আজঃ বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল, ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে লিখিত বার্তা পেয়েছেন।

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী আরব আমিরাত প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


রাষ্ট্রপতি মহামান্য শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে একটি লিখিত বার্তা গ্রহণ করেছেন।

বার্তাটি গ্রহণ করেন উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহামান্য শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠক চলাকালে, উভয় পক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কয়েকটি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের ওপর ইরানের বিনা উস্কানিতে চালানো সন্ত্রাসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিণতি নিয়ে আলোচনা করে।

মহামান্য শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং কবির ইরানের এই বিনা উস্কানিতে চালানো সন্ত্রাসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে ছেন। তাঁরা আন্তর্জাতিক আইনের বিধান অনুযায়ী,এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া দেশগুলোর নিজেদের সার্বভৌ মত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং তাদের নাগরিক, বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
এছাড়াও,কবির সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গৃহীত সকল পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশের প্রতি পূর্ণ সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, মহামান্য শেখ আবদুল্লাহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি তাঁর দেশের সমর্থনমূলক অবস্থানের জন্য কবিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উভয় পক্ষ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্পর্কিত বেশ কিছু অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও আলোচনা করে।

শেখ আবদুল্লাহ বন্ধুত্বপূর্ণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাথে উন্নত ও গঠনমূলক সহযোগিতা জোরদার করতে, উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা করতে এবং তাদের জনগণের জন্য উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে অবদান রাখতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী সাঈদ আল হাজেরি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আইআরজিসির দাবি দুবাইয়ে ইউক্রেনীয় অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম ডিপোতে মিসাইল হামলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুবাইয়ে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম ডিপোতে মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এদাবি করেছে।

২৮ মার্চ শনিবার ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় ওই ডিপো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হলে তা ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে এঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে এখনো এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের অপরাধীদের তালিকায় ১০ বাংলাদেশি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি অপরাধীদের তালিকায় উঠে এসেছে ১০ জন বাংলাদেশির নাম। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান শুরু হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গ্রেপ্তার হওয়া ‘ওর্স্ট অব দ্য ওর্স্ট’ বা ‘খারাপের চেয়ে খারাপ’ বিদেশি অপরাধীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। বিভিন্ন দেশের প্রকাশিত তালিকায় অন্তত ১০ জন বাংলাদেশির নাম ও তাদের অপরাধের বিবরণ উঠে এসেছে।

,খারাপের চেয়ে খারাপ, বাংলাদেশিদের মধ্যে ১)আবু সাঈদপর বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন হেনস্তা, অবৈধ জুয়া পরিচালনা, ২)শাহেদকে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে গোপনে অস্ত্র বহন এবং চুরি,৩)মোহাম্মদ আহমেদ ও মো. হোসেনের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও যৌন অপরাধ,

৪)মাহতাবউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদক বিক্রির অভিযোগ, ৫)টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের মার্লিন শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নেওয়াজ খানকে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
৬)ইশতিয়াক রাফিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভার্জিনিয়ার মানাসাস শহর থেকে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক রাখার অভিযোগ রয়েছে।

৭)ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির অভিযোগে আলমগীর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিশিগানের মাউন্ট ক্লেমেন্স থেকে। একই অভিযোগে কণক পারভেজ নামে আরেক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার হয়েছেন অ্যারিজোনা থেকে।
৮)চুরির অভিযোগে শাহরিয়া আবিরকে ফ্লোরিডা প্যানস্কলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশনায় তারা জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ এমন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করছে। ডিএইচএসের বার্তায় বলা হয়েছে, আইসিইর পরিশ্রমী সদস্যরা প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছেন। আমরা সেই সব অবৈধ ব্যক্তিকে দিয়ে বিতাড়ন প্রক্রিয়া শুরু করেছি যারা গুরুতর অপরাধে জড়িত।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ