আজঃ বুধবার ১ এপ্রিল, ২০২৬

রাঙ্গামাটিতে ফেসবুক লাইভে এসে আত্মহত্যার চেষ্টা পুলিশ সদস্যের

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুক লাইভে এসে নিজের বুকে গুলি করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন রাঙামাটির বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য (কনস্টেবল) মো. মোতাহার হোসেন।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া টিঅ্যান্ডটি পুলিশ ক্যাম্পের ব্যারাকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ওই ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কুতুব উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘মোতাহার হাস্যোজ্জ্বল ছেলে। কী থেকে কী করে বসলো, বুঝতেছি না। এমনটা কল্পনাতেও ছিল না।’

মোতাহার হোসেন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মধ্যম মনাপাড়া এলাকার মৃত শীষ মোহাম্মদের ছেলে। গত কয়েকদিন ধরে স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার বিবাদ চলছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় জাহিদ সরকার নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে যুক্ত হন মোতাহার। লাইভ চলাকালীন নিজের বুকে নিজের অস্ত্র দিয়ে গুলি চালান। এ সময় নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখেন। পরে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সহকর্মীরা জানিয়েছেন, ১৯ মিনিটি ৩৫ সেকেন্ড ফেসবুক লাইভে পারিবারিক বিষয়সহ নানা প্রসঙ্গে কথা বলেন মোতাহার। ফেসবুক লাইভে তিনি বলেছেন, ‘নানা কারণে বিষণ্নতায় (ডিপ্রেশন) ভুগছি। তাই বেঁচে থাকার আশা হারিয়ে ফেলেছি। যে ডিপ্রেশনে আছি, তাতে থাকার কথা ছিল না। বহু সমস্যায় আছি। বেঁচে থাকার মতো অবস্থা আমার নেই, আমাকে ক্ষমা করুন’ বলে বুকে গুলি চালান মোতাহার।

কাউখালী থানার ওসি পারভেজ আলী বলেন, ‘মোতাহারকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাঙামাটির পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ। তিনি বলেন, ‘মোতাহার কেন এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখছি আমরা। তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলছি।’

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর একই ক্যাম্পে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়েতে রাজি না হওয়ায় বাবার সঙ্গে অভিমান করে নিজের বুকে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মাশফিুকর রহমান (২৩) নামে এক পুলিশ সদস্য।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুষ্টিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গুলি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা।রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিরপুর উপজেলার সদরপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ শফিকুল ইসলাম আজম (৫২) উপজেলার আমলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও একই এলাকার মৃত আবুল মণ্ডলের ছেলে। 

জানা যায়,সন্ধ্যায় সদরপুর বাজারে একটি তামাকের গোডাউনে বসেছিলেন শফিকুল ইসলাম। এ সময় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে আজমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন-খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৩ রাউন্ড গুলির খোসা ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় সেখান থেকে একটি পরিত্যক্ত মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলটি ফেলে গেছেন।

জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলায় সর্বমোট গ্রেফতার-২০।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পৃথক অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম গ্রেফতার করেছে ১৩ জন এবং জেলা পুলিশ ৭ জনকে।

শনিবার র‌্যাবের পক্ষে থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।গ্রেফতার তিনজন হলেন, সাইদুল ইসলাম, মো. পারভেজ ও মো. বেলাল। তাদের নোয়াখালীর কবিরহাট, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ও বায়েজিদ বোস্তামি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় র‌্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা হয়। এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে তাদের চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিএডি আব্দুল মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর র‌্যাব-৭ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। মামলায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও হামলাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
সর্বশেষ গত শুক্রবার নোয়াখালীর কবিরহাট, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এবং বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে, ২৩ মার্চ সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকা থেকে মিজানুর রহমান সোহান (১৯), ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কাট্টালী থেকে সেলিম (৩৫) এবং ১০ ফেব্রুয়ারি চাঁদগাঁও এলাকা থেকে সেকেন্দার মিয়া (৪৩) গ্রেফতার হন।

এছাড়া, জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইউনুছ আলী হাওলাদার (৬২), খন্দকার জাহিদ হোসেন (৩৯), আলীরাজ হাসান (২৮), মিজান (৫৩), মামুন (৩৮), শহাজাহান (৫৩) ও শফিকুল ইসলামসহ (৫১) আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গ্রেফতারদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ