আজঃ শুক্রবার ১০ জুলাই, ২০২৬

ঈদ উপলক্ষে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

বদিউজ্জামান রাজাবাবু চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে টানা আট দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৬ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি এবং সিএন্ডএফ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে আগামী ৩ জুন থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে সব কার্যক্রম চালু হবে।

সোনামসজিদ আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ঈদের ছুটিকালীন সময় এ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।তবে এ সময়েও সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। ঈদের দিনসহ প্রতিদিনই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান জানান, ঈদের ছুটিতে মূল আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও লোড-আনলোড, গুদামজাতকরণ এবং পরিবহনসহ কিছু অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আগৈলঝাড়া থানায় হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৮ জন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগৈলঝাড়ায় গ্রেপ্তারকৃত আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে থানায় হামলা, ভাঙচুর করেছে একদল উশৃংখল জনতা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। থানায় হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আগৈলঝাড়া থানার ওসি মোহাম্মাদ মাসুদ খান।

তিনি বলেন, থানায় হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, থানায় ঢুকে এভাবে হামলা- ভাংচুর করে, আমরা কার কাছে যাব। এই পোশাক রাখব না। পাবলিক দেখেছে, সাংবাদিক দেখেছে। একটা যদি মিথ্যা প্রমাণিত হয়, একটা যদি ভুল তথ্য পায়, এই পোশাক খুলে ফেলব।

অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে একসঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস.এম. মনিরুজ্জামানের সাথে বুধবার এক সৌজন্য সাক্ষাতকারে মিলিত হন। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য লজিস্টিকস সহজীকরণ এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।আলোচনাকালে উভয় পক্ষই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে একসঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সাথে কাজ করার গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে উল্লেখ করেন যে, এই দেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং একদিন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

বৈঠকের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল বৈশ্বিক পুঁজি আকর্ষণের জন্য বাণিজ্য অবকাঠামোর আধুনিকীকরণ। চবক চেয়ারম্যান জোর দিয়ে বলেন, বন্দর এবং কাস্টমস এর অটোমেশন ও ডিজিটালাইজেশন অত্যন্ত জরুরী। উভয় পক্ষই একমত হন যে, এই দুটি সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টা ব্যবসা করার খরচ ও জটিলতা (ঊধংব ড়ভ ফড়রহম নঁংরহবংং) উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে, যা দেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (ঋউও) বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশকে একটি প্রধান আঞ্চলিক লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে চেয়ারম্যান বেশ কিছু দূরদর্শী উদ্যোগের কথা রাষ্ট্রদূতের কাছে তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে: বিশ্বমানের উৎপাদকদের উৎসাহিত করতে বিশেষায়িত ফ্রি ট্রেড জোনের পাশাপাশি রেল, সড়ক ও নৌপথে পণ্য পরিবহন আরও সহজ করা, ফল রপ্তানির উচ্চ সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের সুযোগ কাজে লাগানো, একটি প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে শুল্ক এবং কর কাঠামোর আধুনিকীকরণ ও সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা। বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প সক্ষমতার স্বীকৃতি দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান যে, তাঁর দেশ বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ খাত এবং ভারী শিল্পে ব্যাপক বিনিয়োগ করতে গভীরভাবে আগ্রহী।

এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশে উন্নত প্রযুক্তিগত দক্ষতা নিয়ে আসবে এবং বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপরন্তু প্রাকৃতিক ভৌগলিক অবস্থানগত কারনে মিরসরাই, সন্দ্বীপ হতে কক্সবাজার পর্যন্ত সমুদ্র অঞ্চলে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান এবং জাপানের কোবে ও ওসাকা এর আদলে মেরিটাইম ইকোনোমিক করিডোর হিসেবে উন্নয়নের অপার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষভাবে আলোচনা হয়। দক্ষিন কোরিয়ার প্রতিনিধি দল ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এই কৌশলগত লক্ষ্যগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।বন্দরের কার্যক্রম এলাকাগুলো সরজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে রাষ্ট্রদূতের সফর সমাপ্ত হয়। প্রতিনিধি দলটি চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক অগ্রগতি, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ