আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মানবাধিকার কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান

প্রেস রিলিজ

৭৬তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ’র আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, সাংবাদিক মোঃ শাহ নেওয়াজ, নারী নেত্রী রোকসানা খানম মিথুয়া, লায়ন মোঃ ইলিয়াস সিরাজী, ড. এম.এ. জলিল, আমীর হোসেন খান, সাংবাদিক গোলাম মাওলা মুরাদ, প্রফেসর রাজীব নন্দী, তাহেরা আকতার শারমীন, এস.এম. কামরুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, নুরুল আবসার তৌহিদ, আওরঙ্গজেব খান সম্রাট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে ৭৬তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন-বাংলাদেশ, এর কর্মীসমাবেশ এসএমএম আইএইচআরসি বাংলাদেশ’র পিস অ্যাম্বেসেডর ও ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর লায়ন মুহাম্মদ ইলিয়াস সিরাজী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মী সমাবেশে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম এ জলিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও সিডিএ’র বোর্ড সদস্য সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ শাহ নেওয়াজ। সংগঠনের সমন্বয়কারী সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম ও মানবাধিকার নেতা মোঃ আওরঙ্গজেব খান সম্রাট’র যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাজীব নন্দী। বাংলাদেশের নারী নেত্রী ও মানবাধিকার সংগঠক রোকসানা খানম মিথুয়া, চট্টগ্রাম বিভাগের প্রবীন মানবাধিকার নেতা মুহাম্মদ আমির হোসেন খান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য মুহাম্মদ গোলাম মওলা মুরাদ, পাহাড়তলী কলেজের অধ্যক্ষ শ্যামল মজুমদার, সংগঠনের জোনাল কো-অডিনেটর মেজবাহ উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগের নেত্রী তাহেরা আকতার শারমীন, মানবাধিকার নেতা ও সাংবাদিক এস.এম কামরুল ইসলাম, ব্যাংকার মোবারক আহমদ, মঈনুদ্দীন আহমেদ, চট্টগ্রাম বারের এপিপি এডভোকেট আবু বক্কর তালুকদার, এপিপি এডভোকেট আয়েশা আক্তার শানজি, ইঞ্জিনিয়ার মাজেদুল আলম, মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, ইঞ্জিনিয়ার আবু তৈয়ব, মোঃ জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগরের নুরুল আবসার তৌহিদ, ইঞ্জিনিয়ার রাজিব রায়, ডা. জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার অধ্যাপক খন্দকার আবু হানিফ, চৌধুরী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব, বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, ভোক্তা অধিকার বাংলাদেশের মহাসচিব রায়হান সবুজ, সংগঠনের নেতা ড. সাজ্জাদ হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি বলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় সকল দেশপ্রেমিক মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশের অতীতের সকল বৈষম্য দূর করার জন্য সকলকে সচেতন থাকতে হবে। প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাংবাদিক মোঃ শাহ নেওয়াজ বলেন, বাংলাদেশ একটি ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে মুক্ত হলেও ফ্যাসিস্টের প্রেতাত্ত্বরা এখনও বিভিন্নভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে পুনরায় মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। উদ্বোধকের বক্তব্যে প্রফেসর ড. এম এ জলিল বলেন, বাংলাদেশে বিগত সাড়ে পনের বৎসর মানবাধিকার লংঘন যারা করেছে তাদেরকে বিচারের আওতায় এনে ভবিষ্যতে যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হয় আইন প্রণয়ন জরুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রোকসানা আক্তার মিথু বলেন, ১৫ বছরের বৈষম্য দূর করার জন্য আন্দোলন হয়েছে। আগামীতে যাতে এ ধরনের আন্দোলন করতে না হয় তার জন্য গণতন্ত্র রক্ষায় দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মুহাম্মদ ইলিয়াস সিরাজী বলেন, আমাদের সংগঠন সারা বিশ্বে মানবাধিকার রক্ষায় পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশেও তার ধারাবাহিকতা রক্ষায় এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার জন্য মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাজ্জাদ উদ্দিন, রাজনীতিবিদ মোঃ সাব্বির আহমদ, উত্তর জেলার সংগঠক ইউনুস মিয়া তালুকদার, বাবলু বড়ুয়া, সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতা রবিউল হোসেন সম্রাট, লায়ন রাজিব নাথ, ডা. দিলীপ বিশ্বাস, ডা. রাজু, মোঃ নুর নবী, সংগঠন মুহাম্মদ মহসিন, সাগর ইসলাম, মোঃ ইলিয়াস, নারী নেত্রী সকিনা বেগম, জোহরা বেগম, শারমীন সরকার, মনি আক্তার, নাজমা বেগম, রোকসানা চৌধুরী পপি, মুক্তি শেখ, আব্দুল কাদের রুবেল, মুহাম্মদ দিদারুল আলম, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ জসিম উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম বাছা, মোঃ সোহেল চৌধুরী, মীরজাদা এমদাদ হোসেন সোহেল, মাহবুব হাসান, মোঃ জুয়েল খান, জনি মজুমদার, সাইফুল ইসলাম, নাসরিন আক্তার, আফসানা আক্তার, মোঃ আলমগীর, মিনহাজুল আবেদীন সাজিদ, মোসলেম উদ্দিন ভূইয়া, হাজী নুরুল ইসলাম, মোঃ শাহজাহান, এড. কায়সার তালুকদার, ছাদেক হোসেন, আবু বেলাল, সোহেল খান, মোঃ এনাম হোসেন, মোঃ সোলায়মান, বদিউল আলম চেয়ারম্যান, মিজানুল হক, মাকসুদুর রহমান কমল, ফারজানা আক্তার, সানজিদা ইসলাম শান্তা, নুরুল আমিন আজাদ, মোঃ শাহাদাত হোসেন, আমিনুল ইসলাম পারভেজ, এস.এম. শাহেদুল আলম, মাহবুবুল আলম, মোঃ বখতেয়ার, মোঃ নুরুল আবসার, মোঃ দিদার উদ্দিন চৌধুরী, মোঃ ইসফার উদ্দিন, সাজেদা আক্তার, মোঃ ইসফাক উদ্দিন, রুবি আক্তার, মোঃ তারেক, তাহমিনা চৌধুরী তাহা, শারমীন শিলা, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ মানাবিধকার নেত্রী।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফেব্রুয়ারি ৪৪৮ দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত—যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ ০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার :বিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের গণমাধ্যমে ৪৪৮ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত, ১১৮১ জন আহতের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই সময়ে রেলপথে ৩৪ টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১১ জন আহত, নৌ পথে ০৬ টি দুর্ঘটনায় নিহত ০৪ জন ও আহত ০৫ জন হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৪৮৮ টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ জন নিহত এবং ১১৯৭ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ১৫১ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৭ জন নিহত, ১৩৭ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৭০ শতাংশ, নিহতের ৩৭.৩৬ শতাংশ ও আহতের ১১.৬০ শতাংশ। এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১১৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছে, সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে ২২ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবেদন তুলে ধরে সংগঠনটি। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৫৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৯৩ জন চালক, ৭৬ জন পথচারী, ২০ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৮ জন শিক্ষার্থী, ০৪ জন শিক্ষক, ৬৩ জন নারী, ৫৫ জন শিশু, ০২ জন সাংবাদিক, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ০৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে- ০৩ জন পুলিশ সদস্য, ০৩ জন সেনা সদস্য, ০১ জন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ০২ জন আনসার সদস্য, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৮৫ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭২ জন পথচারী, ৪৩ জন নারী, ৪১ জন শিশু, ৪৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৪ জন শিক্ষক ও ০৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৬৮৭ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৬.৩৪ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩.৭২ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৫.২৮ শতাংশ বাস, ১৪.২৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৪.৮০ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ৮.৮৭ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.৪৭ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪১.৭৪ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ৩৩.২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭.১৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৬.৪৭ শতাংশ বিবিধ কারনে, ০.২২ চাকায় ওড়না পেছিয়ে এবং ১.১১ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪২.৬৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৫.৪৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২৭ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩.৩৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৪৪ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১.১১ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে, ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় অনভিজ্ঞতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, নীতি ও কৌশলগত দুর্বলতা।
২. সারাদেশে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিক্সা ও নসিমন-করিমন সড়ক-মহাসড়কে অবাধে চলাচল।
৩. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা।
৪. সড়কে মিডিয়ান বা রোড ডিভাইডার না থাকা, সড়কে গাছপালায় অন্ধবাঁেকর সৃষ্টি।
৫. মহাসড়কের নির্মাণ ক্রটি, যানবাহনের ক্রটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৬. উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।
৭. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন।
৮. বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় উন্নত বিশ্বের নীতি ও কৌশল অনুসরন করা।
২. দক্ষ চালক তৈরির জন্য চালকদের ইনক্লুসিভ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা।
৩. সিসি ক্যামরা পদ্ধতিতে ট্রাফিক আইনের প্রসিকিউশন পদ্ধতি চালু করা।
৪. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা।
৫. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৬. মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
৭. সড়ক পরিবহন আইন উন্নত বিশ্বের আদলে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রয়োগ করা।
৮. সারাদেশে উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৯. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।
১০. মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন ও দীর্ঘদিন যাবত ফিটনেসহীন যানবাহন স্ক্যাপ করার উদ্যোগ নেওয়া।
১১. মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা আমদানী ও নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণ করা ।
১২. বিআরটিএ ও ট্রাফিক বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
১৩. রাজধানীসহ দেশের সকল নগরীতে করিডোর ভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা।
১৪. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশী-বিদেশী দক্ষ ও অভিজ্ঞ, বিশেষজ্ঞ লোকজনদের সমন্ময়ে একটি বিশেষজ্ঞ টাস্কফোর্স গঠন করা।

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট : বৃহৎ দুই সার কারখানা সিইউএফএল ও কাফকো’’র উৎপাদন বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি নির্দেশনার প্রেক্ষিতে গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দুটি বৃহৎ সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)’র উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। দেশে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে শিল্পখাতে গ্যাস সরবরাহ সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর ফলে সার কারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ কমে যায়।

পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় সরকারি নির্দেশনায় উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, সিইউএফএল স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। অন্যদিকে কাফকোর দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় বর্তমানে এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন স্থগিত রয়েছে।

কারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা জানান, সার উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর। পর্যাপ্ত চাপ ও নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ ছাড়া উৎপাদন চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। কম চাপের গ্যাসে উৎপাদন অব্যাহত রাখলে যন্ত্রপাতির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। তাই নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে কারখানাগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
হঠাৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সার সরবরাহ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই দ্রুত উৎপাদন পুনরায় চালু করে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে দুই কারখানার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত বছরের ১ নভেম্বর দীর্ঘ সাড়ে ছয় মাস বন্ধ থাকার পর বহুল আলোচিত রাষ্ট্রায়ত্ত সিইউএফএল পুনরায় চালু করা হলেও তা ১২ ঘণ্টাও উৎপাদন সচল রাখতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এরপর কয়েক দফায় যান্ত্রিক ত্রুটি, গ্যাস সংকটসহ নানা কারণ দেখিয়ে কারখানাটি চালু ও বন্ধের মধ্যে ছিল। সবশেষ আবারও গ্যাস সংকটে বন্ধ হলো কারখানাটি।অন্যদিকে কাফকোও গত বছরের অক্টোবর মাসে অভ্যন্তরীণ সমস্যাজনিত কারণে প্রায় ১৫ দিন উৎপাদন বন্ধ রেখেছিল। এরপর সবশেষ গতকাল গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যায়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ