চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপির আগমনে লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি স্বাগত মিছিল

খলিল চৌধুরী, লোহাগাড়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এমপির আগমনে লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি স্বাগত মিছিল করছেন। ৮ আগষ্ট বিকেলে উপজেলা সদর লোহাগড়া-আমিরাবাদ বটতলী শহরে প্রধানমন্ত্রী আগমনে লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি আয়োজিত স্বাগত মিছিল চট্টগ্রাম দক্ষিণ বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক ও লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি আসহাব উদ্দিন চৌধুরী সভাপতিত্বে-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে স্বাগত মিছিলে অংশ নেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি সদস্য এসএম সলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, সালাউদ্দিন চৌধুরী সোহেল, মোঃ ফৌজুল কবির ফজলু ও লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এটিএম জাহেদ চৌধুরী সহ লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি ও নয় ইউনিয়নের বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে : ত্রাণমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, প্রতিবছর বাঁশখালীবাসীদের যাতে আর বন্যা মোকাবেলা করতে না হয় সে জন্য বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের খালগুলো দীর্ঘদিন ধরে দখল ও দূষণে অস্তিত্ব বিলোপের পথে। যার দরুন স্বাভাবিক বৃষ্টি হলেই দু-কুল ছাপিয়ে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়। এ জন্য খালসমূহ খনন ও পুনঃখনন করে পানিপ্রবাহ সৃষ্টি করা হবে যাতে দ্রুততম সময়ে পানি নেমে যেতে পারে। পাহাড়ের ঢলে যাতে মানুষের বসতবাড়ি না ঢুবে সে জন্য টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে।


শনিবার (৮ আগস্ট) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিতে আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম আসছেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর নির্মাণ, ত্রাণ বিতরণসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পরে মন্ত্রী উপজেলার বাহারছড়ায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ন্যানো প্রযুক্তি হতে পারে কৃষির নতুন দিশারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রচলিত রাসায়নিক সারের অপচয় রোধ ও উচ্চমূল্যের ভর্তুকি থেকে মুক্তি পেতে ন্যানো প্রযুক্তি হতে পারে কৃষির নতুন দিশারি। মাত্র ৫০০ মিলি ন্যানো তরল সার এক ব্যাগ বা ৫০ কেজি দানাদার সারের বিকল্প হিসেবে কাজ করে। এটি কৃষকের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় এবং সরকারের ভর্তুকির চাপ লাঘব করে।

বিশ্বজুড়ে সারের সংকট এবং অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে যখন খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে, তখন বাংলাদেশের কৃষি খাতে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে যাচ্ছে ন্যানো প্রযুক্তি। কৃষকের উৎপাদন ও পরিচালনা খরচ কমানো, আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরতা হ্রাস এবং সারের পেছনে সরকারের বিপুল ভর্তুকির বোঝা থেকে স্থায়ীভাবে বেরিয়ে আসার বিকল্প হিসেবে ন্যানো ফার্টিলাইজার এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখতে পারে।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ন্যানো ফার্টিলাইজার ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি মাটির উর্বরতা রক্ষা, সারের সঠিক ব্যবহার এবং কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানোর লক্ষ্যে ন্যানো সারের প্রয়োগ বৃদ্ধি, গবেষণা জোরদারকরণ এবং তা মাঠ পর্যায়ে দ্রুত প্রবর্তনের জন্য তাগিদ ও নীতিগত নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার পর কৃষি মন্ত্রণালয় ন্যানো ফার্টিলাইজার বিশ্লেষণ, গবেষণা ও নীতি নির্ধারণে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ইতিমধ্যেই ন্যানো সার নিয়ে পাইলট প্রজেক্টের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) ন্যানো সারের কার্যক্রম পরিচালনা ও ত্বরান্বিত করতে একটি বিশেষ ‘ন্যানো সেল’ গঠন করেছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ন্যানো প্রযুক্তির সাফল্য ও বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণআন্তর্জাতিক কৃষি খাতে গত ৫-৭ বছর ধরে ন্যানো প্রযুক্তির ফার্টিলাইজার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বহু দেশ ইতিমধ্যেই বাণিজ্যিকভাবে ন্যানো সার প্রবর্তন ও প্রয়োগ শুরু করেছে:দক্ষিণ এশিয়া ও লাতিন আমেরিকা: পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা থেকে শুরু করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের মতো বড় কৃষিপ্রধান দেশগুলোতে ন্যানো সার সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

আফ্রিকা মহাদেশ: সেনেগাল, কেনিয়া এবং উগান্ডার মতো আফ্রিকান দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও কম খরচে ফসল উৎপাদনে ন্যানো সার ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।ইউরোপ: প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক কৃষির অংশ হিসেবে ইউরোপের ইতালি, স্পেন ও জার্মানির মতো দেশগুলো পরিবেশবান্ধব কৃষি নীতি বাস্তবায়নে ন্যানো সারের ব্যবহার বাড়াচ্ছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া: আমাদের নিকটবর্তী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ফিলিপাইনে ন্যানো ইউরিয়া, ন্যানো ডিএপি, ন্যানো এমওপি এবং ন্যানো এনপিকে-এর বিস্তৃত ব্যবহার চলছে।
মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এসব দেশে ন্যানো সার ব্যবহারের ফলে ফসলের ফলন (ণরবষফ চৎড়ফঁপঃরড়হ) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা পেয়েছে এবং কৃষকের উৎপাদন খরচ বহুলাংশে কমে এসেছে।বাংলাদেশে ন্যানো সারের মাঠ পর্যায়ের গবেষণা ও বাংলা মার্কের ভূমিকা।

বাংলাদেশে ন্যানো প্রযুক্তির প্রয়োগ কেবল ধারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলা মার্ক কেমিক্যাল লিমিটেড গত পাঁচ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় মাঠ পর্যায়ে ন্যানো ইউরিয়া, ন্যানো ডিএপি, ন্যানো এমওপি এবং ন্যানো এনপিকে নিয়ে ব্যাপক পাইলট প্রজেক্ট ও গবেষণা পরিচালনা করে আসছে। ধান, গম, শাকসবজি এবং আমসহ নানা ধরনের ফলের ওপর পরিচালিত এসব ট্রায়ালে কৃষকদের কাছ থেকে অত্যন্ত ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে।

পাশাপাশি, দেশের শীর্ষস্থানীয় সরকারি কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান-বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক টেস্ট ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলা মার্কের ‘ইফকো ন্যানো ইউরিয়া’ এবং ‘এন ব্লু’ (ঘ ইষঁব) সারের ওপর গবেষণা করে সফল রিপোর্ট প্রদান করেছেন, যা বিভিন্ন জার্নাল ও গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা মার্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারের নীতিগত সহযোগিতা এবং কমার্শিয়াল অনুমোদন পেলেই তারা দ্রুততম সময়ে জাতীয় পর্যায়ে বাজারজাতকরণ শুরু করতে প্রস্তুত।সারের বিশাল ভর্তুকি কাটিয়ে ওঠার স্থায়ী পথ: বাংলাদেশে প্রতি বছর লাখ লাখ টন রাসায়নিক সার আমদানিতে জাতীয় বাজেটের একটি বড় অংশ ব্যয় করতে হয়।

২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৬ লাখ টন ইউরিয়ার চাহিদার বিপরীতে দেশে উৎপাদিত হয় মাত্র ১০ লাখ টন; বাকি ১৬ লাখ টন আমদানি করতে হয়।আন্তর্জাতিক বাজার দর অনুযায়ী এই সার ক্রয়ে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা খরচ হয় এবং কৃষককে কম দামে সার যোগান দিতে সরকারকে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি গুনতে হয়।৫০০ মিলিলিটারের মাত্র একটি ন্যানো ইউরিয়ার বোতল ৫০ কেজির এক বস্তা দানাদার সারের কাজ করে, যার খরচ কৃষকের জন্য অর্ধেকেরও কম।

বাণিজ্যিকভাবে ন্যানো সার ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হলে আমদানিনির্ভরতা কমার সাথে সাথে সরকারি ভর্তুকির পরিমাণ প্রায় ৮৭% পর্যন্ত কমানো সম্ভব, যা দেশকে দীর্ঘমেয়াদী ভর্তুকি নির্ভরতা থেকে বের করে আনবে।
কৃষকের উৎপাদন ও পরিবহন খরচ হ্রাস
ভারী দানাদার সারের বস্তা পরিবহন, সংরক্ষণ এবং জমিতে ছিটানোর প্রক্রিয়ায় কৃষকের প্রচুর যাতায়াত ও শ্রম ব্যয় হয়। ন্যানো সার তরল হওয়ায় এটি পরিবহন করা অত্যন্ত সহজ ও সাশ্রয়ী। এতে কৃষকের লজিস্টিক, অপারেটিং ও লেবার কস্ট বহুলাংশে কমে আসবে এবং সামগ্রিক উৎপাদন খরচ কমে তাদের নিট মুনাফা নিশ্চিত হবে।

রাসায়নিক সারের বিষাক্ততা থেকে মাটি ও জলাশয় রক্ষা
বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক সারের ব্যবহারের ফলে মাটির উপকারী অণুজীব নষ্ট হচ্ছে এবং উর্বরতা কমছে। এছাড়া ইউরিয়া মিশে জলাশয়ের পানি দূষিত হয়ে মাছের বৃদ্ধি ব্যাহত করছে এবং অক্সিজেন গ্রহণে বাধা দিচ্ছে। বিপরীতে, ন্যানো সারের কার্যকারিতা প্রায় ৯০% হওয়ায় এটি সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় শোষিত হয় এবং মাটি ও পানির দূষণ রোধ করে।

অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দিক থেকে বৈপ্লবিক সমাধান
দেশে বর্তমানে গ্যাস সংকট এবং আর্থিক কারণে সার কারখানা বন্ধ কিংবা আমদানিতে বাধার ফলে যে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়, ন্যানো ফার্টিলাইজার তার সময়োপযোগী সমাধান দিতে পারে। সারের অতিরিক্ত ভর্তুকির চাপ থেকে রাষ্ট্রকে মুক্ত করতে, কার্বন নির্গমন কমানোসহ কৃষকের উৎপাদন খরচ অর্ধেকে নামিয়ে আনতে ন্যানো সার বাজারজাতকরণ এখন সময়ের দাবি।

বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে, ২৪ বছর আগে একজন সাধারণ কৃষক তার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলেছিলেন ইউরিয়া স্প্রে করে প্রয়োগ করলে বেশি উপকার, আজ গবেষকরা তাদের গবেষণার মাধ্যমে কৃষক আজিজের চিন্তার কাছে পৌঁছালেন ন্যানো ইউরিয়া উদ্ভাবনের মাধ্যমে। ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার বিশ্বব্যাপী শিল্পায়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। উন্নত বিশ্বের ধারাবাহিকতায়, আমাদের ড. জাভেদ উদ্ভাবিত ন্যানো সার যদি দেশের কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে তা কৃষি উৎপাদনে অভূতপূর্ব অগ্রগতি এনে দিতে পারে। এর মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের পথ তৈরির সম্ভাবনা আছে।
ন্যানো প্রযুক্তিতে বিভিন্ন পদার্থকে ন্যানোস্কেলে তৈরি করে তাদের গঠন ও বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা যায়, যার ফলে নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক সুবিধা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।

ন্যানো প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে উদ্ভাবন সম্ভব হয়েছে এমন সব পণ্য ও প্রক্রিয়া, যা খুবই কার্যকরী ও পরিবেশসম্মত। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ন্যানো কীটনাশক, বায়ো-সেন্সর, স্মার্ট ডেলিভারি সিস্টেমের পাশাপাশি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো ন্যানো ফার্টিলাইজার। ন্যানো ফার্টিলাইজার একটি অত্যাধুনিক সার, যা প্রচলিত ইউরিয়া বা অন্যান্য সার থেকে আকারে অনেক ক্ষুদ্র, কিন্তু কার্যকারিতায় বহুগুণ বেশি। এটি মাটিতে প্রয়োগের পর ধীরে ধীরে গাছের প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টি সরবরাহ করে। এর ফলে গাছ দ্রুত শোষণ করতে পারে, অপচয় কম হয় এবং ফলন হয় বেশি।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ