আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

১০ কোটি টাকা ব্যয় করে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা

প্রেস রিলিজ

আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের বার্ষিক ক্রীড়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করলেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম। উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত কলেজ, মাদ্রাসা,উচ্চ বিদ্যালয় ও কেজি স্কুলসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। রাসমনি ঘাটস্থ শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে ১৯ ফেব্রæয়ারী ২০২৪ খ্রি: সকালে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা। অলিম্পিক মশাল প্রজ্জলন, ছাত্র-ছাত্রীদের কুচকাওয়াজ, জাতীয় পতাকা ও অলম্পিক পতাকা উত্তোলন,বিভিন্ন ইভেন্টে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড অনুষ্ঠিত হয়। বেলুন উড়িয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম ও অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচলনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহীন আলম। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহীন আলম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর। শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক আবু ছগির। অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান ও লায়লা নাজনিন রব এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচীতে আরো বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক নেছার আহম্মদ, সাবেক অধ্যক্ষ বাদশা আলম, উপাধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান চৌধুরী, অধ্যক্ষ সেলিম জাহাঙ্গীর, প্রধান শিক্ষক মৌসুমী দাশসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার প্রধানগন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিক চর্চার জন্যই আমরা ১০ কোটি টাকা ব্যয় করে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা করেছি। তিনি বলেন, আমরা আমাদের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একই ছাতার নিচে শিশু শ্রেণি থেকে অনার্স-মাষ্টার্স এবং কারিগরি শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছি। শিক্ষার্থীদের মন-মানসিকতায় উৎকর্ষ সাধন, শরীরচর্চা ও সুশিক্ষা অর্জনের সকল পথ খুলে দিয়েছি। আমরা চাই সুশিক্ষিত নাগরিক এবং দেশগড়ার কারিগর গড়ে উঠুক। তিনি বলেন, শিক্ষা, সহশিক্ষা, নৈতিক শিক্ষার সব ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সাবেক মেয়র বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠিত শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম সকল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। পরে মেয়র বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ