আজঃ সোমবার ৮ জুন, ২০২৬

নিরাপদ কর্মপরিবেশেই প্রকৃত ক্ষমতায়ন সম্ভব: সিএমপি কমিশনার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ালেও প্রকৃত ক্ষমতায়ন আসে নিরাপদ, সম্মানজনক ও সহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। তিনি বলেন, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই যেন সমতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে জাতির সেবায় নিয়োজিত হতে পারেন, সে পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

রোববার (৭ জুন) নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের মেট্রোপলিটন শুটিং ক্লাবে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের (বিপিডব্লিউএন) ‘কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪-২০২৭ বাস্তবায়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ৭০ জন কর্মকর্তা এবং ঊর্ধ্বতন নেতারা অংশ নেন।

কমিশনার হাসান মো. শওকত আলম বলেন, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হয় তখনই, যখন নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব পুলিশ সদস্যের জন্য নিরাপদ, সম্মানজনক ও সহায়ক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়।এমন পরিবেশেই সবাই সমতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারেন।

বিপিডব্লিউএনের সভাপতি ও পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (লজিস্টিকস) নাসিমা আক্তার বলেন, নারীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সংগঠনের লক্ষ্য।নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব পুলিশ সদস্যের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে দিনব্যাপী কর্মশালায় বিপিডব্লিউএনের প্রতিনিধিরা সংস্থাটির কৌশলগত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক, কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলা বিষয়ে বিভিন্ন অধিবেশন পরিচালনা করেন। ইউএন উইমেনের প্রতিনিধিরা জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশিং এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন।
আলোচনায় জেন্ডার-রেসপনসিভ পুলিশিং, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও রিপোর্টিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সাইবার নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কর্মঘণ্টা, বদলি ও পদায়নসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। অংশগ্রহণকারী পুলিশ কর্মকর্তারা এসব বিষয়ে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সঞ্জয় সরকার ও ইউএন উইমেনের প্রতিনিধি সাদিয়া তাসনীম প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ইউএন উইমেন ও বিপিডব্লিউএন দীর্ঘদিন ধরে নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করছে। এর মধ্যে জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশিং এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের জন্য ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক সেবা জোরদারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট, জেলা পর্যায়ের নেতৃত্ব এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন দায়িত্বে ১৭ হাজার ৯৮৮ জন নারী সদস্য কর্মরত রয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নতুন এমডি দায়িত্ব নেয়ার তিন দিনেই সিদ্ধান্ত অবশেষে ৬৩ বছর পর পতেঙ্গায় যাবে ওয়াসার পানি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই প্রথম পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা এলাকার তিনটি ওয়ার্ডে পানি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি সংকট ও লবণাক্ত পানির যন্ত্রণায় ভোগার পর এই তিনটি ওয়ার্ডে অবশেষে পাইপলাইনের সুপেয় পানির আওতায় আসছেন। ১৯৬৩ সালে চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম ওয়াসার পানি ওই ওয়ার্ডগুলোতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, বর্তমানে পুরানো জরাজীর্ণ লাইন সংস্কার ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে পতেঙ্গার বিস্তৃত এলাকায় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। সব জটিলতা কাটিয়ে মাত্র তিন দিনেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে সেখানে পানি পৌঁছাবে।দীর্ঘদিন ধরে পাইপলাইন জটিলতার কারণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়াসার পানি পৌঁছায়নি। তবে পুরনো প্রকল্পের আওতাভুক্ত করে দ্রুতই এই সংকট সমাধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম ওয়াসার একটি নথিতে দেখা যায়, গত তিন দিন আগে (৩ জুন )স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছেন চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম।তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ১ জুন সোমবার। ওই চিঠিতে তিনি কর্ণফুলী টানেলের ইউটিলিটি ডাক্ট ব্যবহার করে পাইপলাইন স্থাপনের অনুমতি চান। দায়িত্ব গ্রহণ করেই তিনি পতেঙ্গার তিনটি ওয়ার্ডে জনগণের দুর্ভোগ লাগবে উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং দ্রুত পানি সরবরাহের ব্যাবস্থা করেন ।

প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, পতেঙ্গা এলাকায় দৈনিক পানির চাহিদা ১০ কোটি লিটার। কিন্তু বর্তমানে ওয়াসা সেখানে মাত্র ৪ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করতে পারছে। অন্যদিকে, বোয়ালখালী উপজেলার ভাণ্ডালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্পের দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ৬ কোটি লিটার। বর্তমানে আনোয়ারা, পটিয়া, কর্ণফুলী ও বোয়ালখালী এলাকায় এই প্রকল্পের পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
ওয়াসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, টানেলের ইউটিলিটি ডাক্ট ব্যবহার করে ভাণ্ডালজুড়ি প্রকল্প থেকে প্রতিদিন অন্তত ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পানি পতেঙ্গা এলাকায় সরবরাহ করা হবে। এর ফলে দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ওই এলাকার মানুষের পানির অভাব অনেকাংশে দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম জানান, পাইপলাইনের সাত বছরের জটিলতা কাটিয়ে মাত্র তিন দিনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে ওইসব ওয়ার্ডের লোকজন ওয়াসার পানি পাবেন বলে তিনি দৃঢ় আশা প্রকাশ করেন।জানা গেছে, সমুদ্র উপকুলীয় এলাকা হিসেবে পতেঙ্গাসহ পুরো এলাকার টিউবওয়েলের পানি লবণাক্ত। এ পানি খাওয়া যায় না। খেলেও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতার খবর পাওয়া গেছে। টিউবওয়েলের পানি না পাওয়ায় এলাকার হাজার হাজার মানুষকে পানীয় জলের তীব্র সংকটে ভুগতে হতো।

ইপিজেড থেকে সিমেন্ট ক্রসিং পর্যন্ত এলাকায় অন্তত চল্লিশটির মতো দোকান থেকে ওয়াসার পানি বিক্রি করা হতো এক সময়। এসব দোকানের পেছনে বড় বড় রিজার্ভার করে ওয়াসার পানি ধরে রেখে পরবর্তীতে ড্রাম ভরে ভ্যানে করে এলাকায় বিক্রি করতো। ২৫ লিটারের প্রতি ড্রাম পানি ভবনের ফ্লোর ভেদে পঞ্চাশ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতো। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ চড়া দামে পানি কিনতো। এলাকায় হাজার হাজার মানুষ ওয়াসার পানীয় জলের নেটওয়ার্কের বাইরে রয়েছেন।

খেলাধুলাই পারে তরুণদের বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে-যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতীক্ষিত ‘পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম’-এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের চক্রশালা, জলুয়ার দীঘিরপাড় এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগর, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মইনুল আলম ছোটন। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক শতাধিক মানুষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, “বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। এই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং যাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আজ এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও বলেন, “সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই। এই স্টেডিয়ামটি আমাদের যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও বিপথগামিতা থেকে দূরে রেখে একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও শৃঙ্খল জীবন গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই স্টেডিয়াম শুধু পটিয়ার নয়, পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে। এখানে অনুশীলনের সুযোগ পেয়ে আগামী দিনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় গড়ে উঠবে, যারা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই মিনি স্টেডিয়াম বাস্তবায়িত হলে পটিয়ার তরুণ-যুবকদের জন্য আধুনিক ক্রীড়া চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামে ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন প্রতিভা বিকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।স্থানীয়দের মতে, পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হলে এ অঞ্চলের ক্রীড়াপ্রেমী তরুণদের জন্য একটি আধুনিক ও মানসম্মত অনুশীলন কেন্দ্র গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ