আজঃ সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম-৮ আসন আপিল শুনানিতে বৈধ আবদুচ সালামের মনোনয়ন।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামের মনোনয়নপত্র আপিলে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ রবিবার সকালে নির্বাচন কমিশনে আপিলের শুনানিতে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আ.লীগ নেতা আবদুচ ছালাম।
এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর সকালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে আবদুচ ছালামের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

জানা যায়, রোববার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে (ব্যাজমেন্ট-২) এই কার্যক্রম শুরু হয়। আপিল শুনানি কার্যক্রমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য নির্বাচন কমিশনার ও কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমূল পরিবর্তন চট্টগ্রাম বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রমে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও দূরদর্শী পরিকল্পনায় ড্রেজিং কার্যক্রমে এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সকলের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সরাসরি হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের তত্ত্বাবধানে কর্ণফুলী নদীর মোহনা হতে বন্দর সীমানার অন্তর্গত প্রধান জেটি এবং কালুরঘাট পর্যন্ত নেভিগেশনাল চ্যানেলে ও বন্দর সীমার অন্যান্য চ্যানেলে নাব্যতা রক্ষায় এখন এক সাশ্রয়ী ও কার্যকর মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।


বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও চবক এর যৌথ হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ কার্য পরিচালনা করতঃ সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। কর্তৃপক্ষের এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ড্রেজিং খাতের ব্যয় অতীতের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা সংস্থার আর্থিক সাশ্রয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত এই ড্রেজিং কার্যক্রমে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে দক্ষ ঠিকাদার নিয়োগ নিশ্চিত করে ড্রেজিংয়ের কাজগুলোকে ছোট ছোট পরিকল্পিত অংশে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও কাজের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়ায় ঠিকাদাররা অনেক বেশি দায়বদ্ধতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে পারছে। বাস্তবসম্মত ব্যয় নির্ধারণ এবং আধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থার ফলে অতীতে ড্রেজিং খাতে যে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রবণতা ছিল, তা কমানো সম্ভব হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর প্রশাসনিক তদারকি এই সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। চবক-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে নিয়মিত তদারকির ফলে ড্রেজিংয়ের প্রকৃত পরিমাণ ও মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই কৌশলী উদ্যোগের ফলে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ নৌ-চ্যানেলগুলোতে প্রয়োজনীয় নাব্যতা সার্বক্ষণিক বজায় থাকছে, যার ফলে বড় আকৃতির বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখন অনেক বেশি নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে বন্দরে যাতায়াত করতে পারছে।

এর ফলে বন্দরের পণ্য খালাস ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌ-রুটে চট্টগ্রাম বন্দরের বিশ্বস্থতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।ড্রেজিং খাতে সাশ্রয় হওয়া এই বিপুল অর্থ এখন বন্দরের অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে।

যথাযথ তদারকির ফলে ঠিকাদার-নির্ভর ড্রেজিং কার্যক্রমে এই ধরনের আর্থিক শৃঙ্খলা ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শুধুমাত্র বন্দরের অভ্যন্তরীণ ভিত্তিকেই শক্তিশালী করেনি, বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের এই ধারা বজায় রেখে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এই প্রধান প্রবেশদ্বারকে বিশ্বমানের আধুনিক বন্দরে রূপান্তর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আয়বর্ধক প্রকল্পের মাধ্যমে স্বনির্ভর করা হবে চসিককে: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শপিং কমপ্লেক্স, আবাসন প্রকল্পসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে (চসিক) আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শুক্রবার দামপাড়া চসিক রেস্টহাউজে বাংলাদেশ মিউনিসিপল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (বিএমডিএফ)–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে চসিকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় চট্টগ্রাম মহানগরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আয়বর্ধক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য অর্থায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।সভায় আয়বর্ধক প্রকল্পের মাধ্যমে চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামগত উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্লাস্টিক-মানববর্জ্য রিসাইক্লিং এর মাধ্যমে পরিবেশের মান উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। এর অংশ হিসেবে টাইগারপাস থেকে টানেল, অক্সিজেন থেকে মুরাদপুরসহ নগরীর প্রধান কিছু সড়ককে ফুটপাথ ও ড্রেনসহ আইকনিকভাবে গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০০ কোটি টাকার আয়বর্ধক প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। প্রকল্পের অর্থায়নের ১৮ শতাংশ ঋণ, ৭২ শতাংশ গ্রান্ট এবং ১০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়ন থেকে হবে।এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে নগর ভবন, বিবিরহাট কিচেন মার্কেটসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ড্রেন চিহ্নিত করা হয়েছে।

শনিবার বিএমডিএফের প্রতিনিধি দল এসব স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করবে। অতীতেও বিএমডিএফের অর্থায়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যার মধ্যে ফইল্লাতলী কিচেন মার্কেট উল্লেখযোগ্য। ভবিষ্যতেও বিএমডিএফের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, টেকসই ও আর্থিকভাবে স্বনির্ভর নগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। মতবিনিময় সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দ্রুত নগরায়ন, শিল্প সম্প্রসারণ, বন্দরকেন্দ্রিক কার্যক্রম এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নগর অবকাঠামো ও নাগরিক সেবার ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা, পাহাড় ধস, ঘূর্ণিঝড় ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি চট্টগ্রামের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ অপরিহার্য।

মেয়র আরও বলেন, বিদ্যমান নিজস্ব রাজস্ব ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) দিয়ে এই বৃহৎ পরিসরের অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। এ প্রেক্ষিতে বিএমডিএফের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ, সহ-অর্থায়ন এবং ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্সিং মডেলের মাধ্যমে কৌশলগত নগর বিনিয়োগ প্রয়োজন। প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো এমনভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, যাতে এগুলো একদিকে নাগরিক সেবার মান উন্নত করবে, অন্যদিকে রাজস্ব-বর্ধনশীল প্রকল্প হিসেবে চসিকের আয় বাড়াবে এবং ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা নিশ্চিত করবে। সভায় বিএমডিএফ প্রতিনিধি দল মেয়রকে জানায়, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ সরকারের একটি বিশেষায়িত আর্থিক সংস্থা, যা পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনগুলোর নগর উন্নয়ন কার্যক্রমকে সহায়তা করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার মাধ্যমে নগরবাসীর জন্য টেকসই ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই বিএমডিএফের মূল উদ্দেশ্য। প্রতিনিধি দলটি আরও জানায়, বিএমডিএফ সহজ শর্তে ঋণ, অনুদান ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, ড্রেনেজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়কসহ বিভিন্ন নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করে থাকে। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা ও আর্থিক শাসনব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধীরে ধীরে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

বিএমডিএফের তহবিল মূলত বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা থেকে আসে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, আবু সাদাত তৈয়ব, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, মাহমুদ শাফকাত আমিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আলোচিত খবর

বাংলার নবযাত্রা, জাহাজ বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নতুন সংযোজন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)এর বহরে যুক্ত হয়েছে এমভি ‘বাংলার নবযাত্রা’। জাহাজটি পূর্বে এক্সসিএল লায়ন (XCL LION) নামে পরিচিত ছিল।বিএসসি সূত্রে জানা যায় , চীনের তৈরি
জাহাজটির ক্লোজিং প্রোগ্রাম বিক্রেতা পক্ষের আইন প্রতিষ্ঠান স্টিভেনসন হারউড এর কার্যালয়ে শুরু হয়।

বিএসসি জানায়, জাহাজটির ডেলিভারি গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চীনের জিংজিয়াং-এর নানইয়াং শিপইয়ার্ডে সম্পন্ন হয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার মাধ্যমে বর্তমানে জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানায় এসেছে।এ বিষয়ে বিএসসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন-আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন। ‘বাংলার নবযাত্রা’ আমাদের বহরে যুক্ত হওয়ায় বিএসসির সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ