আজঃ বৃহস্পতিবার ২ জুলাই, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পর্নোগ্রাফি ও ৩টি প্রতারণা মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি শিমুল গ্রেপ্তার 

বদিউজ্জামান রাজাবাবু  চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও এলাকা থেকে ৩টি প্রতারণা মামলার পরোয়ানাভুক্ত এবং পর্নোগ্রাফি ও সাইবার সুরক্ষা আইনের ১টি মামলার পলাতক আসামি মো. শিমুল হোসেন (৩৬)কে গ্রেপ্তার করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পেরন করা হয়।  গ্রেপ্তার হওয়া শিমুল হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আজাইপুর মাঝপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. সাজিমুল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিমুল হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি প্রতারণা মামলায় আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। পাশাপাশি পর্নোগ্রাফি ও সাইবার সুরক্ষা আইন সংশ্লিষ্ট একটি মামলায়ও তিনি পলাতক ছিলেন।
ওই মামলাটি সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ১৯(২) ও ২৫(২) ধারা, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর একাধিক ধারা এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৯ ও ৫০০ ধারায় দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় এসআই সেলিম রেজার নেতৃত্ব  পরিচালিত অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়।পুলিশ জানিয়েছে, মামলাগুলোর তদন্ত ও অন্যান্য আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় পরিবার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী প্রাইভেটে পড়তে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় তাদের পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। একসঙ্গে একই বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিখোঁজ ছাত্রীরা হলেন উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে খুশি (দশম শ্রেণি), বাঙ্কু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা (দশম শ্রেণি), রমেশ দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (দশম শ্রেণি) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজুতি রানী দেবনাথ (অষ্টম শ্রেণি)। তারা সবাই সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১০টার দিকে চার ছাত্রী একসঙ্গে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তারা আর বাড়ি ফেরেনি। সম্ভাব্য আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।একই বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ জানিয়েছে, সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে নিখোঁজ চার ছাত্রীর সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।নিখোঁজ চার ছাত্রীর অবস্থান সম্পর্কে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী থানা অথবা তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছেন স্বজনরা।

চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলে দুই জাহাজের সংঘর্ষে ডুবলো পাথরবোঝাই লাইটার জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী চ্যানেলে অন্য একটি জাহাজের ধাক্কায় এমভি বে হারবার-২ নামের একটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে। জাহাজটি পাথর নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিল।মঙ্গলবার ভোররাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কোস্ট গার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, লাইটার জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর পেয়ে কোস্ট গার্ডের দ্রুত তৎপরতায় জাহাজে থাকা ১২ জন নাবিককেই জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, রাত ৩টায় অন্য একটি জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামক লাইটার জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর আসে।

সংবাদ পাওয়ার পরপরই কোস্ট গার্ডের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তাৎক্ষণিকভাবে আটজনকে এবং পরে আরও চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। জাহাজটিতে থাকা মোট ১২ জন নাবিককে অক্ষত ও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান কোস্ট গার্ড। লাইটার জাহাজটি পাথর নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব নাসির উদ্দিন বলেন, ডুবে যাওয়া লাইটার জাহাজটি বে হারবার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। তবে দুর্ঘটনার কারণে বন্দর চ্যানেলে জাহাজ চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের মূল চ্যানেল সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সচল রয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ