দেখতে চাই৷

তিনি আরো বলেন, আমাদের নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দিনাজপুর এসেছিলেন খাল খনন করতে এবং সারাদেশে তিনি খাল খনন করছেন। যাতে বৃষ্টির দিনে পানি আটকে রেখে সেচের কাজ করতে পারে কৃষকরা। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া শুরু করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মশালয়ের ইমাম পুরোহিত, ফাদার্স অর্থাৎ ধর্মপ্রচারকদের জন্য ভাতা ব্যবস্থা করা হয়েছে সেইসঙ্গে খেলোয়াড়দের কেউ ভাতা প্রদানে ব্যবস্থা করা হয়েছে। যারা আর্থিকভাবে দুর্বল তাদের আর্থিক অবস্থা বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী কাজ করছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সরকার নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

তিনি বলেন, আপনাদের কাছে আমার একটা অনুরোধ আছে। আপনারা আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেন, অযথা ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে আমাকে আটকে রাখবেন না। এর আগেও আমি আপনাদের বহুবার বলেছি। আমাকে কাজ করতে দিন, দয়া করে আমাকে আটকাবেন না। হিন্দু, মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই যেন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারি। এই সুযোগটা আমাদের দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আগামী রোববার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ হবে। এরইমধ্যে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কাজ চলছে। একইসঙ্গে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুনর্নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু হয়েছে। রুহিয়া ও ভুল্লীকে উপজেলা করার জন্য অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বরাদ্দ পেয়ে যাবো। এখানকার স্কুল-কলেজগুলোর মান উন্নয়নে আমরা কাজ করছি। উন্নয়ন ইনশাল্লাহ হবে।
এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন৷

উল্লেখ্য যে, এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধিনে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৬২৮ টি পরিবারের মাঝে ১ বান ঢেউটিন ও ২০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। জেলা পরিষদ হতে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৭০ টি পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন,৬০ টি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা ও উন্নয়নকল্পে ৯০ লক্ষ টাকার বরাদ্দপত্র প্রদান করা হয়৷ এছাড়াও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে এলজিইডি উন্নয়নে ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার বরাদ্দপত্র প্রদান করা হয়৷

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের তাঁত শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে: ফখরুল কন্যা ডক্টর শামারুহ মির্জা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বড়গাঁও ইউনিয়নের কেশুর বাড়ী এলাকায় তাঁতিদের সঙ্গে মতবিনিময় ও তাঁতশিল্প পরিদর্শন করেছেন বিএনপি’র মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর বড় কন্যা ডক্টর শামারুহ মির্জা। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি সেখানে যান এবং স্থানীয় তাঁতশিল্পীদের খোঁজখবর নেন।

এসময় তিনি তাঁতিদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের এলাকায় ব্র্যাক থেকে লোকজন এসে তাঁতশিল্প নিয়ে আলোচনা করেছে। আড়ংয়ের মাধ্যমে তাঁতজাত পণ্য বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আধুনিক ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে সহযোগিতা করা হবে। বিষয়টি নিয়ে ব্র্যাক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি এবং আপনাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আপনারা আমার আব্বাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের যেকোনো সমস্যা হলে ইউনিয়নের নেতাদের মাধ্যমে জানাবেন, সব কথা আমাদের কাছে পৌঁছে যাবে। তাঁতশিল্প যেন আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে বিষয়ে আমরা কাজ করতে চাই।

কথা বলার পর ড. শামারুহ মির্জা স্থানীয় তাঁতশিল্প ঘুরে দেখেন এবং তাঁতিদের তৈরি কম্বল ক্রয় করেন। তাঁর এই উদ্যোগে স্থানীয় তাঁতিদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়।
স্থানীয় তাঁতশিল্পী শ্যামলি রানী বলেন, একসময় এই এলাকায় তাঁতশিল্প খুব জনপ্রিয় ছিল। এখন অনেক তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে। কাজ না থাকায় মানুষ মাঠে-ঘাটে শ্রমিকের কাজ করতে যাচ্ছে। যদি আবার এই শিল্প চালু হয়, তাহলে গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে এবং আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, তাঁতের সুতা এখন অনেক দূর থেকে সংগ্রহ করতে হয়, দামও অনেক বেশি। ফলে খরচ বাড়ছে কিন্তু লাভ কমে যাচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে এই শিল্প আবার আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে

স্থানীয়দের দাবি, একসময় কেশুর বাড়ী এলাকার শতাধিক পরিবার তাঁতশিল্পের সঙ্গে জড়িত থাকলেও অবহেলা, কাঁচামালের সংকট ও বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে ধীরে ধীরে এ শিল্প হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্তমানে অনেক তাঁত অচল হয়ে পড়ে আছে। এমন পরিস্থিতিতে ড. শামারুহ মির্জার এই সফর ও সহযোগিতার আশ্বাস নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন তাঁতশিল্পীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও উপজেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ আশরাফুল হক, ৪নং বড়গাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাহিন আলম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রমজান আলীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

নবাবের পেছনে দৈনিক ৭শ’ টাকা ব্যয়, খায় ১৫ কেজি খাবার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে একটি বিশালাকৃতির গরু।‘নবাব’ নামের এই গরুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় নানা বয়সী মানুষ।

খামারি আক্তার হোসেনের খামারে বেড়ে ওঠা হলিস্ট্রিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটি সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে যত্নে বড় করা গরুটির আনুমানিক ওজন প্রায় ২৫ মণ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহানন্দা নদীর তীরবর্তী এলাকায় গড়ে ওঠা খামারটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঈদকে সামনে রেখে গরুটির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্যের মতোই যত্নে রাখা হচ্ছে ‘নবাব’কে।

খামারি সূত্রে জানা যায়, গরুটির প্রধান খাদ্য মহানন্দা নদীর চরে উৎপাদিত টাটকা কাঁচা ঘাস। এছাড়াও প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ কেজি দানাদার খাবার হিসেবে গম, ভুট্টা, ছোলা ও ভুষি খাওয়ানো হয়। গরুটির পেছনে দৈনিক প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন, “নবাব ছোট থেকেই তাদের খামারে বড় হয়েছে। খুব যত্ন করে তাকে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর খাবার দিতে হয়।

আরেক বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “তিন বছর ধরে গরুটিকে দেখছি। এটি খুব শান্ত স্বভাবের গরু। ছোট শিশুও সহজে ধরে নিয়ে যেতে পারবে।”

খামারি আক্তার হোসেন জানান, “গরুটির বয়স প্রায় তিন বছর। ছোট থেকেই নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছি। প্রতিদিন এর পেছনে যে খরচ হয়, তা দিয়ে একটি পরিবারের সংসার চলতে পারে। গরুটির দাম প্রায় ৮ লাখ টাকা আশা করছি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার বলেন, জেলার চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। তিনি জানান, উন্নত জাতের গরু পালনে খামারিরা এখন আরও আগ্রহী হচ্ছেন এবং ‘নবাব’ সেই আগ্রহেরই একটি উদাহরণ।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ