আজঃ শুক্রবার ৩ এপ্রিল, ২০২৬

দেবহাটা শিক্ষার্থী আসিফের পরিবারের পাশে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ

দেবহাটা প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৈষম্য কোটা বিরোধী আন্দোলনে নিহত দেবহাটার আসিফ হাসানের কবর জিয়ারত করলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দরা। উপজেলার আস্কারপুরের আসিফ হাসানের বাড়িতে যান নেতৃবৃন্দরা। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিহত আসিফ হাসানের পরিবারের সদস্যদের সাথে স্বাক্ষাত করেন এবং আতœার মাগফিরাত কামনায় কবর জিয়াতর ও দোয়া মোনাজাত করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, সহকারী সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাহাবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ওলিউল রহমান, নায়েবী আমীর মহিউদ্দীন মাহমুদ, মাওলানা সামসুল আরিফ, বায়তুলমাল সম্পাদক মোহাম্মদ সুলাইমান হোসেন, সেক্রেটারী মাওলানা ইমদাদুল হক, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহাবুব আলম, সেক্রেটারী রবিউল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে চলিতি বছরে উম্মুক্ত হচ্ছে চউক’র ৪ লেন সড়কে যান চলাচল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যান চলাচলে গতিশীলতা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তপক্ষ (চউক) এর ৯ কিলোমিটার ৪ লেন সড়কের কাজ দ্রুত গতিতে শেষ হচ্ছে। প্রতিনিয়ত কাজ অব্যহত থাকলে চলতি বছরই এ সড়কে যান চলাচল করতে পারবে বলে জানা গেছে। চউকের ২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষ এই মেগা প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় আউটার রিং রোড প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের যান চলাচলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমনটি মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

চউক সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীর কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির মাত্র ৬শ’ মিটার রাস্তার কাজ বাকি রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সমাপ্ত না হওয়ায় নতুন করে ছয় মাস সময় চাওয়া হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কালুরঘাট থেকে মাত্র ১০ মিনিটে নগরীর কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুসহ সন্নিহিত এলাকায় পৌঁছে যাওয়ার লক্ষ্যে বাস্তবায়নাধীন সড়কটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানা গেছে। নগরীর বিস্তৃত এলাকার জীবনমান এবং আবাসনসহ সার্বিক ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি শহর রক্ষা বাঁধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যেই বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটিতে পর্যটন এবং নগরবাসীর প্রাত্যহিক বিনোদনের জন্যও ব্যাপক আয়োজন রয়েছে। সাত কিলোমিটারের ওয়াকওয়েসহ নদীর পাড়ে মানুষের ‘শ্বাস ফেলার’ জায়গা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, প্রকল্পটির কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে নানা ধরনের সংকটের মাঝে পড়ে। এরমধ্যে কোভিড পরিস্থিতিতে দুই বছর প্রকল্পের কাজ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নানামুখী সংকটের মোকাবেলা করতে হয়। ইতোমধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। দুই দফায় প্রকল্পের মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু মাঠ পর্যায়ের নানা সীমাবদ্ধতায় প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে ৯ কিলোমিটার ৪ লেন সড়কের প্রায় সাড়ে ৮ কিলোমিটারের নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। বর্তমানে কালুরঘাট অংশে আধা কিলোমিটার এবং কর্ণফুলী সেতু এলাকায় ১শ’ মিটারের মতো সড়কের নির্মাণ কাজ চলছে।

প্রকল্প পরিচালক চউক’র প্রকৌশলী রাজীব দাশ বলেন, ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের রাস্তার প্রায় পুরো কাজই শেষ হয়েছে। শুধু কালুরঘাট অংশে আধা কিলোমিটার এবং কর্ণফুলী সেতু প্রান্তে একশ’ মিটার রাস্তার কাজ বাকি রয়েছে। এই অংশের কাজও শেষ পর্যায়ে। অচিরেই আমরা সড়কের এই অংশের কাজও সম্পন্ন করবো। তিনি বলেন, বাঁধ নির্মাণ এবং স্লুইচ গেট নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ। একটি মাত্র ছোট্ট স্লুইচগেটের কাজ বাকি রয়েছে। সেটির কাজও শেষ পর্যায়ে। এটিতে কোন রেগুলেটর বা পাম্প নেই। ছোট্ট স্লুইচগেট, মাস দুয়েকের মধ্যে এই স্লুইচগেট নির্মাণের কাজ শেষ হবে। তিনি আরো বলেন, শহরের দ্বিতীয় আউটার রিং রোড হিসেবে এই সড়কটি আগামী ডিসেম্বরে পুরোদমে যান চলাচল করবে। রাস্তা, বাঁধ এবং ওয়াকওয়েসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অবকাঠামো নগরীর পর্যটন খাতে একটি নয়া মাত্রা যোগ করবে বলে তার আশা।

চউক সূত্রে আারো জানা গেছে, মহানগরীর যান চলাচলে গতিশীলতা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে নগরীর কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু (চাক্তাই খালের মুখ) থেকে কালুরঘাট ব্রিজ পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণ করা হচ্ছে। ২ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত প্রকল্পটি সিডিএর বিশেষ মেগা প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করা হয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পটিতে সড়কের পাশাপাশি রেগুলেটরসহ ১২টি স্লুইচ গেট নির্মাণ করা হয়েছে। এরমধ্যে চাক্তাই এবং রাজাখালী খালের মুখের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুইটি স্লুইচ গেটও রয়েছে।
প্রকল্পটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে বোটপাসসহ ১২টি স্লুইচগেট নির্মাণ করা হচ্ছে। ১২টি স্লুইচ গেটের মধ্যে ইতোমধ্যে ১১টি নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এগুলো পুরোদমে চালু করা হয়েছে। এসব স্লুইচগেটে নেদারল্যান্ডস থেকে আনা গেট স্থাপন করা হয়েছে।

বসানো হয়েছে পাম্প। বৃষ্টির সময় পাম্পের মাধ্যমে পানি নদীতে ফেলা হয়। চালু হওয়া ১১টি স্লুইচগেটের সুফল গত বর্ষায় নগরবাসী পেয়েছে বলে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা বলেছেন, এতে নগরীর বিস্তৃত এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের ক্ষেত্রে বড় ধরণের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নগরীর বহু এলাকা অসহনীয় জলাবদ্ধতা থেকে নিস্তার পেয়েছে। বৃষ্টির সময় জোয়ারে গেটগুলো বন্ধ করে পাম্প করে পানি নদীতে ফেলা হয়। ভাটির সময় গেট খুলে দেয়া হয়। এতে পানিগুলো সহজে নদীতে গিয়ে পড়ে। আগে বৃষ্টির সময় জোয়ার হলে যেভাবে নদীর পানি নগরীতে প্রবেশ করতো উপরোক্ত স্লুইচগেটগুলো চালু হওয়ায় সেই অসহনীয় অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া গেছে বলেও প্রকৌশলীরা উল্লেখ করেন।

মজুদ থাকা জ্বালানিতে চলবে ১৫ দিন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ২৯ জোড়া ট্রেনে প্রতিদিন জ্বালানি প্রয়োজন ৮৩ হাজার লিটার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে জ্বালানির প্রাপ্যতা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ও সংকট তৈরি হয়েছে। এ অনিশ্চয়তা ও সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব পড়তে পারে ট্রেন চলাচলে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে ২৯ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া কমিউটার ও মেইল ট্রেন চলাচল করে আরও ৩০ জোড়া। সর্বমোট ২৯ জোড়া ট্রেন চলাচল করে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের তথ্যমতে, পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা ট্রেনগুলো পরিচালনার জন্য পূর্বাঞ্চলে প্রতি মাসে ২৫ লাখ লিটার হাইস্পিড ডিজেল প্রয়োজন হয়। এ হিসাবে প্রতিদিন জ্বালানি লাগে ৮৩ হাজার লিটার।
রেল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ট্রেন পরিচালনায় কোনো বিঘ্ন ঘটাবে না। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে মজুদ থাকা ডিজেল দিয়ে ১৫ দিনের বেশি ট্রেন চালানো যাবে।

পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুবক্তগীন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রধান গণপরিবহন হিসাবে রেলে সংকট নেই। জ্বালানির মজুদ কিছুটা কমে গেছে। জ্বালানি সরবরাহকারী তিন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। এখনও ১৫-১৬ দিনের ডিজেল মজুদ রয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ট্রেন পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রয়োজনে পূর্বাঞ্চল রেলের নিয়মিত প্রায় এক মাসের জ্বালানি মজুদ থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে পূর্বাঞ্চলের জ্বালানির মজুদ কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। ১৫-১৬ দিনের জন্য প্রায় সাড়ে ১২ লাখ লিটার ডিজেল মজুদ আছে। তবে কিছুটা অনিয়মিত হলেও বিপিসির কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পূর্বাঞ্চল রেলের কর্মকর্তারা।

ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে গত মঙ্গলবার পূর্বাঞ্চলের যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগ থেকে জ্বালানি সরবরাহকারী তিন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয় বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ