আজঃ সোমবার ৪ মে, ২০২৬

ঠাকুরগাঁও- ৩ এর দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র

সফিকুল ইসলাম শিল্পী, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি প্রায় শেষ করছেন স্থানীয় প্রশাসন। এরই মধ্যে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের পরিবেশ বিবেচনা করে ৪০ টি ভোট কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এবং এসব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে। এ আসনে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, জাতীয় পার্টির হাফিজউদ্দিন আহমেদ(নাঙ্গল) ওয়ার্কার্স পার্টির অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়(হাতুড়ি) বিকল্প ধারা বাংলাদেশ খলিলুর রহমান( কুলা) ও নারী স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি (ঈগল) প্রতীক। সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে জানা গেছে নির্বাচনের মাঠে ওয়ার্কার্স ও জাপার প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এ আসনে মোট ১২৮ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৪০ টি কেন্দ্র অতি গুরুত্বপূর্ণ বা অতি ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। প্রার্থীরা বলছেন, এরই মধ্যে কেন্দ্রসহ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণে সব প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে। বিশৃঙ্খলা করলে কেউ ছাড় পাবে না। জানা গেছে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে রাণীশংকৈল উপজেলায় ১৫ টি এবং পীরগঞ্জ উপজেলায় ২৫ টি কেন্দ্র রয়েছে। এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি বলেন, যারা নির্বাচন বর্জন করেছে তাদের এই শক্তি নেই যে ভোট বন্ধ করতে পারবে। তবে তারা ভোটের আগের দিন পাড়া-মহল্লায় বিশৃঙ্খলা করে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য নেতা কর্মীদের বলে দেওয়া আছে কোনো সংঘাত নয়,কেন্দ্রে ভোটার আনতে হবে।
ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় বলেন,আমি সমগ্র নির্বচনী আসন চুষে বেরিয়েছি আমার কাছে তেমন কোন কেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ মনে হয়নি তবে এরকমন থেকে থাকলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি।
জাপা প্রার্থী হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমার কাছে কোন কেন্দ্রই ঝুঁকি পূর্ণ মনে হয়নি। যদি থেকে থাকে তাহলে নির্বাচন নিরপেক্ষ করতে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করছি।
রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিবুল হাসান জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে সকল প্রকার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নির্বাচনে কোন বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনার ছাড় দেয়া হবে না।
প্রসঙ্গত: এ আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩ শ ৫৪ জন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোণায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার উদ্যোগে দিনটি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার (৩ মে) জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন মূল সড়কে র‌্যালি ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার মোক্তারপাড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার আহবায়ক মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলোচক প্রফেসর ননী গোপাল সরকার।

এ সময় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সিনিয়র সাংবাদিক অরবিন্দ ধর, সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যাপক বিজয় দাস, সাংবাদিক সুস্হির সরকার,সাংবাদিক সারোয়ার, সাংবাদিক মোনায়েম খান, সাংবাদিক মানিক মিয়া, প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম খান সোহেল,মেহেদী হাসান,সম্পাদক ও প্রকাশক ডেইলি নেত্রনিউজ,সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম সাগর,সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম,সাংবাদিক হাবীবুর রহমান,মাহবুব আলম, রফিক প্রমুখ।

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগে যুবককে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে এক যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার ২ মে বিকাল ৩ টার দিকে উপজেলাধীন খানমরিচ ইউনিয়ন এর মহিষবাথান এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪০), পিতা-
মো: আলহাজ্ব আফজাল প্রাং, সাং-মহিষবাথান, ভাঙ্গুড়া, পাবনা কে বালুমহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মিজানুর রহমান। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার এসআই সুব্রত কুমার সহ পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার কার্যক্রম চলছিল, যা কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মিজানুর রহমান জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ