আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

চামুদরিয়া ওয়াই টাইপ সেতু বাস্তবায়ন পরিষদ গঠন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পটিয়া-আনোয়ারা- চন্দনাইশ তিন উপজেলার সংযোগস্থ চামুদরিয়া ঘাটে সেতু নির্মাণের দাবি জোরালো হচ্ছে দিন দিন| ২১ এপ্রিল ২০২৬ চামুদরিয়া ঘাটকুলে ওয়াই টাইপ সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম শহরের মোমিন রোডস্থ কেএফসি-তে সন্ধ্যা ৭টায় আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের আহ্বানে তিন উপজেলার বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন সামাজিক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আনোয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাছির উদ্দিন আহমদ শাহ-এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম. নুরুল হুদা চৌধুরীর উপস্থাপনায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়| সভায় উপস্থিত চট্টগ্রাম-১২, ১৩ ও ১৪ সংসদীয় আসনের ব্যক্তিবর্গের বক্তব্যের মাধ্যমে চামুদরিয়া ওয়াই টাইপ সেতু বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে রাজনীতিবিদ এম. এ হাসেম রাজুকে আহ্বায়ক, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা এম. নুরুল হুদা চৌধুরীকে সদস্য সচিব করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন|

কমিটির অন্যন্যারা হলেন, যথাক্রমে- যুগ্ম আহ্বায়ক এম. মঞ্জুর উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব মো. ইসমাইল হোসেন কন্ট্রাক্টর, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজা মিয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা নাছির উদ্দীন আহমদ শাহ, আর. কে. দাশ রুপু, মীর মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, উত্তম কুমার আচার্য্য, সাংবাদিক সুজিত কুমার দাশ, ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী, সাগর মিত্র, মাওলানা মীর মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন নুরী কুরাইশী, ইসমাইল হোসেন (আশিয়া), সোহেল মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, সদস্য সচিব এম. নুরুল হুদা চৌধুরী, যুগ্ম সদস্য সচিব যথাক্রমে- এ কে এম আবু ইউসুফ, তাহেরা আক্তার শারমীন, কে. এম. হেমায়েতুল ইসলাম হেমায়েত, খোরশেদ আলম (শোভনদন্ডী), সাংবাদিক কাউসার আলম, পরিমল দত্ত, সদস্য যথাক্রমে- বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, মো. একরাম হোসেন, এড. শওকত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের মাহমুদ, সাংবাদিক আব্দুর নুর চৌধুরী, এড. চন্দন বিশ্বাস, হাবিব উল্ল্যাহ, আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন আনসারী, বিদ্রোহী বড়ুয়া, দুলাল কান্তি বড়ুয়া, নুর মোহাম্মদ, নওশা মিয়া, আবুল কাশেম, বোরহান উদ্দিন গিফারী, যীশু দাশ, হারুনুর রশীদ, এড. শফিউল আযীম শাকিল, কাজল বোস, মিজানুর রহমান রুবেল, তানভীরুল হুদা, এড, ইফতেখার হোসেন, এস. এম জোবাইদুল ইসলাম সাদ্দাম, সামশুল ইসলাম, ছালামত উল্লাহ, ফজলুল কাদের, লিটন চৌধুরী, বিমান চৌধুরী, লায়ন অঘোর সিংহ স্বপন, ডা. অসীম দাশ, কাজী মোহাম্মদ আদনান, জি. এম মামুনুর রশিদ, এমদাদুল ইসলাম, আনিসুর রহমান জনি, মোহাম্মদ নাজমুল হক শামীম,

এস এম শিবলী নোমানী, আমিনুল হক, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মো. সালাহ উদ্দীন সাহেদ, বাপ্পী চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, কে. এইচ এম তারেক, ফয়সাল উদ্দীন, সালাউদ্দিন, মো. নুরুল হোসেন চৌধুরী, ওসমান গণি, মো. রুবেল, এটিএম সেলিম, বাসু নন্দী, মাসুদ রানা, ইরাস চৌধুরী, সাজু দাশ, সাংবাদিক আমজাদ হোসেনসহ ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন|

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে জবিতে ছাত্রদলের দেয়াল লিখন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে জবিতে ছাত্রদলের দেয়াল লিখন। চট্টগ্রাম নগরীর সরকারি সিটি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে বেশে কয়েকজন আহত হন।

কক্সবাজার মন্দিরের সেবায়েতের মরদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজার খুরুশকুলে নয়ন দাশ নামে মন্দিরের এক সেবায়েতের মরদেহ পাহাড়ে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের পুলিশ্যাঘোনা এলাকার পাহাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এব্যাপারে কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রায় মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।নয়ন দাশ (৪০) চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী এলাকার গোপাল দাশের ছেলে।

তিনি খুরুশকুল সার্বজনীন শ্রী শ্রী শিব কালী মন্দিরের সেবায়েত হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
নয়ন দাশের স্ত্রী অঞ্জনা শীল বলেন- গত ১৯ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি নয়ন দাশকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে আর ঘরে না ফেরায় তিনি আশপাশের সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরদিন সকালে মন্দির থেকে অন্তত ৫০-৬০ গজ দূরে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের জঙ্গলে স্বামীর পরিহিত চাদর জাতীয় কাপড় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এতে নয়নের স্ত্রী অঞ্জনা শীল ধারণা করেন- তার স্বামীর বিপজ্জনক কিছু ঘটেছে। এই আশঙ্কা থেকে তিনি কক্সবাজার সদর থানায় জিডি করেন।

বুধবার সকালে খুরুশকুলের পুলিশ্যাঘোনা এলাকার পাহাড়ে গাছের সঙ্গে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।পুলিশ পরিদর্শক বলেন, মরদেহের শরীরে পচন ধরায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানের চামড়াও উঠে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজের দিনই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা পুলিশ এখনও নিশ্চিত নয়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কক্সবাজার সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক জনি ধর বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার ৩ দিন পর পাহাড়ে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নয়ন দাশের সঙ্গে স্থানীয়ভাবে কারও শত্রুতা না থাকলেও কারা, কী কারণে এ ঘটিয়েছে; এ ব্যাপারে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ