আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

দূর্গা পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন : চসিক প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক

চসিকের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক গঠিত কমিটির প্রথম সভায় বক্তব্য রাখছে বিভাগীয় কমিশনার ও চসিক প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে বিভাগীয় কমিশনার ও চসিক প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলামের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে চসিক প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন, দূর্গা পূজা যাতে যথাযথভাবে সম্পন্ন করা যায় সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিসকে ২৪ ঘন্টা পূজা মন্ডপগুলোর নিরাপত্তার বিষয় সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিমা বিসর্জনের এলাকাগুলোতে ডুবুরি এবং যেকোনো অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সেটি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত লোকবল রাখতে হবে। সিটি কর্পোরেশন প্রকৌশল বিভাগকে দ্রুত প্যাঁচওয়ার্কের কাজ শেষ করতে হবে। নগরীর ড্রেনগুলোর ম্যাপিং করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সরকার এই কমিটিকে দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা কমিটির সবাই মিলে কর্পোরেশনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার মাধ্যমে নগরীর উন্নয়নে কাজ করব। পূজার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য আমরা নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। সিভিল সার্জন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যে সমস্ত এলাকায় ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাচ্ছে সেখানে প্রকোপ অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এছাড়া মশা নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে নগরীর সড়কগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সবগুলো সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নগরীর আলোকায়ন নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার লতিফুল হক কাজমী বলেন, নগরীর জলবদ্ধতার অন্যতম কারণ নালার মাঝে অপরিকল্পিতভাবে সংযোগ লাইনের পাইপ। এই পাইপ গুলোর কারণে ভারী বৃষ্টি হলে ময়লা জমে পানি চলাচল করতে পারেনা। ফলে নগরীতে জনবদ্ধতা তৈরি হয়। এ সমস্যা সমাধানে ওয়াসা ও পিডিবিকে এগিয়ে আসতে হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক-বলেন চট্টগ্রামের সার্বিক স্বাস্থ্য মানের উন্নয়নে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা প্রয়োজন বিশেষ করে সংগৃহীত বর্জ্য পৃথকীকরণের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের বর্জ্যকে আলাদাভাবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে। নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার মান উন্নয়ন করা গেলে নগরী জলবদ্ধতা কমবে ডেঙ্গু সহ বিভিন্ন ধরনের রোগের প্রাদুর্ভাব কমবে। নাগরিকদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রথম সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের অবকাঠামো গত সক্ষমতা এবং কুফল বাড়াতে হবে।
ওয়াসার ডিএমডি বিষ্ণ কুমার সরকার জানান, চট্টগ্রাম ওয়াসা নগরীর সুপারিশ ব্যবস্থাপনায় বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এছাড়া নগরীর প্রতিটি এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহে কাজ করছে ওয়াসা।
সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনর সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মনীষা মহাজন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, শাহরিন ফেরদৌস, রক্তিম চৌধুরীসহ কর্মকর্তাবৃন্দ। সভায় সরকারী অন্যান্য সংস্থার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ