আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে লিখিত বার্তা পেয়েছেন।

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী আরব আমিরাত প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


রাষ্ট্রপতি মহামান্য শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে একটি লিখিত বার্তা গ্রহণ করেছেন।

বার্তাটি গ্রহণ করেন উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহামান্য শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠক চলাকালে, উভয় পক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কয়েকটি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের ওপর ইরানের বিনা উস্কানিতে চালানো সন্ত্রাসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিণতি নিয়ে আলোচনা করে।

মহামান্য শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং কবির ইরানের এই বিনা উস্কানিতে চালানো সন্ত্রাসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে ছেন। তাঁরা আন্তর্জাতিক আইনের বিধান অনুযায়ী,এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া দেশগুলোর নিজেদের সার্বভৌ মত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং তাদের নাগরিক, বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
এছাড়াও,কবির সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গৃহীত সকল পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশের প্রতি পূর্ণ সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, মহামান্য শেখ আবদুল্লাহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি তাঁর দেশের সমর্থনমূলক অবস্থানের জন্য কবিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উভয় পক্ষ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্পর্কিত বেশ কিছু অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও আলোচনা করে।

শেখ আবদুল্লাহ বন্ধুত্বপূর্ণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাথে উন্নত ও গঠনমূলক সহযোগিতা জোরদার করতে, উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা করতে এবং তাদের জনগণের জন্য উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে অবদান রাখতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী সাঈদ আল হাজেরি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সৌদি আরব ও কাতার পাকিস্তানকে ৫০০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দেবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব ও কাতার পাকিস্তানকে ৫০০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দেবে। এসহায়তা পেলে পাকিস্তান দুর্বল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের কারণে যে চাপ পড়েছে তা এড়াতে পারবে ইসলামাবাদ।জুনের মধ্যে বৈদেশিক দায়-দেনাও শোধ করতে পারবেন। জানা যায়,চলতি মাসের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দেনা ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করার কথা ইসলামাবাদের। পাকিস্তানের অর্থনীতি ইরান যুদ্ধের কারণে আরও খারাপ পরিস্থিতিতে পড়েছে। মূল্যস্ফীতি ও আমদানি ঋণের চাপ আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

এ পরিস্থিতিতে দেশটিকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে রিয়াদ।শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জাদান।
এ বৈঠকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ও সামরিক বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরসহ ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে পাকিস্তান বিদ্যমান নগদ আমানতের সম্প্রসারণ ও

তেল অর্থায়ন সুবিধার সম্প্রসারণসহ বাড়তি আর্থিক সহায়তার অনুরোধ জানান। পাকিস্তানের তেল অর্থায়ন সুবিধা চলতি মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে ইসলামাবাদের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ঘোষিত হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের প্রতিনিধি দলে রয়েছে, স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং কয়েকজন আইনপ্রণেতা।

দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এর নেতৃত্বে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার।
সংগৃহীত –
[email protected]

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ