আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

নরসিংদীতে তুচ্ছ ঘটনায় ৪ জনকে কুপিয়ে জখম,একজনের গলা কেটে হত্যার চেষ্টা!!!

সাদ্দাম উদ্দিন রাজ নরসিংদী জেলা ঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে নরসিংদীতে প্রকাশ্য দিবালোকে চারজনকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। আহতদের মধ্যে একজনকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে তারা।

পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র হেমন্দ্র সাহা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন শহরের বানিয়াছল এলাকার অটোচালক রমজান মিয়া, তার ছেলে রিফাত, মুহিম এবং সাঠিরপাড়া এলাকার ফয়সাল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,সন্ত্রাসীরা এক ব্যক্তির গলার অর্ধেক অংশ কেটে ফেলে। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুষ্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়। আহতদের নরসিংদী সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একজনের কাটা আঙুল উদ্ধার করেছেন।
আহত রিফাত জানান, তিনি তার বাবা রমজান মিয়াকে নিয়ে অটোরিকশায় যাত্রীসহ বাসস্ট্যান্ডে যাচ্ছিলেন। হেমেন্দ্র সাহার মোড়ে পৌঁছালে তাদের অটোরিকশার সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীর সঙ্গে রমজান মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারি হয়। এরপর মোটরসাইকেল চালক ফোন করে সন্ত্রাসীদের ডেকে আনে।
সন্ত্রাসীরা এসে দা, ছুরি ও চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে অটোচালক রমজান মিয়াকে আহত করে। তাদের বাঁচাতে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা তাদেরও কুপিয়ে জখম করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত চারজন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে ফয়সাল নামের একজনের গলা কেটে ফেলে সন্ত্রাসীরা।
সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. অসিম কুমার সাহা বলেন, শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা-ছেঁড়াসহ গুরতর জখম নিয়ে চারজন হাসপাতালে এসেছে। এর মধ্যে ফয়সালের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার গলায় গভীর ক্ষত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নরসিংদী সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এমদাদ হোসেন জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হামলা হয়েছে। কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা শনাক্তের কাজ চলছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ