আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামের নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পথ দেখিয়ে চলেছেন ড. মনোয়ারা হাকিম আলী- কামরুন মালেক

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রামের নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পথ দেখিয়ে চলেছেন ড. মনোয়ারা হাকিম আলী। উইম্যান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. এর চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি চট্টগ্রামের সভানেত্রী, চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫/বি-৪ বাংলাদেশ এর প্রাক্তন গভর্নর, মিসেস কামরুন মালেক চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিডব্লিউসিসিআই) এর উদ্যোগে বিশ^ নারী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, মনোয়ারা হাকিম আলী তার চিত্ত, বিত্ত, মেধা-মনন দিয়ে চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিকে এমনভাবে গড়ে তুলেছেন যার মাধ্যমে একজন নারী উদ্যোক্তা হতে চাইলে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা গ্রহণ করতে পারে। নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে তার একনিষ্ঠ কর্মকাণ্ড ও ত্যাগ বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তারা সারাজীবন কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করবে। তিনি মনোয়রা হাকিম আলীর সুস্থতার জন্য সবার নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশরেকা অদিতি হক তার বক্তব্যে বলেন, বিশ^ নারী দিবস হলো নারীদের অস্তিত্বের প্রতীক। দীর্ঘদিনের সংগ্রাম ও ইতিহাস এ দিনের সাথে জুড়ে আছে। এবারের নারী দিবসের যে প্রতিপাদ্য, ওহাবংঃ রহ ডড়সবহ: অপপবষবৎধঃব চৎড়মৎবংং, এর মাধ্যমে নারীদের উন্নয়নে কাজ করার জন্য গুরুত্বারোপ প্রদান করা হয়েছে। নারীদের অগ্রগতির জন্য কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে আহŸান জানান। অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে সিডব্লিউসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট ইন-চার্জ ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তফা বলেন, বিশে^ যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যানকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। ইতিহাসের পাতায় দেখলেই আমরা বুঝতে পারি তাদের নানান অবদান। এই নারী দিবসে আমি সেই সকল মহিয়সী নারীদের স্মরণ করছি যারা নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে কাজ করে গেছেন। তিনি আরও বলেন, নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেয়। তারা এখন স্বাবলম্বী হতে চায় আর আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করতে চায়। এ লক্ষ্যে, আমাদের চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নারীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে যার মাধ্যমে নারীরা আর্থিকভাবে ক্ষমতা অর্জন করতে পারে। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন কমিটির চেয়ারপারসন ও সিডব্লিউসিসিআই এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশাত ইমরান বলেন, নারী দিবস শুধু একদিন নয়। একদিন হলে আমাদের নারীদেরকে অসম্মান করা হয় বলে আমি মনে করি। তাই আমাদের সারা বছরজুড়ে নারী দিবস পালন করতে হবে তাদেরকে সম্মান প্রকাশ করতে। নারীকে ঘর থেকেই সম্মান শুরু করতে হবে। তাহলেই সমাজ, দেশ, জাতির কাছ থেকে সে সম্মান পাবে। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি বেলুন উড়িয়ে বিশ^ নারী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালির উদ্বোধন করেন। দ্বিতীয় পর্বে, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি সহ সম্মানিত অতিথিবৃন্দ সমবেতভাবে কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে ‘বাংলার মহিয়সী নারী’ শিরোনামে চরিত্র চিত্রণ করা হয় যা আগত অতিথিদের সম্মুখে উপস্থাপন করেন সিডব্লিউসিসিআই এর সদস্য নারী উদ্যোক্তারা। যেখানে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর চরিত্রে শাহিন আক্তার, বেগম রোকেয়া এর চরিত্রে সৈয়দা আরজুমান সুলতানা, বেগম মুশতারী শফী এর চরিত্রে আনোয়ারা শাহরিয়ার রিনু, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর চরিত্রে শিরীণ আক্তার শিল্পী, জাহানারা ইমাম এর চরিত্রে জেনিফার আলম, শামসুন নাহার মাহমুদ এর চরিত্রে লায়লা ফাতেমা, বেগম সুফিয়া কামাল এর চরিত্রে রওশন আরা, নভেরা আহমেদ এর চরিত্রে সুবর্ণা দে, রমা চৌধুরী এর চরিত্রে কমলা দাশ, মনোয়ারা হাকিম আলী এর চরিত্রে সাবিনা কাইয়ুম যথাক্রমে নিজেদের উপস্থাপন করেন। এছাড়া, বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষ্যে সিডব্লিউসিআিই বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার ও ডিবেটার্স অব চিটাগাং ইউনিভার্সিটি এর যৌথ উদ্যোগে জাতীয় ও আঞ্চলিকভাবে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আয়োজিত ‘সমতায় নারী, ক্ষমতায় নারী’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে কাপ, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন সিডব্লিউসিসিআই এর পরিচালক রুহি মোস্তফা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নূজহাত নূয়েরী কৃষ্টি, আইভি হাসান ও শেখ সাদিয়া সিদ্দিকা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিডব্লিসিসিআই এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সীমা খাতুন, শামীম মোরশেদ ও লুৎমিলা ফরিদ এবং পরিচালকমণ্ডলীর সদস্য সহ সিডব্লিউসিসিআই এর সদস্যবৃন্দ এবং চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

চট্টগ্রাম বন্দরে এলেন নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহ প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বিগত সময়ের নানা অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নী দূর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলা করে বন্দরের নানা যুগোপযুগি সংস্কার করেছেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইম হ্রাস, ডুয়েল টাইম হ্রাস, পোর্ট লিমিট বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, ডিজিটাইজেশন, ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক আইএসপিএস এর জিরো অবজারভেশন প্রভৃতি বিষয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে আরো জানান যে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যি হাবে পরিনত হবে যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে । এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে । চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানীকৃত রেফার কন্টেইনার সংরক্ষনে কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তাছাড়া বন্দরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা থাকার কারনে বন্দরে নির্বিঘ্নে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মর্মে মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরো দক্ষ, অধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে বন্দর কেন্দ্রিক বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকে রপ্তানীকৃত পণ্য খালাস কাজে চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগিত কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধিদলেরে Micheal Pennell, Economic Unit Chief, Paul Frost, Commercial Counselor, Firoze Ahmed, Political Specialist, Asif Ahmed, Economic Specialist চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ ওমর ফারুক ও সচিব মোহাম্মদ আজিজুল মওলাসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ