আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

মিহির কান্তি শীল শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের সঠিক পথ দেখিয়েছেন: স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের জনপ্রিয় শিক্ষক প্রয়াত মিহির কান্তি শীলের স্মরণে রচিত স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান গত ২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৩ টায় স্টেশন রোডস্থ মোটেল সৈকতের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। তিন পর্বের অনুষ্ঠানে ১ম পর্বে সভাপতিত্ব করেন এসএসসি ১৯৭১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. জাহিদ হোসেন শরীফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন,

১৯৬৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ডেল্টা হেলথ কেয়ার চিটাগাং লিঃ চেয়ারম্যান ডা. কিউ. এম. অহিদুল আলম, ১৯৭২ ব্যাচের ও রয়েল হসপিটালের পরিচালক ডা. প্রীতি বড়ুয়া, ১৯৭৩ ব্যাচের এম. এ. কাদের আলম, ১৯৭৪ ব্যাচের ও বন বিভাগের সাবেক প্রধান বন সংরক্ষক মো. সফিউল আলম চৌধুরী, ১৯৭৫ ব্যাচের স্থপতি সঞ্জীব বড়ুয়া, ১৯৭৭ ব্যাচের ও জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম মো. আব্দুস সাকুর, ১৯৭৯ ব্যাচের ও মা ও শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. বাবুল ওসমান চৌধুরী, ১৯৮০ ব্যাচের ও এপোলো ইম্পেরিয়াল হসপিটালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মাহবুব উল আলম চৌধুরী, ১৯৮২ ব্যাচের ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র নাথ, ১৯৮৫ ব্যাচের ও কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিমুল কান্তি মহাজন, ১৯৮৬ ব্যাচের ও চমেবি’র সার্জারি অনুষদের ডিন প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মাসুদ করিম।

আলোচনায় অংশ নেন, ১৯৮০ ব্যাচের ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মীর আবুল কালাম, ১৯৯৭ ব্যাচের সৈয়দ মমতাজুল ইসলাম, ১৯৯৮ ব্যাচের ও চুয়েটের প্রফেসর ড. রনজিত কুমার নাথ,২০০০ ব্যাচের ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ ফখরুল আবেদিন, ২০০২ ব্যাচের ও চমেক হাসপাতালের কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. এস. এম. সাফায়েত হোসেন এবং ২০০৩ ব্যাচের ও চবি’র সহ-অধ্যাপক মুর্শিদ উল আলম প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, শিক্ষকেরা মানুষ গড়ার কারিগর এবং একজন ছাত্রের প্রথম নায়ক। কিন্তু প্রিয় শিক্ষক হওয়া অত্যন্ত কঠিন। শ্রদ্ধেয় মিহির কান্তি শীলের সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা ও নৈতিকতার মাধ্যমে সকালের প্রিয় শিক্ষক হয়ে ওঠেন। তিনি সদালাপী, বিনয়ী পরোপকারী মানুষ ছিলেন। আদর্শবান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের শুধু স্বপ্নই নয়, স্বপ্ন পূরণের সঠিক পথ দেখিয়েছেন। সরলতা ও ব্যক্তিত্ব মানুষকে কখনো মরতে দেয় না। মিহির কান্তি শীল তারই প্রমাণ।

অধ্যাপক পঙ্কজ দেব অপু ও এড.বদিউল আলম স্বপনের যৌথ সঞ্চালনায় ২য় পর্বে মোড়ক উন্মোচন ও গ্রন্থালোচনায় সভাপতিত্ব করেন ১৯৬৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও প্রয়াত মিহির কান্তি শীল মহোদয়ের সহপাঠী ইন্দু নন্দন দত্ত। মূখ্য আলোচক ছিলেন, শিক্ষা চিন্তক ও নৃ-গবেষক শামসুদ্দীন শিশির। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রয়াত শিক্ষক মিহির কান্তি শীলের কনিষ্ঠ পুত্র ও জ্ঞানালোয় উদ্ভাসিত মিহির কান্তি শীল স্মারকগ্রন্থ – এর সম্পাদক অজয় শীল।

বক্তব্য রাখেন, কবি, ছড়াকার ও শিশু সাহিত্যিক অরুন শীল, ১৯৮১ ব্যাচের প্রফেসর ড. অঞ্জন কুমার চৌধুরী, কাটিরহাট মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কল্যাণ নাথ, আঞ্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের মুখপাত্র মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, ১৯৭৮ ব্যাচের ও চট্টগ্রাম মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক (অব.) বদরুন্নেসা সাজু, ১৯৮৪ ব্যাচের ও প্রবর্তক স্কুল এণ্ড কলেজের অধ্যক্ষ মনোজ কুমার দেব প্রমূখ। ৩য় পর্ব সম্মাননা

স্মারক প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়াত শিক্ষক মিহির কান্তি শীলের সহকর্মী, যাঁদের সাথে তিনি দীর্ঘ ও উল্লেখযোগ্য দিন কাটিয়েছেন, যাঁদের স্মৃতিতে রয়েছে বিশেষ স্মৃতিময় মুহূর্ত, মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রসারে যাদের ভূমিকা অগ্রগণ্য তাঁদেরকে ‘শিক্ষাশিল্পী মিহির কান্তি শীল স্মৃতি পদক’ তুলে দেয়া হয়। বিশেষ সম্মাননা স্মারক গ্রহন করেন সিএনসি গ্রুপের ন্যাশনাল এক্সেসরিস লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ কৃষানু শর্মা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ