এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দেশটির রাজধানী দিল্লির যন্তর-মন্তরে আয়োজিত ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী অংশ নিয়েছেন। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরা সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী, অভিভাবক, তরুণ পেশাজীবী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষরা শিক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ৫টি প্রধান দাবি তুলে ধরেন।
খবর- হিন্দুস্থান টাইমস
১) শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ছাড়া ডিজিটাল শিক্ষা নয়
“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
বিক্ষোভকারীদের অন্যতম দাবি ছিল, পর্যাপ্ত মূল্যায়ন ও শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়া শিক্ষা খাতে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু না করা। তাদের মতে, ব্যাংকিং খাতের মতো শিক্ষা ক্ষেত্রেও ডিজিটাল ব্যবস্থার অপব্যবহার ও অনিয়মের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

২)মণিপুরে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি
================================
মণিপুরে দীর্ঘদিনের অস্থিরতার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও বিক্ষোভে উঠে আসে। অংশগ্রহণকারীরা সেখানে স্কুল-কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের দাবি জানান।
৩) প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত
করা
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভকারীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, এসব অনিয়মের কারণে বহু শিক্ষার্থীর বছরের পর বছর পরিশ্রম বিফলে যাচ্ছে।
৪) শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব
+++++++++++++++++++++++++++++++++
বিক্ষোভকারীরা বলেন, শিক্ষাসংক্রান্ত যেসব সমস্যা সরাসরি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রভাবিত করছে, সেগুলোকে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করতে হবে। তাদের মতে, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সংকট সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।
৫) শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা
—————————————-
শিক্ষার্থীদের ওপর ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপ এবং আত্মহত্যার ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে আন্দোলনকারীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান। তারা বলেন, লাখো শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপে ভুগলেও এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
সমাবেশে বক্তারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে অভিযোগ এবং বিভিন্ন পরীক্ষায় কথিত অনিয়মের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে দায়ী করে তার পদত্যাগের দাবি জানান।












