পরীক্ষাকে কোনোভাবেই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় পরিণত করা উচিত নয়

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরীক্ষা শুধু নম্বর পাওয়ার লড়াই নয়; এটি একজন শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞান, সততা ও মেধা প্রকাশের ক্ষেত্র। তাই পরীক্ষাকে কোনোভাবেই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় পরিণত করা উচিত নয়। শিক্ষার্থীরা যেন অসদুপায়ের চিন্তা না করে নিজেদের যোগ্যতার ওপর আস্থা রেখে উত্তরপত্রে লিখতে শেখে—এমন পরীক্ষা-সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বৃহস্পতিবার ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি একজন শিক্ষার্থীর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পাবলিক পরীক্ষা। এবার চট্টগ্রামে ১০৪টি কেন্দ্রে প্রায় ৭৯ হাজার ২১২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে দেখেছেন।
তিনি বলেন, “আমাদের আগামী প্রজন্মের কাছে পরীক্ষা সম্পর্কে একটি ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে হবে।

পরীক্ষার হলে কোনো অসুস্থ চিন্তা বা অসদুপায়ের স্থান নেই। একজন শিক্ষার্থী যা জানে, সেটিই যেন সে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তার উত্তরপত্রে লিখে আসে।”
পরীক্ষা প্রতিযোগিতার অংশ হলেও সেই প্রতিযোগিতা অবশ্যই সুস্থ ও ন্যায়সঙ্গত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি পাঠ্যবিষয় সত্যিকার অর্থে আয়ত্ত করতে পারে, তাহলে পরীক্ষার খাতায় তার স্বাভাবিক প্রতিফলন ঘটবে। একই সঙ্গে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে এবং প্রকৃত মেধাবীরাই প্রাপ্য স্বীকৃতি পাবে।

ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমরা একটি মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। আজ যারা পরীক্ষার হলে বসেছে, তারাই আগামী দিনের রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। তাই তাদের শুধু ভালো ফল করলেই হবে না, সততা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধও ধারণ করতে হবে।”
প্রশ্নফাঁস নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, সরকার পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে পরীক্ষা নিয়ে সংশয় বা প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করো। ছাত্রজীবনে যা শিখছ, সেটিই ভবিষ্যৎ জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্নপত্রের মান নিয়ে বিতর্ক তৈরি হতো। কোনো কোনো বোর্ডের শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলনামূলক কঠিন হওয়ায় কম নম্বর পাওয়ার অভিযোগ করত। এ ধরনের বিতর্ক ও বৈষম্যের ধারণা দূর করতেই এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।রেজিস্ট্রেশন-সংক্রান্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, সময়মতো নিবন্ধন সম্পন্ন না করার কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ হারিয়ে না ফেলে, সে বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সমানভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে। শিক্ষা কার্যক্রমে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই।

চট্টগ্রাম কলেজের কেন্দ্র সচিব ও অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, কেন্দ্রে নিবন্ধিত ৩ হাজার ২০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ১৬৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। অনুপস্থিত ছিল ৩৫ জন। সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।পরিদর্শনের সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামানসহ জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চোখে কালো কাপড় বেঁধে শিক্ষার্থীদের মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনের নবম দিনেও কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। প্রশাসনের নীরবতার প্রতিবাদে বুধবার চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে শাটডাউনের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে কর্মবিরতিতে রয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও স্টাফরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে।

বুধবার দুপুর পৌনে ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি বের হয়। চিকিৎসাকেন্দ্র সংলগ্ন সড়ক হয়ে স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি আবার শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ফিরে আসে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘প্রশাসন নীরব কেন, জবাব চাই’ এবং ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইজাজ মাহমুদ খান বলেন, প্রায় নয় দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদেই চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করা হয়েছে।

এদিকে সকাল থেকে শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন। বন্ধ রয়েছে ক্লাস, ল্যাব ও পরীক্ষা। ফলে একাডেমিক ক্যালেন্ডারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আন্দোলনরত এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছেন। দাপ্তরিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। উচ্চশিক্ষাগামী শিক্ষকরা জটিলতায় পড়ছেন। মাসের শেষ দিনেও বেতন-ভাতা না আসায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পূজার বোনাস নিয়েও শঙ্কা রয়েছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে মধ্যরাত থেকে অধ্যাপক ড. আবু শাহ বিক্ষোভ, শাটডাউন, গণস্বাক্ষর, মানববন্ধন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি, স্মারকলিপি, মশাল মিছিল, রেড কার্ড প্রদর্শন, প্রতিবাদী গ্রাফিতি, শ্বেত শাড়িতে গণসাক্ষ্য, পরিচয়পত্রসহকারে মুখোশ মিছিলসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছেন তাঁরা।টানা নবম দিনেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ না আসায় আন্দোলন আরও দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের এই স্থবিরতা দ্রুত নিরসন না হলে এর প্রভাব পুরো একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় পড়তে পারে।

চুয়েটে স্বাভাবিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা, তৃতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি (মঙ্গলবার) তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এর আগে রোববার থেকে শিক্ষক সমিতি সর্বাত্মক কর্মবিরতি শুরু করে।একই সঙ্গে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিও অব্যাহত রয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা চলছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মবিরতিতে থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি তালাবদ্ধ উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে নিজেদের দাবির পক্ষে কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

অন্যদিকে একই দাবিতে শিক্ষার্থীদের শাটডাউন কর্মসূচিও চলছে। সোমবার রাতে বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে স্বাধীনতা চত্বরে জড়ো হন। পরে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে কর্মসূচি পালন করায় বিভিন্ন মহল থেকে তাদের চাপ, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের ক্ষতির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী।

চুয়েটের উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত থেকে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়ে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। আন্দোলনের কারণে পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংসহ অন্তত ছয় বিভাগের বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। পরদিন তিনি দায়িত্ব নেন। পরে ২১ সেপ্টেম্বর তাকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের কারণ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ না থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এদিকে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ২৪ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে না এসেই দায়িত্ব নেন। আন্দোলনের কারণে তিনি এখনো ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি। তিনি জ্যেষ্ঠ শিক্ষক, ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা করছেন বলে জানিয়েছেন।অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম জানান, আন্দোলনে তার কোনো ইন্ধন নেই। শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের কাউকে কর্মসূচি নিতে বলেননি বলেও জানান তিনি।

চুয়েট আইন, ২০০৩-এর ১০(২) ধারা অনুযায়ী, প্রয়োজন মনে করলে আচার্য যেকোনো সময় কারণ দর্শানো ছাড়াই উপাচার্যকে অব্যাহতি দিতে পারেন। তবে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় অধ্যাপক সায়েমকে কেন সরানো হলো।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ