আজঃ সোমবার ১৮ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে রাস্তার উপর মিলল শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকায় সাইফুল ইসলাম প্রকাশ ইসমাইল (৩৫) নামে এক শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে সাগরিকা রোডের কোস্ট ফ্যাক্টরির সামনে রাস্তার ওপর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত সাইফুল ইসলাম প্রকাশ ইসমাইল ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার পশ্চিম অলকা এলাকার মীর কাশেম হীরুর ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার মুরগি ফার্ম এলাকায় জাকির সওদাগরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাহাড়তলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমান জানান, সাগরিকা রোডের কোস্ট ফ্যাক্টরির সামনে রাস্তার ওপর তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।তিনি জানান, নিহতের পেটের বাম পাশে গভীর কাটা জখম ছিল এবং নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে আসে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে হাইওয়ে পুলিশের নীরবতায় মহাসড়কে নিষিদ্ধ থ্রী-হুইলারের দৌরাত্ম্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে দিন দিন বেড়েই চলছে নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত থ্রী-হুইলারের বেপরোয়া চলাচল। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাসোয়ারার বিনিময়ে কিছু অসাধু চক্রের ছত্রছায়ায় মহাসড়কে অবাধে চলাচল করছে এসব যানবাহন। ফলে চরম ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুলতা, গাউছিয়া, গোলাকান্দাইলসহ মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শত শত থ্রী-হুইলার চলাচল করছে। আইন অনুযায়ী মহাসড়কে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ হলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিয়মিত মাসিক টাকা দিলেই নির্বিঘ্নে চলতে পারছে অবৈধ যানবাহন। মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হলেও সেটিকে লোক দেখানো বলেই মনে করছেন অনেকে। এমনকি অভিযানের আগেই চালকদের কাছে খবর পৌঁছে যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চালক বলেন, “মাসিক টাকা দিলে সমস্যা হয় না। অভিযান হওয়ার আগেই খবর পেয়ে যাই।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ধীরগতির এসব যানবাহনের কারণে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুতগতির বাস ও ট্রাকের সঙ্গে প্রায়ই অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানোর ঘটনা ঘটছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন— মহাসড়কে নিষিদ্ধ যান চলাচল বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা কোথায়? আইন কি শুধু সাধারণ মানুষের জন্যই? দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর নজরদারি কেন দৃশ্যমান নয়?

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভুলতা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জসিম। তিনি বলেন, “আমরা কোনো মাসোয়ারার টাকা নেই না।এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অবৈধ থ্রী-হুইলারের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: চট্টগ্রাম এসপি মাসুদ আলম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছেন, রাউজান ও আশপাশের এলাকায় টার্গেট কিলিং, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে কাজ করা হচ্ছে। তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পুরো পরিস্থিতি বোঝা জরুরি।ভেতরের বিষয়গুলো আগে জানতে হবে। না বুঝে তড়িঘড়ি করলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।রোববার (১৭ মে) সকালে নগরের দুই নম্বর গেইটে চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে চট্টগ্রামের গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের সমন্বয়ে বড় পরিসরে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ চলবে। জঙ্গল সলিমপুরকে আর ‘রাষ্ট্রের ভেতরে রাষ্ট্র’ হিসেবে থাকতে দেওয়া হবে না জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার আগেই জায়গাটি নিয়ে নানা গল্প শুনেছি।সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনাও আলোচিত ছিল। পরে যৌথ বাহিনীর অভিযান ও সাম্প্রতিক কার্যক্রমে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। জঙ্গল সলিমপুরকে কেউ যেন দেশের ভেতরে আরেকটা দেশ মনে না করে, সেটা নিশ্চিত করতে চাই। সেখানে স্থায়ীভাবে পুলিশ থাকবে। দুইটি স্কুলে আপাতত অস্থায়ী ক্যাম্প করা হয়েছে। স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের কাজও চলছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার ও পুলিশ একাডেমি স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে। এতে অবকাঠামো উন্নয়ন হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হবে। এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। অনেক সময় আগেই তথ্য ছড়িয়ে যায়। তাই আমরা চেষ্টা করবো- অভিযান বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার তথ্য দ্রুত জানাতে। জনগণের আস্থা অর্জনে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মাসুদ আলম বলেন, কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্ত হয়ে ইয়াবা দেশের বিভিন্ন স্থানে যায় এবং চট্টগ্রাম সেই রুটের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় আড়াইশ পশুর হাট রয়েছে উল্লেখ করে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরুর হাট ও পশু পরিবহনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হবে। বড় অঙ্কের টাকা বহনে ব্যবসায়ীরা চাইলে পুলিশি সহায়তা পাবেন। মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে নিরাপত্তা জোরদার করবে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ