আজঃ মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল, ২০২৬

অমর একুশে : সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার সুনিশ্চিত করা জরুরী 🇧🇩 ফজল আহমেদ

লেখক : প্রবন্ধকার ও মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, প্রাতিষ্ঠানিক কমান্ড, চট্টগ্রাম। সাবেক যুগ্ম পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক।

অমর একুশের এই দিনে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


২১ শে ফেব্রুয়ারি যুগে যুগে বাঙালি জাতির জন্য প্রেরণার উৎস। ১৯৪৭ এ দেশ ভাগের পর পাকিস্তান সরকার ঊর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করলে পূর্ব বাংলার জনগণের মনে গভীর ক্ষোভের দানা বাঁধতে শুরু করে এবং মাতৃভাষা বাংলাকে সম-মর্যাদার দাবিতে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।

১৯৫২-এর ২১ ফেব্রুয়ারি। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ছাত্রসমাজ প্রতিবাদ মিছিল করে ১৪৪ ধারা ভাঙলো। এসময় পুলিশ মিছিলের উপর গুলি ছুড়লে সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকেই শহিদ হন। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় বুকের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে রাজপথ। শেখ মুজিবুর রহমান তখন কারারুদ্ধ।

তীব্র ভাষা আন্দোলনের মুখে পড়ে বাংলা ভাষাকে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছিল পাকিস্তানী সরকার এবং ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সকল রাজবন্দীকে মুক্তি দিলে ২৩ তারিখ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এ বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

বঙ্গবন্ধু বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা, সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু, সংসদের দৈনন্দিন কার্যাবলী বাংলায় চালু প্রসঙ্গে আইন সভায় তুলে ধরেছিলেন এবং ১৯৫৩ সালে একুশের প্রথম বার্ষিকী পালনেও বলিষ্ঠ ভূমিকায় ছিলেন। ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৭১ সালে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাীধনতা লাভ করে বাঙালি জাতি। বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীনের পর মহান সংবিধানে বাংলাকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করেন। এটাই পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম বাংলা ভাষায় প্রণীত সংবিধান। ১৯৭৪ সালের জাতিসংঘে ভাষণটিও বঙ্গবন্ধু বাংলায় দিয়েছিলেন।

যেটি বিশ্ব দরবারে বাংলা ভাষাকে ও বাঙালি জাতিকে আত্মমর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সকল অফিসের কাজে বাংলা ভাষা প্রচলনের প্রথম সরকারী নির্দেশ জারি করেন। স্বাধীনতার পর থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারী এই দিনটি জাতীয় শহীদ দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে। ২০০০ সালে ইউনেস্কো বাংলা ভাষা আন্দোলন, মানুষের ভাষা এবং কৃষ্টির অধিকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে, যা এখন বিশ্বের বহু দেশে গভীর শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সাথে প্রতি বছর উদ্যাপিত হয়। মাতৃভাষার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অবদান বাংলা ভাষাবাসীদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বর্তমানে প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্ম বাংলা ভাষার প্রতি চরম উদাসীন। তারা শুদ্ধরূপে বাংলা ভাষার চর্চাকে গুরুত্ব না দিয়ে ইংরেজি-হিন্দি ভাষা মিশিয়ে ফরমালিনের থেকে বেশি বিষাক্ত করে তুলছে আমাদের মাতৃ ভাষা বাংলাকে। যেখানে পুরো বিশ্বে একমাত্র জাতি হিসেবে বাঙালিই ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে ও বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে সেই বাঙালির মাতৃভাষা আজ বিলুপ্তি বা হুমকির মুখে। যত্রতত্র দেয়ালে, ফ্যাস্টুনে, ব্যানারে, আলাপচারিতার মধ্যে বাংলা ভাষাকে ছোট করে ভাষার অপব্যবহার বেড়ে গেছে অস্বাভাবিকভাবে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডে বাংলা নামটি ছোট করে লিখে ইংরেজিতে নামটি বড় করে লিখা হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষার জন্য ইংরেজি আন্তর্জাতিক ভাষা বিধায় সেটিকে আয়ত্ত করতে হবে ভালো কথা কিন্তু সেক্ষেত্রে বাংলাকে করতে হবে মূখ্য ভাষা এবং ইংরেজিকে করতে হবে গৌণ ভাষা এই বিষয়টিকে তরুণ প্রজন্মের খেয়াল রাখতে হবে।

পাশাপাশি শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে পারিবারিকভাবেও সন্তানদের বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ শিক্ষায় পারদর্শি করে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
স্বাধীনতা-পরবর্তীতে বছর ঘুরে ফেব্রুয়ারীর একুশ দিনটি আসলে সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের রুল জারি সহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হলেও দুঃখের বিষয় দিবস চলে গেলে সেই প্রক্রিয়াটি স্তবির হয়ে পড়ে। কিন্তু এত কিছুর পরও সব জায়গায় এখনো বাংলা ভাষা ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়নি।

আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে যেমন তথ্যপ্রযুক্তির ওপর জোর দিতে হবে তেমনি বাংলা ভাষার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশ্বায়নের যুগে শিল্প-সাহিত্য, সংগীত, স্থাপত্য, ঐতিহ্য ও নিদর্শন সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের বাংলা ভাষার দুয়ার খুলতে হবে। স্মরণে রাখতে হবে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ, শরৎচন্দ্র, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন, দীনবন্ধু মিত্র, গিরিশ চন্দ্র সেন, বঙ্কিমচন্দ্র, মীর মোশাররফ হোসেন, কামিনী রায়, রজনীকান্ত সেন, প্রমথ চৌধুরী, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, যতীন্দ্রমোহন বাগচী, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সুকুমার রায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অসংখ্য গুণ্য সাহিত্যিকরা বাংলা ভাষায় লিখনীর মাধ্যমে বিশ্ব সভায় সুখ্যাতি অর্জন করেছেন।

আমাদের ঔপনিবেশিক মনোভাব থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ঔপনিবেশিক অসংস্কৃতি এখনো বাংলাদেশে বিরাজমান। এই অপসংস্কৃতিকে দূর করে শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের মাতৃভাষাকে পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠা করতে সরকারের যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরী। বাংলাদেশে বসবাসরত প্রতিটি নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা থাকলেও এদের মধ্যে বেশির ভাগের ভাষারই নেই নিজস্ব বর্ণমালা। লিখিত রূপ না থাকায় তাদের ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা যেন শুধু আবেগতাড়িত না হয়ে অমর একুশের কথা না বলি। একুশ তখনই সার্থক হবে, যখন প্রতিটি জনগোষ্ঠী তার নিজের মায়ের ভাষায় কথা বলতে পারবে। শিল্প-সাহিত্য সৃষ্টি করতে পারবে।

বাংলা ভাষার জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের এই আত্মত্যাগ তখনই স্বার্থক হবে যখন আমরা আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে পুরোপুরিভাবে সব জায়গায় প্রচলন করতে পারবো। অমর একুশের এই দিনে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
f

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টনের বেশি ডিজেল এলো চট্টগ্রাম বন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টনের বেশি ডিজেল নিয়ে ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামের একটি ট্যাংকার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। রোববার বেলা ১টার দিকে জাহাজটি পতেঙ্গার ৬ নম্বর ডলফিন জেটিতে ভেড়ানোর তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।

তিনি বলেন, ১৮৪ দশমিক ৯৫ মিটার দীর্ঘ চীনের পতাকাবাহী জাহাজটি গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছে। তবে জাহাজটির ড্রাফট ১০ মিটারের বেশি হওয়ায় সরাসরি কর্ণফুলী নদীর বন্দর জেটিতে ভিড়ানো সম্ভব হয়নি।

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ড্রাফট কমাতে চারটি ছোট ট্যাংকারে লাইটারিং করে ৭ হাজার ৭২৭ টন ডিজেল খালাস করা হয়। পরে বন্দরের অভিজ্ঞ পাইলটের তত্ত্বাবধানে শক্তিশালী টাগবোটের সহায়তায় রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১টার দিকে জাহাজটি পতেঙ্গার ৬ নম্বর ডলফিন জেটিতে ভিড়ানো হয়।

জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন্সের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম বলেন, ড্রাফট কমানোর জন্য চার দফায় লাইটারিং সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দুই দিনের মধ্যে জাহাজে থাকা বাকি ডিজেল খালাস সম্পন্ন হবে। ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে আসা আরেকটি জাহাজ রোববার ডলফিন জেটি ত্যাগ করেছে।

নেত্রকোনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে খালে নামলেন এমপি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা পৌর শহরের খালে নেমে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন এমপি ডা. আনোয়ারুল হক ও নেতাকর্মীরা।
ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক। জনসচেতনতা বাড়াতে তিনি নিজেই খালে নেমে ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে নেত্রকোনা পৌর শহরের জেলখানা রোড থেকে আবু আব্বাস কলেজ পর্যন্ত খালজুড়ে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে সরাসরি খালে নেমে ময়লা অপসারণে অংশ নেন এমপি।

অভিযান উদ্বোধনকালে ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। এসব রোগের প্রধান বাহক এডিস মশা, যা জমে থাকা নোংরা পানিতে জন্মায়। তাই প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আশপাশসহ খাল-বিল, ডোবা ও পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগে নয়, জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব। আমরা যদি নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, তাহলে অনেকাংশে ঝুঁকি কমে যাবে।এ সময় তিনি ‘নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ি’ এই স্লোগান সামনে রেখে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান, পৌর প্রশাসক মো. আরিফুল ইসলাম সরদার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন ফারাস সেন্টু, বিএনপি নেতা ফরিদ আহমেদ ফকির, মো. কামরুল হক, যুবদল নেতা সৈয়দ আজহারুল ইসলাম কমল, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সারোয়ার আলম এলিনসহ ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে ছিল, যার ফলে মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। এমপির এই উদ্যোগে খাল পরিষ্কার হলে পরিবেশ যেমন উন্নত হবে, তেমনি ডেঙ্গুর ঝুঁকিও কমবে বলে আশা করছেন তারা।

মাসব্যাপী এ কার্যক্রমের মাধ্যমে পৌর এলাকার বিভিন্ন খাল ও নালা পরিষ্কার করা হবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

আলোচিত খবর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি পাচ্ছে ৩৬,জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট -১৩,স্বতন্ত্র -১।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচন কমিশন (ইসি)জানিয়েছে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি জোট পাচ্ছে ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসন, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৩টি আসন এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা একত্র হয়ে একটি আসন পেয়েছেন।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য
সোমবার (৬ এপ্রিল) কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান।তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ৮ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।
ইসির সূত্র অনুযায়ী, আসন বণ্টনে জোটগত অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিএনপির সঙ্গে থাকা কয়েকটি রাজনৈতিক দল মিলেই বড় অংশ পেয়েছে। অপরদিকে জামায়াতের সঙ্গেও রয়েছে কয়েকটি সহযোগী দল, যাদের সমন্বয়েই তাদের প্রাপ্ত আসন নির্ধারিত হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও জোট গঠন করে একটি আসন নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ