আজঃ বৃহস্পতিবার ২ জুলাই, ২০২৬

প্রতিমাসে মাসে আয় হবে ৫ কোটি টাকা

চট্টগ্রাম বন্দরে ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবনের যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও গতিশীল করতে ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) ভবনের যাত্রা শুরু হয়েছে। ভবনটি বুধবার উদ্বোধন করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। বেলা পৌনে ১২টায় বেলুন উড়িয়ে, ফলক উন্মোচন করে ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবন উদ্বোধন করেন তিনি।

এ সময় বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, নতুন ভবনটি নির্মাণে প্রায় ৮০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ভবনের দাম এক বছরে উঠে আসবে। বিশেষ করে ভবনটি থেকে ভাড়া ও বিভিন্ন সেবা বাবদ আয় দিয়ে এক বছরের মধ্যেই নির্মাণ ব্যয় উঠে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভবনটি থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৫ কোটি টাকা আয় হবে।
তিনি বলেন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার ভেতরে ছিল। তখন হাজার হাজার মানুষ বন্দরের ভেতরে ঢোকা-বের হওয়ায় সমস্যা হতো। ভবনের নিরাপত্তার বিষয়টি আইএসপিএম কোড মেনে করা হয়েছে। এ ভবন পোর্ট কমপ্লায়েন্সে যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

এ সময় বন্দরের সদস্য, পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার বন্দরের ভেতরে ছিল। তখন প্রতিদিন ৫ হাজার মানুষকে ভেতরে ঢুকতে হতো। ২০২২ সালে ভবনের কাজ শুরু হয়। নিচতলায় রিসিপশন। প্রথম তলায় টোকেন দেওয়া হবে। সব ফ্লোরে ব্যাংকের বুথ আছে। তিনটি ফ্লোরে সার্ভিস দেওয়া হবে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলা ভাড়া দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩টি ফ্লোর বন্দরের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবন চালুর মাধ্যমে বন্দরের বিভিন্ন সেবা এক ছাদের নিচে আরও দ্রুত, সহজ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইরানের উদ্দেশ্যে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর ঢাকা ত্যাগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন।

আজ ২ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ইরানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা স্পিকারের এ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ইরানে রাষ্ট্রীয়ভাবে আয়োজিত জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে ৪ জুলাই দেশে ফেরার কথা রয়েছে স্পিকারের।

খামেনির শেষ বিদায়ে কয়েকদিনের কর্মসূচির আয়োজন করেছে ইরান। ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে প্রথম জানাজা। এরপর ৭ জুলাই রাজধানীর উপকণ্ঠের কোম শহরে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ ৯ জুলাই আরেক দফা জানাজা শেষে তাকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে দাফন করা হবে।উল্লেখ্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মৃত্যুর আগে তিনি টানা ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেন।

সরকারী দপ্তরে চসিক’র পৌরকর পাওনা ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের ২৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এই আর্থিক সংকটের কারণে সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকসেবা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি মেয়রের। তবে পৌরকর আটকে থাকা দপ্তরগুলোর কর্মকর্তাদের দাবি, মন্ত্রণালয়গুলো থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এর অধীন সরকারি দপ্তরগুলো চসিকের এই বিশাল অঙ্কের কর পরিশোধ করতে পারছে না।

এদিকে পৌরকর আদায়ে ২৫ মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। আটকে থাকা ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আদায়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর তার এই আধাসরকারি (ডিও) চিঠি।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মেয়র বলেছেন, চসিকের আয়ের মূল উৎস পৌরকর। এই টাকা থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, আবর্জনা অপসারণ, সড়ক আলোকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের মতো বহুমুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সিংহভাগ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কাছে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া ২ কোটি ২৬ লাখ বকেয়া পরিশোধের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ মঞ্জুরির অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইভাবে বাকি ২৪টি মন্ত্রণালয়েও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

চসিকের রাজস্ব বিভাগের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনার সিংহ ভাগই আটকে আছে মাত্র তিনটি বড় মন্ত্রণালয়ের কাছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে বড় দেনাদার হলো রেলপথ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের কাছে মোট পাওনা ১১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বললেন, দুটিই সরকারি প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলে গৃহকর পরিশোধ করা হবে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হোল্ডিং ট্যাক্স আটকে আছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে। পাওনা প্রায় ৩০ কোটি টাকা। বকেয়া আদায়ের চিঠি সম্পর্কে জানতে কথা হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে। তিনি বললেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে বকেয়া আদায়ের জন্য এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছি। সরকারের জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই আমরা এই চিঠিগুলো পাঠিয়েছি, যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো তাদের বার্ষিক বাজেটে চসিকের এই পৌরকর পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে পারে। যেভাবে আমরা চট্টগ্রাম বন্দরের পেছনে লেগে থেকে ন্যায্য পাওনা আদায় করেছি, একইভাবে এই ২৫টি মন্ত্রণালয়ের বকেয়া ১৭৭ কোটি টাকা আদায়েও আমি শতভাগ চেষ্টা চালিয়ে যাব।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এই আর্থিক সংকটের কারণে সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকসেবা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি মেয়রের। তবে পৌরকর আটকে থাকা দপ্তরগুলোর কর্মকর্তাদের দাবি, মন্ত্রণালয়গুলো থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এর অধীন সরকারি দপ্তরগুলো চসিকের এই বিশাল অঙ্কের কর পরিশোধ করতে পারছে না।
এদিকে পৌরকর আদায়ে ২৫ মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। আটকে থাকা ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আদায়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর তার এই আধাসরকারি (ডিও) চিঠি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মেয়র বলেছেন, চসিকের আয়ের মূল উৎস পৌরকর। এই টাকা থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, আবর্জনা অপসারণ, সড়ক আলোকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের মতো বহুমুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সিংহভাগ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কাছে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া ২ কোটি ২৬ লাখ বকেয়া পরিশোধের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ মঞ্জুরির অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইভাবে বাকি ২৪টি মন্ত্রণালয়েও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

চসিকের রাজস্ব বিভাগের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনার সিংহ ভাগই আটকে আছে মাত্র তিনটি বড় মন্ত্রণালয়ের কাছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে বড় দেনাদার হলো রেলপথ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের কাছে মোট পাওনা ১১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বললেন, দুটিই সরকারি প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলে গৃহকর পরিশোধ করা হবে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হোল্ডিং ট্যাক্স আটকে আছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে। পাওনা প্রায় ৩০ কোটি টাকা। বকেয়া আদায়ের চিঠি সম্পর্কে জানতে কথা হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে। তিনি বললেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে বকেয়া আদায়ের জন্য এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছি। সরকারের জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই আমরা এই চিঠিগুলো পাঠিয়েছি, যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো তাদের বার্ষিক বাজেটে চসিকের এই পৌরকর পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে পারে। যেভাবে আমরা চট্টগ্রাম বন্দরের পেছনে লেগে থেকে ন্যায্য পাওনা আদায় করেছি, একইভাবে এই ২৫টি মন্ত্রণালয়ের বকেয়া ১৭৭ কোটি টাকা আদায়েও আমি শতভাগ চেষ্টা চালিয়ে যাব।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ