শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: ডা. শাহাদাত হোসেন

মেধাবী ও নৈতিক প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন-এর মাননীয় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না। মেধাবী, মানবিক ও নৈতিকতাসম্পন্ন আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ প্রধান নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে চসিক কলেজ শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত ও বর্তমান নেতৃবৃন্দের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় মেয়র বলেন, “শিক্ষা হচ্ছে জাতির মেরুদণ্ড। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে না পারলে আগামী দিনের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে। এজন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রতি মাসে ৬ থেকে ৮ কোটি টাকা শিক্ষা খাতে ভর্তুকি দিচ্ছে। এটিকে আমরা ব্যয় নয়, ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ হিসেবে দেখি।”

তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শ্রেণিকক্ষে সব শিক্ষার্থীকে সমানভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন কোচিং বা প্রাইভেট নির্ভরতার কারণে বাড়তি সুবিধা না পায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যারা পিছিয়ে আছে বা চুপচাপ থাকে, তাদের বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ ও যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কিশোর গ্যাং, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তদারকির অভাবে অনেক শিক্ষার্থী বিপথগামী হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শুধু জিপিএ-৫ এর পেছনে না ছুটিয়ে নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “একসময় শিক্ষকদের দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা ছিল অনুকরণীয়। সেই হারানো দায়িত্ববোধ আবার ফিরিয়ে আনতে হবে।”

পড়াশোনাকে শিক্ষার্থীদের কাছে সহজ ও আনন্দদায়ক করতে শিক্ষকদের সৃজনশীল পদ্ধতিতে পাঠদান করার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান বা ইংরেজি বানানের মতো কঠিন বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপন করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার আগ্রহ তৈরি হয়।

সভায় তিনি নিজের সাম্প্রতিক কানাডা সফরের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন। মেয়র জানান, আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে চসিকের নার্সিং ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিক কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি জনাব মো. শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক আকাশ, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ নুরল আলম আযাদ ও বিশ্বনাথ নাথ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম ফারুক ও ড. চিন্ময় গুহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হক, অর্থ সম্পাদক আহমেদ শাহ আলমগীর, সহ-অর্থ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনাজ আক্তার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ওমর ফারুক, শিক্ষা গবেষণা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিসেস তাহমিনা আক্তার, সহ শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মিসেস আয়েশা নাজনীন, দপ্তর সম্পাদক ফিরোজ আলম এবং সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবালসহ শিক্ষক সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভা শেষে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ মেয়রের শিক্ষা-বান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং চসিকের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আনোয়ারায় পারিবারিক কলহে বাবা-মাকে হত্যা করে রিমন : পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পারিবারিক কলহ ও একমাত্র সন্তানের চরম অবাধ্যতার জেরে মা-বাবাকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার বেলা ১২টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আনোয়ারা থানা পুলিশ।

এর আগে শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে নিহতের ভাই তপন দাশ গুপ্ত (৫৭) বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার সাথে সাথে ঘাতক ছেলে রিমন দাশ গুপ্তকে (৩১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাপড় কাটার একটি রক্তমাখা কাঁচিও উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার ১০ নম্বর হাইলধর ইউনিয়নের পূর্ব গুজরা গ্রামের দেবেন্দ্র মহাজন বাড়ির বাসিন্দা স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) ও তার স্ত্রী কল্পনা দাশ গুপ্ত (৫৫)।পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতার রিমন দাশ গুপ্ত তার মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন। তিনি অত্যন্ত অবাধ্য প্রকৃতির ছিলেন এবং কোনোভাবেই তাকে সংশোধন করা যাচ্ছিল না। এই অবাধ্যতা ও আচরণগত সমস্যার কারণে প্রায়শই তিনি মা-বাবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রমিরাজ তার মায়ের সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হন। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রিমন উত্তেজিত হয়ে ঘরে থাকা কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে মা কল্পনা দাশ গুপ্তের গলায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ সময় স্ত্রীকে বাঁচাতে ও ছেলেকে প্রতিহত করতে বাবা স্বপন দাশ গুপ্ত এগিয়ে এলে ঘাতক রিমন তার ওপরও হিংস্র হামলা চালান। কাঁচি দিয়ে বাবার গলা ও পেটে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়।চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় স্বপন দাশ গুপ্তকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

তবে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে আনোয়ারা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকেই ঘাতক রিমন দাশ গুপ্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত কল্পনা দাশ গুপ্তের এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে স্বপন দাশ গুপ্তের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দুটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, পারিবারিক কলহ এবং একমাত্র সন্তানের অবাধ্যতার জের ধরেই এই নৃশংস জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। আমরা ঘটনার পরপরই ঘাতক ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছি এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিটি উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রামে বাসায় এক পেয়ে শিশু ধর্ষণ: মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের সদরঘাট থানায় এলাকায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এ রায় ঘোষণা করেন।দন্ডিত ওই ব্যক্তি হলেন, মো. আকতার সর্দার (২৪)। একই সাথে একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত মো. আকতার সর্দার সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার কুকড়াপর্শি এলাকার কাদের সর্দার বাড়ির মো. সাত্তার সর্দারের ছেলে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি নগরের পূর্ব মাদারবাড়ি সাহেবপাড়া এলাকার ইউনুছ মিয়া সরকারি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাবা একটি জুতার কারখানায় এবং মা একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। বাবা-মা প্রতিদিনের মতো কাজে চলে গেলে পূর্ব মাদারবাড়ীর সাহেবপাড়ার নার্গিস কলোনির ভাড়া বাসায় একাই থাকতো শিশুটি। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে অভিযুক্ত আকতার সর্দার প্রায়ই তাদের বাসায় যাতায়াত করতেন এবং শিশুটিকে নানা রকম প্রলোভন দেখাতেন। ২০২২ সালের ২ জুলাই সকালে শিশুটির বাবা-মা কর্মস্থলে চলে যান।

ওই দিন বিকেলের দিকে বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত আকতার সর্দার ঘরে ঢোকে এবং শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এ সময় ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।ভয় ও আতঙ্কে শিশুটি কয়েকদিন বিষয়টি কাউকে জানায়নি। তবে ঘটনার চারদিন পর ৬ জুলাই বিকেলে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মা কারণ জানতে চাইলে মাকে ঘটনার কথা জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে পরীক্ষা করে শারীরিক আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান এবং স্থানীয়দের বিষয়টি জানানোর পর শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পর শিশুটির বাবা মনির হোসেন বাদী হয়ে সদরঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা ২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১৫ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন (অভিযোগ গঠন) করে আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু করেন আদালত।

এদিকে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রোববার বিচারক এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন বলে জানালেন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। পরে তাকে সাজা পরোয়ানা মূলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ