আজঃ বৃহস্পতিবার ২ জুলাই, ২০২৬

সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানজায় অংশ নিতে

ইরানের উদ্দেশ্যে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর ঢাকা ত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন।

আজ ২ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ইরানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা স্পিকারের এ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ইরানে রাষ্ট্রীয়ভাবে আয়োজিত জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে ৪ জুলাই দেশে ফেরার কথা রয়েছে স্পিকারের।

খামেনির শেষ বিদায়ে কয়েকদিনের কর্মসূচির আয়োজন করেছে ইরান। ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে প্রথম জানাজা। এরপর ৭ জুলাই রাজধানীর উপকণ্ঠের কোম শহরে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ ৯ জুলাই আরেক দফা জানাজা শেষে তাকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে দাফন করা হবে।উল্লেখ্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মৃত্যুর আগে তিনি টানা ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবনের যাত্রা শুরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও গতিশীল করতে ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) ভবনের যাত্রা শুরু হয়েছে। ভবনটি বুধবার উদ্বোধন করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। বেলা পৌনে ১২টায় বেলুন উড়িয়ে, ফলক উন্মোচন করে ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবন উদ্বোধন করেন তিনি।

এ সময় বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, নতুন ভবনটি নির্মাণে প্রায় ৮০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ভবনের দাম এক বছরে উঠে আসবে। বিশেষ করে ভবনটি থেকে ভাড়া ও বিভিন্ন সেবা বাবদ আয় দিয়ে এক বছরের মধ্যেই নির্মাণ ব্যয় উঠে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভবনটি থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৫ কোটি টাকা আয় হবে।
তিনি বলেন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার ভেতরে ছিল। তখন হাজার হাজার মানুষ বন্দরের ভেতরে ঢোকা-বের হওয়ায় সমস্যা হতো। ভবনের নিরাপত্তার বিষয়টি আইএসপিএম কোড মেনে করা হয়েছে। এ ভবন পোর্ট কমপ্লায়েন্সে যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

এ সময় বন্দরের সদস্য, পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার বন্দরের ভেতরে ছিল। তখন প্রতিদিন ৫ হাজার মানুষকে ভেতরে ঢুকতে হতো। ২০২২ সালে ভবনের কাজ শুরু হয়। নিচতলায় রিসিপশন। প্রথম তলায় টোকেন দেওয়া হবে। সব ফ্লোরে ব্যাংকের বুথ আছে। তিনটি ফ্লোরে সার্ভিস দেওয়া হবে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলা ভাড়া দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩টি ফ্লোর বন্দরের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবন চালুর মাধ্যমে বন্দরের বিভিন্ন সেবা এক ছাদের নিচে আরও দ্রুত, সহজ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলে দুই জাহাজের সংঘর্ষে ডুবলো পাথরবোঝাই লাইটার জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী চ্যানেলে অন্য একটি জাহাজের ধাক্কায় এমভি বে হারবার-২ নামের একটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে। জাহাজটি পাথর নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিল।মঙ্গলবার ভোররাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কোস্ট গার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, লাইটার জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর পেয়ে কোস্ট গার্ডের দ্রুত তৎপরতায় জাহাজে থাকা ১২ জন নাবিককেই জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, রাত ৩টায় অন্য একটি জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামক লাইটার জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর আসে।

সংবাদ পাওয়ার পরপরই কোস্ট গার্ডের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তাৎক্ষণিকভাবে আটজনকে এবং পরে আরও চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। জাহাজটিতে থাকা মোট ১২ জন নাবিককে অক্ষত ও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান কোস্ট গার্ড। লাইটার জাহাজটি পাথর নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব নাসির উদ্দিন বলেন, ডুবে যাওয়া লাইটার জাহাজটি বে হারবার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। তবে দুর্ঘটনার কারণে বন্দর চ্যানেলে জাহাজ চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের মূল চ্যানেল সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সচল রয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ