আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

ডিগ্রি অর্জন করলেই আইনের পড়ালেখা শেষ হয় না- বিচারপতি নাঈমা হায়দার

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিচারপতি নাঈমা হায়দার বলেছেন, ‘আইনের ডিগ্রি অর্জন করলেই আমার পড়ালেখা শেষ হয়ে গেছে, আমার আর পড়ালেখা করতে হবে না, এ ধারণা একেবারেই ভুল। আইন পেশায় নিয়োজিত হওয়ার পরও প্রতিদিনই শিখতে হবে, নতুন কিছু জানতে হবে। কারণ সবকিছু পরিবর্তিত হচ্ছে।
শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল’ স্টুডেন্টস (নিলস) বাংলাদেশ ও চিটাগং ইউনিভার্সিটি চ্যাপ্টারের নতুন পরিচালনা পরিষদের সংবর্ধনা উপলক্ষে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এর আগে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সাবিত কায়েস রাহাত ও এম মনিরুল ইসলামকে ‘নিলস বাংলাদেশ’-চবি চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এবং জেনারেল সেক্রেটারি ঘোষণা করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাঈমা হায়দার বলেন, আমি যখন নারী দিবসের কোনো অনুষ্ঠানে যাই, তখন শ্রোতারা বোধহয় মনে করেন আমি যাতে নারীদের নিয়ে কিছু কথা বলি। আমি একজন বিচারপতি, কিন্তু আমাকে নারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমি কিন্তু সেটা করি না। আমার কাছে নারী বলতে কোনো কিছুই নেই। নারীর অধিকার বলে কিছু আছে। কিন্তু নারী বলতে কোনো বিষয় নেই। আমি মনে করি, আমি একজন মানুষ, নারী নই।
আমি একজন জজ হিসেবেই এখানে আছি। আর এখানে আমি অনেক জজদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই টিকে আছি। সুতরাং এখানে নারী বলতে কোনো কিছু নেই। আমি সব মেয়েদের জন্যই একথা বলছি।
একই অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন, অতীতে আইনের ছাত্ররাই রাজনীতি করতেন। আইনের ছাত্ররাই মানবাধিকার, মানুষের মুক্তির জন্য লড়াইয়ে অগ্রভাগে থাকতেন। কিন্তু এখন ধনকুবেররা রাজনীতি করে। রাজনীতি যদি এ পথে থাকে, মানুষের মুক্তি আসবে না। যেখানে আইন নেই, বিচার নেই, সেখানে মুক্তি আসবে না।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এ বি এম আবু নোমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমেদ ভুঁইয়া, চবি’র উপ-উপাচার্য সেকান্দার চৌধুরী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে মিতসুই অ্যান্ড কোং-এর প্রতিনিধি দলের বৈঠক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাপানের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মিৎসুই অ্যান্ড কোম্পানির বাংলাদেশের কান্ট্রি চেয়ারম্যান কেনিচিরো কাওয়ামোটো’র নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল চবক চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এর সাথে ঢাকায় সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে উক্ত প্রতিনিধিদল বিস্তারিত আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দর সফর করেন। এ সময় তারা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পর্ষদ সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। সাক্ষাতকালে সদস্য (হারবার ও মেরিন) চট্টগ্রাম বন্দরের সাম্প্রতিক উন্নয়ন কার্যক্রম যেমন: ডিজিটালাইজেশন, অটোমেশন, রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং, আইএসপিএস জিরো অবজারভেশন এবং জিরো ওয়েটিং টাইম অর্জনসহ প্রভৃতি উন্নয়ন প্রতিনিধিদলের সামনে তুলে ধরেন ।

বৈঠকে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্পের উন্নয়ন এবং এর বাণিজ্যিক ও পরিচালনাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিৎসুই-এর বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় । প্রতিনিধিদলটি চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ সম্ভাব্যতা ও সুনীল অর্থনীতির উন্নয়নে একসাথে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন মিৎসুই-এর ডেপুটি কান্ট্রি চেয়ারম্যান রেইজি নাকানিশি এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড এনার্জি ডিভিশনের ডেপুটি ম্যানেজার মো. মোহাইমিনুল ইসলাম।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ