আজঃ রবিবার ২৮ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে গুলি করে যুবক হত্যা, বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেফতার-৬

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদে গুলি করে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সৈয়দুল করিমকে (২৭), মো. আব্দুল মান্নান (৩৭), মো. ইউনুচ মিয়া (২৪) ও মো. আয়াতুল্লাহ আলী আদনান (২১), মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ খোকন (৪৮) এবং আজগর আলী (৩৯)। অভিযানকালে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর জোনের উপ-কমিশনার মো. আমিরুল ইসলাম জানান।

তিনি বলেন, বায়েজিদে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতার এবং অবশিষ্ট আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৭ মে রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে রৌফাবাদ শহীদ মিনারের পাশে বাঁশবাড়িয়া গলির আব্দুল হাইয়ের বাড়ির দেলোয়ারের ভাড়াঘরের সামনে কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গুলি চালায়। এতে মো. হাসান প্রকাশ রাজু (২৪) নিহত হন এবং রেশমি আক্তার (১২) গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় নিহত হাসানের মা সকিনা বেগম (৬৩) ৯ মে বায়েজিদ থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে সিসি টিভি ফুটেজ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (১১ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সন্দেহে করিমকে কক্সবাজারের সুগন্ধা সি-বিচ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড তাজা গুলি এবং ঘটনাস্থলে পরিহিত পোশাক উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আসামিদের বহনকারী একটি সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়। পরে ওই সিএনজিচালক আব্দুল মান্নানকে একইদিন সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর করিমকে সহায়তাকারী হিসেবে ইউনুচ মিয়া ও আলী আদনানকে রাত ১০টা ১৫ মিনিটে রৌফাবাদ ব্রিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যদিকে, গ্রেফতার সিএনজি চালকের তথ্যের ভিত্তিতে আসামি আবু বক্কর ছিদ্দিক ও আজগর আলীকে সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে চান্দগাঁও থানাধীন কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জাফর উল্লাহ খান’র মৃত্যুতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের শোক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হালিশহর থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব হাবিবুল্লাহ খান রাজু’র পিতা জাফর উল্লাহ খান চিকিৎসাধীন অবস্থায় অদ্য ২৭ জুন শনিবার বিকাল ৩.৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে সহ আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

জাফর উল্লাহ খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ। এক শোক বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, জাফর উল্লাহ খানের মৃত্যুতে আমরা একজন নিবেদিত প্রাণ, সৎ ও মানবিক ব্যক্তিত্বকে হারালাম।

ব্যক্তি জীবনে তাঁর অবদান, সততা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। উনার প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করছি। মহান আল্লাহ তাআলা উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দান করুন – আমিন।

বোয়ালখালীতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে রুমা আক্তার সীমা (২৬) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাত ১১টায় উপজেলার কধুরখীল শরীফপাড়ার আলী চান তালুকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সীমা শরীফপাড়ার প্রবাসী জানে আলমের স্ত্রী। তাদের সংসারের ৭ বছর বয়সী ১ ছেলে ও ২ বছর বয়সী ১ মেয়ে রয়েছে। নিহতের ভাই সাকিব জানান, তার বোনের স্বামী প্রবাসে রয়েছেন। শ্বশুর আগের স্ত্রী মারা যাওয়া দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন। দুইজনে মিলে সীমাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলো।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যপারে অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ