আজঃ বুধবার ২০ মে, ২০২৬

ভারতের জনবহুল এলাকা ও সড়ক থেকে বেওয়ারিশ কুকুর সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনবহুল এলাকা ও সড়ক থেকে বেওয়ারিশ কুকুর সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ বহাল রেখেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। এ আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন মঙ্গলবার খারিজ করে দিয়েছেন আদালতের বিচারপতিরা। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে ভারতের শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, ক্রীড়া কমপ্লেক্সসহ জনসমাগমপূর্ণ স্থান থেকে ভবঘুরে কুকুর সরিয়ে নিতে হবে।

সেই নির্দেশনা সংশোধনের আবেদন আদালতে জানানো হলেও মঙ্গলবার তা নাকচ করে দেন বিচারপতিরা। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণের ঘটনা এখন জননিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।ভারতের বিভিন্ন শহরে পথকুকুরের আক্রমণ ও কামড়ে আহত হওয়ার ঘটনা বাড়তে থাকায় বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতের জনবহুল এলাকা ও সড়ক থেকে বেওয়ারিশ কুকুর সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনবহুল এলাকা ও সড়ক থেকে বেওয়ারিশ কুকুর সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ বহাল রেখেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। এ আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন মঙ্গলবার খারিজ করে দিয়েছেন আদালতের বিচারপতিরা। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে ভারতের শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, ক্রীড়া কমপ্লেক্সসহ জনসমাগমপূর্ণ স্থান থেকে ভবঘুরে কুকুর সরিয়ে নিতে হবে।

সেই নির্দেশনা সংশোধনের আবেদন আদালতে জানানো হলেও মঙ্গলবার তা নাকচ করে দেন বিচারপতিরা। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণের ঘটনা এখন জননিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।ভারতের বিভিন্ন শহরে পথকুকুরের আক্রমণ ও কামড়ে আহত হওয়ার ঘটনা বাড়তে থাকায় বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানালেন আমিরাতের পাশে ইন্ডিয়া কাঁদে কাঁধ মিলিয়ে আছে, থাকবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান দেশটির রাষ্ট্রপতি শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। মোদির বিমান আমিরাতের আকাশসীমায় প্রবেশ করার পর সামরিক যুদ্ধবিমানের বহর সেটিকে এসকর্ট করে আবুধাবি বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে যায়। পরে গার্ড অব অনার ও দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় আনুষ্ঠানিক স্বাগত অনুষ্ঠান।

বিমান থেকে নামার পর দুই নেতা একে অপরকে আলিঙ্গন করেন। এমন সম্মানজনক অভ্যর্থনার জন্য শেখ মোহাম্মদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নরেন্দ্র মোদি।

বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা। মোদি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে ভারত-আমিরাত সম্পর্কের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তিনি এই ‘ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব’কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য শেখ মোহাম্মদকে ধন্যবাদ জানান।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে ভারত সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশে থাকবে। একই সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সমস্যা সমাধানে সংলাপ ও কূটনীতিই সবচেয়ে কার্যকর পথ। হরমুজ প্রণালীকে নিরাপদ, মুক্ত ও উন্মুক্ত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ভারতের সরকারি সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, সফরকালে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত ভারতীয় প্রবাসীদের প্রতি যত্ন ও সহযোগিতার জন্য আমিরাত সরকার এবং রাজপরিবারকে ধন্যবাদ জানান মোদি। তিনি বলেন, আমিরাতকে তিনি নিজের ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ মনে করেন।

সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হওয়া হামলার নিন্দা জানিয়ে মোদি বলেন, এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা, ঐক্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় আমিরাতের নেওয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং বলেন, কঠিন সময়ে দেশটি যে সংযম, সাহস ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ