আজঃ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

রাঙ্গামাটিতে ফেসবুক লাইভে এসে আত্মহত্যার চেষ্টা পুলিশ সদস্যের

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুক লাইভে এসে নিজের বুকে গুলি করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন রাঙামাটির বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য (কনস্টেবল) মো. মোতাহার হোসেন।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া টিঅ্যান্ডটি পুলিশ ক্যাম্পের ব্যারাকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ওই ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কুতুব উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘মোতাহার হাস্যোজ্জ্বল ছেলে। কী থেকে কী করে বসলো, বুঝতেছি না। এমনটা কল্পনাতেও ছিল না।’

মোতাহার হোসেন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মধ্যম মনাপাড়া এলাকার মৃত শীষ মোহাম্মদের ছেলে। গত কয়েকদিন ধরে স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার বিবাদ চলছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় জাহিদ সরকার নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে যুক্ত হন মোতাহার। লাইভ চলাকালীন নিজের বুকে নিজের অস্ত্র দিয়ে গুলি চালান। এ সময় নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখেন। পরে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সহকর্মীরা জানিয়েছেন, ১৯ মিনিটি ৩৫ সেকেন্ড ফেসবুক লাইভে পারিবারিক বিষয়সহ নানা প্রসঙ্গে কথা বলেন মোতাহার। ফেসবুক লাইভে তিনি বলেছেন, ‘নানা কারণে বিষণ্নতায় (ডিপ্রেশন) ভুগছি। তাই বেঁচে থাকার আশা হারিয়ে ফেলেছি। যে ডিপ্রেশনে আছি, তাতে থাকার কথা ছিল না। বহু সমস্যায় আছি। বেঁচে থাকার মতো অবস্থা আমার নেই, আমাকে ক্ষমা করুন’ বলে বুকে গুলি চালান মোতাহার।

কাউখালী থানার ওসি পারভেজ আলী বলেন, ‘মোতাহারকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাঙামাটির পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ। তিনি বলেন, ‘মোতাহার কেন এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখছি আমরা। তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলছি।’

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর একই ক্যাম্পে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়েতে রাজি না হওয়ায় বাবার সঙ্গে অভিমান করে নিজের বুকে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মাশফিুকর রহমান (২৩) নামে এক পুলিশ সদস্য।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম-ফেনীতে র‌্যাবের যৌথ অভিযান, ৪৮ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোজ্যতেল ও জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন এবং সরকারি জমি ও ফুটপাথ দখলের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ও ফেনীর বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব সদস্যরা। অভিযানে সাড়ে ৪৮ হাজার লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ ও ১২ একর সরকারি জমি উদ্ধার এবং ফুটপাথের ৯টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। এছাড়া নানা অনিয়মের দায়ে মোট ৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। র‌্যাবের চট্টগ্রাম ইউনিটের উদ্যোগে নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, বিপিসি ও বিএসটিআইয়ের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।সোমবার র‌্যাব-৭ এর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে ভোজ্যতেল, অকটেন, ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন এবং সরকারি জমি ও ফুটপাথ দখল করে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে লাইসেন্সের মেয়াদোত্তীর্ণ থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তেল মজুত, অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি এবং স্ট্যাম্পবিহীন ওজন ও পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহারসহ নানা অপরাধের দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া পণ্যের মেয়াদ না থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন ও মজুত এবং ভুয়া সিল ব্যবহারের দায়ে আরও ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, অভিযানে সরকারি জমি ও ফুটপাথ দখলের অপরাধে অতিরিক্ত ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ১২ একর সরকারি জমি উদ্ধার ও ফুটপাথের ৯টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া লাইসেন্স ছাড়া অপরিশোধিত ফার্নেস অয়েল আমদানি, পরিবহন, মজুত ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অপরাধে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৪৮ হাজার ৫০০ লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ