আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবছার মিয়া ও তার পরিবার আওয়ামি সন্ত্রসীদের হাতে হামলার শিকার হয় বলে অভিযোগ রয়েছে

চন্দনাইশ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ১০ নং ধোপাছড়ী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবছার মিয়া ও তার পরিবার আওয়ামি সন্ত্রসীদের হাতে হামলার শিকার হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘঠনার বিবরনের যানা যায় গত ৭ সেপ্টম্বর ২৪ দুপুরে আনুমানিক ১/৩০ টার সময় আবছার মিয়ার মা সালমা খাতুন ৫০ ও তার স্ত্রী রাশেদা বেগম বাড়ীর উঠানে কর্ম রাত আবস্থায় আওয়ামি সন্ত্রসীরা অতির্কিত হামলা চালাই। চিৎকারের আওয়াজে আবছার মিয়া দৌড়ে বাহির থেকে প্রবেশ করলে আওয়ামি যুবলীগের সন্ত্রাসী রেজাউল করিম অস্ত্র ঠেখিয়ে অপহরন করার চেষ্টা করলে এলাকাবাশীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার সুত্রপাত ২ কাটা (৪কানি) জমী নিয়ে।
জামীর প্রকৃত মালিক চন্দনাইশ উপজিলা বিএনপির আহবায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধূরী । জমী দখাশুনার দায়িত্বে আবছার মিয়া।
দীর্ঘদিন আওয়ামি সন্ত্রাসীরা জমীগুলি দখল করে রেখেছিল।
এই ব্যাপারে থানায় বাদী হয়ে এজাহার দাখিল করে আবছার মিয়া।
এজাহার ভুক্ত বিবাদীরা হলেন ১/ আবদুল জব্বার ৪৬ পাতা মৃত আবদু রহমান, ২/ আবদুল কাদের ৩৬ পিতা ছিদ্দিক আহমদ, উভয় সাং পশ্চিম ধোপাছড়ী, ৫ নং ওয়ার্ড, ৩/ রেজাউল করিম ৩১ পিতা মৃত আবুল কালাম, ৪/বোরহান উদ্দিন ২৩ পিতা আবদুল গফুর, উভয় সাং পূর্ব ধোপাছড়ী ১নং ওয়ার্ড। ৫/ আবদুল মালেক ৩৩ পিতা মৃত ছিদ্দিক আহমদ, ৬/ আবছার উদ্দিন ৩২ পিতা বয়ারা নুরু। ৭/ নাছিমা আক্তার ৩৫ স্বামী আবুল বছর, ৮/ মমতাজ বেগম ৪২ স্বামী মাহামদি ৯/ মোঃ মিজান ১৯ পিতা আলী আহমদ সর্ব সাং পশ্চিম ধোপাছড়ী ৫ নং ওয়ার্ড। ধোপাছড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তা ঘঠনার স্থানে তদন্ত করেছেন বলে জানান।
উল্লেখ্য আবছার মিয়া ও এলাকা বাসি অভিযোগ করে বলেন আওয়ামি সরকারের সময় ১ নং বিবাদী আওয়ামিলীগের সন্ত্রাসী দিয়ে নিরহ জনগণের জমি দখল, চাঁদাবাজি পরিচালনা করত।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ