আজঃ সোমবার ৮ জুন, ২০২৬

সিভাসু’তে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফুড ফেস্টিভ্যাল।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফুড ফেস্টিভ্যাল ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬’।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের উদ্যোগে দিনব্যাপী এসব অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। সকাল ৯টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয় দিনের অনুষ্ঠানমালা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, ফুড সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শিরীন আক্তার, ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো: ফয়সাল, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. একেএম সাইফুদ্দিন, পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলমসহ অনুষদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

শোভাযাত্রা শেষে ফুড ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। ফুড ফেস্টিভ্যালে সর্বমোট ১২টি স্টল ছিল। স্টলগুলোতে স্থান পায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক পিঠা ও হরেক রকম উপাদেয় খাবার। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল-ফ্ল্যাশমব, ইন্টার-ফ্যাকাল্টি শর্ট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব: সাঈদ আল নোমান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউ) প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান এমপি বলেছেন, বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আমাদের শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলেই চলবে না, বরং তাদের দক্ষ ও বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে আয়োজিত ‘সামার ২০২৬’ সেশনের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সাঈদ আল নোমান তাঁর বক্তব্যের শুরুতে রামিসার অকাল ও মর্মান্তিক বিদায়ে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।তিনি বলেন, রামিসার এই চলে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।নবীন শিক্ষার্থীদের সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা এবং বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী করে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।তিনি সামার ২০২৬ সেশনের নতুন শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান এবং একাডেমিক ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে সমানভাবে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম. সেকান্দার খান। অনুষ্ঠানে মূল বক্তা ছিলেন ইকোটেক্স লিমিটেডের এইচআর ডিরেক্টর শাফায়েত কবির চৌধুরী। তিনি বর্তমান করপোরেট জগতের চাহিদা এবং সেই অনুযায়ী নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির নানাদিক শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মেজর রেজাউল করিম (অব.)।

চট্টগ্রামে ব্র্যাকের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ ১০ লাখ কর্মসংস্থান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অঙ্গীকার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতি ৬ জন বাসিন্দার মধ্যে ১ জনের কাছে ব্র্যাকের সেবা পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আর্থিক সেবায় অন্তর্ভুক্তি, দুর্যোগ ও সঙ্কট মোকাবিলা, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন (ওয়াশ), জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, অভিবাসন এবং দক্ষতা উন্নয়নসহ নানাক্ষেত্রে এসব সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ বছরে ব্র্যাক সারা দেশে ১০ লাখ মানুষের কর্ম কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি নারী ও যুবসমাজকে কেন্দ্র করে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দেবে।

চট্টগ্রাম বিভাগে কর্মরত ১৫ হাজার ৯৮৪ জন কর্মী ব্র্যাকের কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করছেন, এদের মধ্যে ৩৭ শতাংশই নারী। এই বিভাগে সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির ৯১৫টি কার্যালয় এবং সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগের ৩৯টি কার্যালয়ের মাধ্যমে এসব কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বিভাগে ব্র্যাকের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ তারিখে নগরীর স্থানীয় একটি হোটেলের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন। ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি, কমিউনিকেশনস ও এনগেজমেন্ট-এর ঊর্ধ্বতন পরিচালক কেএএম মোর্শেদ চট্টগ্রাম বিভাগে ব্র্যাকের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা এবং সমন্বিত উন্নয়ন উদ্যোগের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে তাদের বক্তব্য ও মতামত প্রকাশ করেন।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামকে সাসটেইনেবল সিটি বা টেকসই নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ব্র্যাককে সহায়তার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নগরীর বর্জ্য ব্যস্থাপনা কার্যক্রমে ব্র্যাক সিটি করপোরেশনকে সহায়তা দিতে পারে। এছাড়া কিশোর গ্যাং, মাদক এবং সন্ত্রাসের মতো সামাজিক ব্যাধী থেকে রক্ষায় কিশোর ও তরুণদের জন্য খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কেএএম মোর্শেদ বলেন, ব্র্যাকের কর্মকাণ্ডের ৮০ ভাগের বেশি নিজেদের অর্থায়নে পরিচালিত হয়, দাতাদের সহায়তা ১৮ থেকে ১৯ ভাগ। ব্র্যাক তাই নিজেদের সিদ্ধান্তেই দেশ ও মানুষের প্রয়োজনে উন্নয়নমূলক যে কোনো কাজ হাতে নিতে পারে। এ জন্য কারো অনুমোদন বা পরামর্শের প্রয়োজন হয় না। ব্র্যাকের বিস্তৃতি আজ বিশ্বজুড়ে, তবে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষ। ব্র্যাকের জন্ম বাংলাদেশে, এটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, ব্র্যাকের অন্যতম দর্শন হচ্ছে, মানুষের ভেতরের অমিত সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলা এবং তা এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করা।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান (শিক্ষা ও আইসিটি) বলেন, সরকারের পর যে প্রতিষ্ঠানটি তৃণমূলে সবচেয়ে বেশি সুসংগঠিত, সেটি হচ্ছে ব্র্যাক। ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশের ৭০ ভাগ মৃত্যুর কারণ হচ্ছে অসংক্রামক রোগ। এ থেকে পত্রিাণ পেতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হেলথ এডুকেশন বা স্বাস্থ্য বিষয়ে শিক্ষার প্রয়োজন, যেখানে ব্র্যাক এগিয়ে আসতে পারে।

চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত উপ মহাপরিদর্শক মোঃ নাজিমুল হক বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে দেশে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পচ্ছিন্নতাসহ নানা বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে এনজিওগুলো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। সেই ধারাবাহিতা রক্ষার জন্য তিনি ব্র্যাকসহ দেশের সকল এনজিওর প্রতি আহ্বান জানান।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক, স্বাস্থ্য, ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ্য মুহাম্মদ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার, পাবলিক প্রসিকিউটর মফিজুল হক ভূঁইয়া, নারী উদ্যোক্তা সুলতানা জাহান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি এবং এনসিপি-র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইফরাত ইব্রাহিম প্রমুখ।
ব্র্যাকের সমন্বিত কর্মসূচির সিনিয়র ম্যানেজার আঞ্জুমান আরা বেগম চট্টগ্রামে বিভাগে ২০২৫ সালে ব্র্যাকের কর্মসূচিগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮ হাজার ৫০৭টি অতি-দরিদ্র পরিবার আর্থিক সহায়তা পেয়েছে এবং ১০ হাজার ৩৯৪টি পরিবার অতিদারিদ্র্য থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জলবায়ু-সহনশীলতা বিষয়ে সহায়তা পেয়েছেন ৯ হাজার ৪৬৪ জন এবং ৪৭১জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সহায়তা পেয়েছেন। মাইক্রোফইন্যান্সের আওতায় আর্থিক সেবা পেয়েছেন ২৭ লাখ ৭০ হাজার মানুষ। ১৪ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৫ জন সদস্যের মধ্যে ৮৯.৮ শতাংশ নারী।

এছাড়া ১ হাজার ১৭৬ জন বেকার যুবককে উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
কমিউনিটি-ভিত্তিক স্বাস্থ্য কার্যক্রমে ২ লাখ ৩ হাজার ৮২২ জন সেবা পেয়েছেন। এছাড়া ১৩ হাজার ৬৬৬ জন গর্ভবতী নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসবপূর্ব সেবা পেয়েছেন এবং ৭ হাজার ২১৩টি নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করা হয়েছে। ৩৮ হাজার ৬০৪ জনের চক্ষু পরীক্ষা এবং ১০ হাজার ১১৯টি চশমা বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ সহনশীলতা, নারী ও পুরুষের সমঅধিকার, সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্র্যাকের গত এক বছরের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ