আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামের নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পথ দেখিয়ে চলেছেন ড. মনোয়ারা হাকিম আলী- কামরুন মালেক

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রামের নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পথ দেখিয়ে চলেছেন ড. মনোয়ারা হাকিম আলী। উইম্যান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. এর চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি চট্টগ্রামের সভানেত্রী, চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫/বি-৪ বাংলাদেশ এর প্রাক্তন গভর্নর, মিসেস কামরুন মালেক চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিডব্লিউসিসিআই) এর উদ্যোগে বিশ^ নারী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, মনোয়ারা হাকিম আলী তার চিত্ত, বিত্ত, মেধা-মনন দিয়ে চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিকে এমনভাবে গড়ে তুলেছেন যার মাধ্যমে একজন নারী উদ্যোক্তা হতে চাইলে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা গ্রহণ করতে পারে। নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে তার একনিষ্ঠ কর্মকাণ্ড ও ত্যাগ বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তারা সারাজীবন কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করবে। তিনি মনোয়রা হাকিম আলীর সুস্থতার জন্য সবার নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশরেকা অদিতি হক তার বক্তব্যে বলেন, বিশ^ নারী দিবস হলো নারীদের অস্তিত্বের প্রতীক। দীর্ঘদিনের সংগ্রাম ও ইতিহাস এ দিনের সাথে জুড়ে আছে। এবারের নারী দিবসের যে প্রতিপাদ্য, ওহাবংঃ রহ ডড়সবহ: অপপবষবৎধঃব চৎড়মৎবংং, এর মাধ্যমে নারীদের উন্নয়নে কাজ করার জন্য গুরুত্বারোপ প্রদান করা হয়েছে। নারীদের অগ্রগতির জন্য কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে আহŸান জানান। অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে সিডব্লিউসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট ইন-চার্জ ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তফা বলেন, বিশে^ যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যানকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। ইতিহাসের পাতায় দেখলেই আমরা বুঝতে পারি তাদের নানান অবদান। এই নারী দিবসে আমি সেই সকল মহিয়সী নারীদের স্মরণ করছি যারা নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে কাজ করে গেছেন। তিনি আরও বলেন, নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেয়। তারা এখন স্বাবলম্বী হতে চায় আর আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করতে চায়। এ লক্ষ্যে, আমাদের চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নারীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে যার মাধ্যমে নারীরা আর্থিকভাবে ক্ষমতা অর্জন করতে পারে। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন কমিটির চেয়ারপারসন ও সিডব্লিউসিসিআই এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশাত ইমরান বলেন, নারী দিবস শুধু একদিন নয়। একদিন হলে আমাদের নারীদেরকে অসম্মান করা হয় বলে আমি মনে করি। তাই আমাদের সারা বছরজুড়ে নারী দিবস পালন করতে হবে তাদেরকে সম্মান প্রকাশ করতে। নারীকে ঘর থেকেই সম্মান শুরু করতে হবে। তাহলেই সমাজ, দেশ, জাতির কাছ থেকে সে সম্মান পাবে। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি বেলুন উড়িয়ে বিশ^ নারী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালির উদ্বোধন করেন। দ্বিতীয় পর্বে, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি সহ সম্মানিত অতিথিবৃন্দ সমবেতভাবে কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে ‘বাংলার মহিয়সী নারী’ শিরোনামে চরিত্র চিত্রণ করা হয় যা আগত অতিথিদের সম্মুখে উপস্থাপন করেন সিডব্লিউসিসিআই এর সদস্য নারী উদ্যোক্তারা। যেখানে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর চরিত্রে শাহিন আক্তার, বেগম রোকেয়া এর চরিত্রে সৈয়দা আরজুমান সুলতানা, বেগম মুশতারী শফী এর চরিত্রে আনোয়ারা শাহরিয়ার রিনু, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর চরিত্রে শিরীণ আক্তার শিল্পী, জাহানারা ইমাম এর চরিত্রে জেনিফার আলম, শামসুন নাহার মাহমুদ এর চরিত্রে লায়লা ফাতেমা, বেগম সুফিয়া কামাল এর চরিত্রে রওশন আরা, নভেরা আহমেদ এর চরিত্রে সুবর্ণা দে, রমা চৌধুরী এর চরিত্রে কমলা দাশ, মনোয়ারা হাকিম আলী এর চরিত্রে সাবিনা কাইয়ুম যথাক্রমে নিজেদের উপস্থাপন করেন। এছাড়া, বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষ্যে সিডব্লিউসিআিই বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার ও ডিবেটার্স অব চিটাগাং ইউনিভার্সিটি এর যৌথ উদ্যোগে জাতীয় ও আঞ্চলিকভাবে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আয়োজিত ‘সমতায় নারী, ক্ষমতায় নারী’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে কাপ, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন সিডব্লিউসিসিআই এর পরিচালক রুহি মোস্তফা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নূজহাত নূয়েরী কৃষ্টি, আইভি হাসান ও শেখ সাদিয়া সিদ্দিকা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিডব্লিসিসিআই এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সীমা খাতুন, শামীম মোরশেদ ও লুৎমিলা ফরিদ এবং পরিচালকমণ্ডলীর সদস্য সহ সিডব্লিউসিসিআই এর সদস্যবৃন্দ এবং চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ