আজঃ রবিবার ২৪ মে, ২০২৬

গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লক্ষ গাছ- মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে নগরীতে ১০ লক্ষ গাছ রোপণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।শুক্রবার দেওয়ানহাট থেকে বারেক বিল্ডিং পর্যন্ত ফ্লাইওভারের নীচে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এ তথ্য জানান মেয়র। প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ফুল, ফল ও ঔষধি গাছ লাগানো হয়েছে। এসময় মেয়র নিজ হাতে গাছ লাগান এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তদারকি করেন।

এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেওয়ানহাট থেকে বারিক বিল্ডিং মধ্যবর্তী সড়কদ্বীপে এখানে ২৬ প্রজাতির গাছের ৬৫০০ চারা লাগানো হচ্ছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য জারুল, সোনালু, রাধাচূড়া, কামিনী, কাঞ্চন, হাসনাহেনা, গন্ধরাজ, শিউলিসহ প্রায় ১০ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় জাতের গাছ। যেমন: অতসী, দাদমর্দন, ভাট, কলকাসুন্দা প্রভৃতি। প্রতিদিন পানি দেওয়া, আগাছা পরিষ্কারসহ এইসব গাছ রক্ষণাবেক্ষণেরও যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক সহযোগিতায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রকৃতিপ্রেমী সংগঠন কৃষ্টি, স্বপ্নবাগিচা বিদ্যানিকেতন, স্বপ্ননগর বিদ্যানিকেতন, প্ল্যান্টেশন ফাউন্ডেশন, সুবাহ সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা এতে অংশগ্রহণ করে।

উদ্বোধনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ক্লিন ও গ্রিন চট্টগ্রাম গড়ার লক্ষ্যে নগরীর পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে ১০ লক্ষ গাছ রোপণের লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডকে সবুজায়নের মাধ্যমে সৌন্দর্যমণ্ডিত করার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকেও কাজে লাগানো হচ্ছে। নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও মিড-আইল্যান্ডের গাছের পরিচর্যা নেওয়া হচ্ছে এবং নতুন গাছ লাগানো হচ্ছে।


তিনি বলেন, চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পাহাড়ি
অঞ্চলগুলোর জন্য পরিচিত। এখানে গাছের গুরুত্ব আরও বেশি। শহরের দ্রুত বৃদ্ধির সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। পাহাড়ি এলাকার গাছপালা শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, তা ভূমি ক্ষয় রোধ, বন্যা ও ভূমিধস প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ। নগরীর আশপাশের বনভূমি ও সবুজ অঞ্চল রক্ষা করা, নদী ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় গাছ রোপণ করা চট্টগ্রামের পরিবেশ ও বাসযোগ্যতা উন্নত করতে সহায়তা করে। গাছ কেবল পরিবেশের শোভা নয়, শহরের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং চট্টগ্রামকে আরও সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য করে তোলে।”

মেয়র আরও বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে হবে। বন উজাড়, পাহাড় কাটা এবং গাছ কাটা থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে শক্তিশালী আইন প্রণয়ন এবং কঠোর বাস্তবায়ন জরুরি। উদাহরণস্বরূপ, কানাডার টরন্টো শহরে অনুমতি ছাড়া গাছ কাটলে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়। আমাদের দেশেও এমন কঠোর আইনের প্রয়োগ প্রয়োজন, যাতে পরিবেশের ক্ষতি কমানো যায় এবং প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শক্তিশালী হয়। সবার প্রতি আহবান গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহীকর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রক্তিম চৌধুরী ,বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়, উপ প্রধান পরিছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মা ,জোন কর্মকর্তা জাহেদ উল্লাহ রাশেদ,আবু তাহের সহ এলাকাবাসী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রমিক কর্মচারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় চসিককে স্বাবলম্বী করার বিকল্প নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নিজস্ব আয়ের মাধ্যমে যদি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে স্বাবলম্বী করতে পারি, তাহলে শ্রমিক কর্মচারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, চাকরি স্থায়ীকরণ, রাস্তা ড্রেন উন্নয়নসহ সব সেবামূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। নগরীর লালদীঘিস্থ চসিক পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজি: নং-চট্ট-২১) আয়োজিত নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার সময় চসিক প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার দেনায় জর্জরিত ছিল। কিন্তু সবার সহযোগিতা ও মহান আল্লাহর রহমতে ইতোমধ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকার দেনা পরিশোধ করতে সক্ষম হয়েছি। এখন আমরা নিয়মিতভাবে ঠিকাদারদের পাওনা পরিশোধের চেষ্টা করছি।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে আইনানুগ হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে চসিক কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পূর্বে যেখানে মাত্র ৪৫ কোটি টাকা কর নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেখানে নতুন মূল্যায়নের মাধ্যমে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ২৬৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেয়র আরও বলেন, বন্দরের ভারী যানবাহন প্রতিনিয়ত চসিকের সড়ক ব্যবহার করছে। এতে বছরে অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার রাস্তা সংস্কার ব্যয় বহন করতে হয়। আমি কোনো ক্ষতিপূরণ চাই না, শুধু চসিকের ন্যায্য কর আদায় নিশ্চিত করতে চাই।

শ্রমিক কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চসিকের ইতিহাসে ১ হাজার ৫৫৭ জনকে স্থায়ী করার উদ্যোগ একটি সাহসী পদক্ষেপ। ধীরে ধীরে সবাইকে স্থায়ী করা হবে। এটি আপনাদের অধিকার।
ডোর টু ডোর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রসঙ্গ তুলে মেয়র বলেন, যারা রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে নগর পরিষ্কার রাখছেন, তাদের জন্য বর্ষাকালে রেইনকোটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শ্রমিকদের কল্যাণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, গত ঈদুল ফিতরেপ্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকার সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। এবার ঈদুল আজহায়ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকার সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া শ্রমিকদের আবাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৮০ কোটি টাকার সহায়তা চাওয়া হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অনুমোদন দিয়েছেন।

চসিকের শিক্ষা কার্যক্রমের প্রসঙ্গ তুলে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অধীনে ৭৮টি স্কুল, ২৮টি কলেজ, একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২০০টির বেশি মাদরাসা রয়েছে। শিক্ষক কর্মচারীদের বেতনসহ শিক্ষা খাতে বছরে প্রায় ৯৬ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়। তবে এটিকে আমরা ব্যয় নয়, আগামী প্রজন্মের জন্য বিনিয়োগ হিসেবে দেখি।তিনি জানান, চসিক পরিচালিত প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সাতটি বিষয়ে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ অর্জন করেছে।

নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দীন ও সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আনু মিয়া বাবুলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ নুরুল্লাহ বাহার, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মজুমদার, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকী।

বক্তব্য রাখেন কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নবনির্বাচিত কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি জাফর আহমেদ, সহ সভাপতি মন্জু মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সবুর খান মাসুম, সহ সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক মীর হারুন, দপ্তর সম্পাদক কাজী আহসান হাবীব, অর্থ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক সোহেল উদ্দিন, শ্রম সম্পাদক রমিজুল হাসান, মহিলা সম্পাদক রোকসানা আক্তার, কার্যকরী সদস্য হাসান ওসমান লিটন, আরিফ হোসেন, মাহাবুবুর রহমান প্রমুখ।

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশু ধর্ষণ, থানায় মামলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেফতার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন। অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি। পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ