আমিরাতে ১জুন থেকেই মাসের প্রথমদিন বেতন দেওয়া কোম্পানির সংখ্যা ১৫১ শতাংশ

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী আরব আমিরাত প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেসরকারি খাতের কর্মীদের বেতন মাসের প্রথম দিনেই পরিশোধ বাধ্যতামূলক হওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। নতুন এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার প্রথম দিনেই ওয়েজ প্রোটেকশন সিস্টেম (WPS) প্ল্যাটফর্মে বেতন প্রক্রিয়াকরণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে আল আনসারি এক্সচেঞ্জ।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, মানবসম্পদ ও আমিরাতিকরণ মন্ত্রণালয় (MoHRE) নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলতে বিপুলসংখ্যক কোম্পানি ১ জুন বেতন পরিশোধ করেছে।

২০২৬ সালের ৩৪০ নম্বর মন্ত্রীপর্যায়ের রেজোলিউশন অনুযায়ী, এখন থেকে বেসরকারি খাতের কর্মীদের আগের মাসের কাজের বেতন প্রতিটি গ্রেগরিয়ান মাসের প্রথম দিনেই দিতে হবে। ১ জুন ২০২৬ থেকে এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে। ফলে মাসের প্রথম দিনের পর বেতন পরিশোধ করলে তা বিলম্বিত হিসেবে গণ্য হবে।

এর আগে কোম্পানিগুলো মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত বেতন দেওয়ার সুযোগ পেত। নতুন নিয়মে সেই সময়সীমা বাতিল করে প্রথম দিনেই বেতন পরিশোধ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নতুন বিধান বাস্তবায়নে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলো (SMEs) প্রস্তুতি জোরদার করেছে। মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য নিয়মিত নগদ প্রবাহ নিশ্চিত করা, বেতন পরিকল্পনা হালনাগাদ করা এবং কর্মীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, WPS ব্যবস্থায় নিবন্ধিত কর্মীর সংখ্যা ২০২৪ সালের ৬০ লাখ ৬০ হাজার থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৭২ লাখ ৬০ হাজারে পৌঁছেছে।

একই সময়ে বেতন লেনদেনের সংখ্যা ৬ কোটি ৭৫ লাখ থেকে বেড়ে ৭ কোটি ৯৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। এসব লেনদেনের মোট মূল্য ৩৪১ বিলিয়ন দিরহাম থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪০৯ বিলিয়ন দিরহামে পৌঁছেছে।

এ ছাড়া নিবন্ধিত নিয়োগকর্তার সংখ্যা ২০২৪ সালের ৩ লাখ ২১ হাজার ৭ জন থেকে ২০২৫ সালে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৮ জনে উন্নীত হয়েছে, যা প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি।

আল আনসারি এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলি আল নাজ্জার বলেন, নতুন নিয়মের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নিয়োগকর্তাদের জন্য দ্রুত, কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য বেতন-পরিশোধ সেবা আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠার হার বৃদ্ধি এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে দেশটিতে বেতন ব্যবস্থাপনার গুরুত্বও দ্রুত বাড়ছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে আমিরাতের জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, গত বছর দুবাইয়ের জনসংখ্যা প্রথমবারের মতো ৪০ লাখ অতিক্রম করেছে এবং আবুধাবির জনসংখ্যাও ৪০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

৯/১১ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার দিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার দিন ৯/১১।সেদিন আল-কায়েদার ১৯ জন সদস্য চারটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ছিনতাই করে আত্মঘাতী হামলা চালান। দুটি উড়োজাহাজ আঘাত হানে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে। আরেকটি আঘাত করে ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে। চতুর্থ উড়োজাহাজটি পেনসিলভানিয়ার একটি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। ঐদিন নিহত হন ২ হাজার ৯৭৭ জন।

সেই ভয়াবহ হামলার ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে আজ। ওই হামলা বদলে দিয়েছে বিশ্বরাজনীতি, যুদ্ধনীতি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের গতিপথ। হামলার নেতৃত্বে ছিল ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বাধীন আল-কায়েদা। তবে ৯/১১ হঠাৎ করে ঘটেনি। এর আগে আল-কায়েদা ১৯৯৮ সালে আফ্রিকায় দুটি মার্কিন দূতাবাসে বোমা হামলা এবং ২০০০ সালে ইয়েমেন উপকূলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস কোল-এ হামলা চালিয়েছিল। বিন লাদেন প্রকাশ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

হামলার আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে আল-কায়েদা ও সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ছিল। কিন্তু সিআইএ ও এফবিআইয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাযথভাবে আদান-প্রদান হয়নি। পরে ৯/১১ কমিশন এটিকে বড় ধরনের গোয়েন্দা ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করে।
২০০১ সালের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে অভিযান শুরু করে। লক্ষ্য ছিল আল-কায়েদাকে ধ্বংস করা এবং তালেবান সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানো। পরে ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণ করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা।

পরবর্তী দুই দশকে আফগানিস্তান ও ইরাকে দীর্ঘ যুদ্ধ চলে। সন্ত্রাস দমনের নামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অভিযান, আটক, জিজ্ঞাসাবাদ ও নজরদারি বাড়ানো হয়। গুয়ানতানামো বে কারাগারে বিচার ছাড়াই বন্দী রাখা এবং ইরাক-আফগানিস্তানে বন্দীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে। ফলে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের পাশাপাশি মানবাধিকার নিয়েও তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।

গত ২৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১-এর মতো মাত্রার আর কোনো হামলা হয়নি। তবে সন্ত্রাসী হুমকি পুরোপুরি শেষ হয়নি। ৯/১১-এর পর যুক্তরাষ্ট্রে উগ্র ইসলামপন্থী সহিংসতার শতাধিক ঘটনা ঘটেছে বলে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সন্ত্রাসবাদকে তুলনামূলক কম অগ্রাধিকার দেওয়ার ফলে আবারও গোয়েন্দা সক্ষমতা ও অভিজ্ঞ জনবল কমে যেতে পারে। বাজেট কমানো, অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের চলে যাওয়া এবং আত্মতুষ্টি-এই তিনটি বিষয়কে বিশেষ ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন তারা।

সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের ২৫ বছর পর তাই যুক্তরাষ্ট্রের সামনে প্রশ্নটি নতুন করে ফিরে এসেছে-হুমকির ধরন বদলালেও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কি সতর্কতা হারাচ্ছে? বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, ৯/১১-এর আগে যে ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও তথ্যের সমন্বয়হীনতা ছিল, তা যেন আবার ফিরে না আসে।

ভিসা জটিলতা নিরসন ও দেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের দ্রুত ফেরানোর দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিনিয়োগ ও প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশ সিআইপি-বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা আজ (সোমবার) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
এসব বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দীর্ঘদিনের ভিসা সমস্যা দূরীকরণ, অভ্যন্তরীণ মালিক পরিবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি এবং ছুটিতে দেশে এসে আটকে পড়া প্রবাসীদের পুনরায় আমিরাতে যাওয়া বিষয়টি আলোচিত হয়।

এদিকে বাংলাদেশে প্রবাসীদের সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিষয়ে আগামী কাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন বাংলাদেশ সিআইপি-বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। বৈঠকে প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সম্ভাব্য বিনিয়োগ, বিনিয়োগের পরিবেশ, প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা ও দ্রুত অনুমোদনের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
এসব বিষয় নিয়ে আজ ১৭ আগস্ট ( সোমবার) বিকেলে ঢাকার পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা জানান, প্রস্তাবিত বিনিয়োগের প্রধান খাতগুলো হলো—ডিজিটাল ও এআইভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংকিং, ড্রাই ফুড প্রসেসিং ও প্যাকেজিং, ই-রেন্টাল, সোলার প্যানেল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পর্যটন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা।ব্যবসায়ীদের মতে, সরকার বিনিয়োগের জন্য সহজ অনুমোদন, জমি বা লিজ সুবিধা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং ওয়ান-স্টপ সেবা নিশ্চিত করলে এই বিনিয়োগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

প্রবাসীরা জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের ভিসা জটিলতায় ভুগছেন। বিশেষ করে প্রায় ১২ বছর ধরে বাংলাদেশি কর্মীদের অভ্যন্তরীণভাবে মালিক পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় অনেক কর্মী কর্মসংস্থান ও জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। বাংলাদেশ ও আমিরাত সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে এই সুযোগ পুনর্বহালের দাবি জানান তারা।

সাম্প্রতিক সময়ে ভিসা বাতিলের কারণে হাজারও আমিরাত প্রবাসী দেশে আটকে পড়েছেন। যাদের অনেকের চাকরি, ব্যবসা ও পরিবার রয়েছে আমিরাতে। দেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের তালিকা তৈরি করে আমিরাত সরকারের সঙ্গে আলোচনা এবং তাদের পুনরায় আমিরাতে যাওয়ার সুযোগ তৈরিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীদের সেবা আরও কার্যকর করতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেটে দক্ষ, অভিজ্ঞ, অরাজনৈতিক ও প্রবাসীবান্ধব কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টার জরুরি হেল্পলাইন, ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে প্রবাসী সহায়তা সেল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ভিসা জটিলতা নিরসন, বিদেশ যাওয়ার আগে ভাষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ, সবার জন্য প্রবাসী কার্ড, স্থানীয় আইন সম্পর্কে প্রশিক্ষণ, মৃত প্রবাসীর মরদেহ সরকারি খরচে দেশে আনা, জেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা, রেমিট্যান্স প্রণোদনা বৃদ্ধি, সাশ্রয়ী বিমান ভাড়া, প্রবাসীদের সম্পদ ও বিনিয়োগ সুরক্ষা, সহজ ঋণ, বীমা এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের সময় জরুরি সহায়তাসহ ১৫ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সিআইপি-বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা বলেন, প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্সের উৎস নন,তারা বাংলাদেশের অর্থনীতির অংশীদার, বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগী।

তাদের মতে, ১ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে নতুন শিল্প, কর্মসংস্থান, রপ্তানি ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হবে।তারা সরকারের কাছে প্রবাসীদের জন্য নিরাপদ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভিসা জটিলতা ও দেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের সমস্যা দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস এসোসিয়েশনের আহবায়ক মোহাম্মদ রুবেল, সদস্য সচিব মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন,সাংবাদিক কেরামত উল্লাহ বিপলব, সাংবাদিক শিবলী আল সাদিক,মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিআইপি, মোহাম্মদ মন্জুরুল হক সিআইপি, মোহাম্মদ শামসুজ্জামান সিআইপি,মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন সিআইপি,ব্যবসায়ী মাহামুদুল হাসান, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রাহী সিআইপি,ব্যবসায়ী এনামুল হক,

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ