আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে সর্বজনীন পেনশন স্কিম ঃ সচেতনতা ও স্পট রেজিস্ট্রেশন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাকর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে সর্বজনীন পেনশন স্কিমঃ সচেতনতা ও স্পট রেজিস্ট্রেশন অনুষ্ঠান গত রোববার সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), অঞ্জন শেখর দাশ, মাহফুজুল হক শাহ, আখতার উদ্দিন মাহমুদ, লুব-রেফ’র এমডি মোহাম্মদ ইউসুফ, জিপিএইচ ইস্পাত প্রতিনিধি ওসমান গণি চৌধুরী, জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল প্রাক্তন সভাপতি মোঃ টিপু সুলতান শিকদার, সরোয়ার আমিন বাবু, স্বাধীনতা নারী শক্তির পরিচালক মনিকা ভট্টাচার্য, বিএসআরএম প্রতিনিধি ও চেম্বার সেক্রেটারী ইনচার্জ প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারুকসহ বিভিন্ন সেক্টরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ এ. কে. এম. আক্তার হোসেন, মোঃ রকিবুর রহমান (টুটুল), আলমগীর পারভেজ, মাহবুবুল হক মিয়া, মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন, ওমর মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন-প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই উদ্যোগের অংশহিসেবে বৃদ্ধ বয়সে সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করেন। তিনি বলেন-নেতিবাচক প্রচারণার কারণে শুরুর দিকে এই স্কিমে নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহ কম থাকলেও বর্তমানে এই স্কিমে অংশগ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষ প্রবাসে বেশী হওয়ায় তাদের প্রবাসী স্কিমে অংশগ্রহণের হার অনেক বেশী। আমি মনে করি প্রবাস জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের কাছে গচ্ছিত রাখার চেয়েও প্রবাসী স্কিমে বিনিয়োগ করা অনেক বেশী নিরাপদ ও লাভজনক। তিনি আরো জানান-এই স্কিমের টাকা সরকারের বড় বড় মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হবে সেই বিনিয়োগ থেকে অর্জিত অর্থ পেনশনারদের মুনাফা হিসেবে প্রদান করা হবে। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর আদলে এই স্কিম দেশের মানুষকে আরো আত্মনির্ভরশীল ও আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করবে। তিনি ব্যবসায়ীসহ সকলকে এই স্কিমগুলোর ইতিবাচক দিক সকলের কাছে তুলে ধরার আহবান জানান।
    চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন-একটি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা ও কল্যাণকর রাষ্ট্র বিনির্মাণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২৩ সালে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের উদ্বোধন করেন। শুরুতে তিনটি স্কিমের মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হলেও দেশের বেসরকারি চাকরিজীবী এবং বিভিন্ন ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রগতি স্কিম চালু করা হয়। এর মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের মত বেসরকারি চাকরিজীবীরা এবং সাধারণ মানুষও বৃদ্ধ বয়সে আর্থিক নিশ্চয়তা লাভ করবে। পরিবারে বয়স্ক সদস্যরা এ ধরণের আর্থিক নিশ্চয়তার মধ্যে থাকলে পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিদের উপর চাপও কমবে। জনগণের কষ্টার্জিত টাকা যেন সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ হয় এবং ঝামেলামুক্তভাবে পেনশনার পায় সেজন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি তিনি আহবান জানান। চেম্বার সভাপতি পেনশন গ্রহীতাদের সকল সমস্যা নিরসনে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অফিস, জনবল ও বুথ স্থাপনের আহবান জানান। তিনি এই পেনশন স্কিমে নিজ নাম নিবন্ধনের মাধ্যমে স্পট রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম উদ্বোধন করে ব্যবসায়ীদেরও তাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ করার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে সর্বজনীন পেনশন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহবায়ক লায়ন তাহের আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরিষদের উত্তর জেলার সদস্য সচিব আবু সাঈদ, পরিষদের উত্তর জেলার যুগ্ন আহবায়ক আবুল কাশেম আজাদ (ভিপি শামীম), যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন,নাছির উদ্দিন বিপ্লব। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাবেক ছাত্রনেতা মো. দেলোয়ার হোসেনকে আহবায়ক, অধ্যাপক ছালাহুদ্দীন মোহাম্মদ ছলিম নিজামীকে সদস্যসচিব এবং শহিদুল ইসলাম, আবুল বশর, মো. নিজাম উদ্দিন, মেসকাত উদ্দিন, কামরুল হাসান আজাদ, শামছু উদ্দিন, জিয়া উল হক জিল্লু, ইসমাইল হোসেন খোকন, সিরাজুল ইসলাম লিটন প্রমূখকে সদস্য করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী একমাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ দেন জেলার নেতৃবৃন্দ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ