আজঃ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম-১০ নির্বাচনী এলাকা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মো. মনজুর আলম

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময় অনুযায়ী ৩০ নভেম্বর ২৩ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার কাযালয়ে চট্টগ্রাম-১০ নির্বাচনী এলাকা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

তাঁর পক্ষে তাঁরই সুযোগ্য পুত্র আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম।

প্রস্তাবকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাদি, সমর্থনকারী আব্দুল করিম, হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস, আব্দুল হাকিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হারিছ, মাওলানা মতিউর রহমান, মাওলানা সৈয়দ বশির উল্লাহ, দিদারুল আলম, জাহিদুল আলম-কে নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার দপ্তরে মনোনয়ন পত্র দাখিল করা হয়।

এদিকে সকালে দেওয়ানহাটস্থ মোস্তফা হাকিম শিল্প গ্রুপের কর্পোরেট ভবনে মনোনয়ন দাখিল উপলক্ষে খতমে কোরানে পাক, খতমে বোখারী শরীফ, দোয়া, মিলাদ মাহফিল, বিশেষ মোজনাত এবং আলেম ওলামাদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ, কিয়াম ও মোনাজাতের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম মনোনয়ন পত্রে স্বাক্ষর করেন। সাথে সাথে প্রস্তাব ও সমর্থনকারীরাও স্বাক্ষর দেন।

এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সুধি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মোস্তফা হাকিম গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু তাহের।

এ অনুষ্ঠানে আঞ্জুমান এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা অছিয়র রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাদি, আব্দুল করিম, হাজী মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম, হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হারিছ, মাওলানা সৈয়দ ইউনুস রজভী, মাওলানা মোবারক হোসেন রেজভী, মাওলানা মোখতার আহমদ, মাওলানা মো: আলী সিদ্দিকী, মাওলানা মাসুদুল হক, মাওলানা আব্দুল হালিম, মাওলানা মো: ইয়াছিন আল কাদেরী, মোহাম্মদ নুরুল আবছার সহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।

সুধি সমাবেশে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, চট্টগ্রাম-১০ নির্বাচনী এলাকার ৮টি ওয়ার্ডে প্রায় ৫ লাখ ভোটার। এ এলাকার সর্বসাধারণের ওয়াসার পানি, বিদ্যুৎ, শিক্ষাসহ মৌলিক চাহিদার অনেক যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণ, প্রতিটি ওয়ার্ডে সম উন্নয়নে আমি কাজ করতে চাই।

তিনি বলেন, আমি একজন মানব সেবক, সেবাই আমাদের ব্রত। মানুষের দুর্যোগ-দুর্বিপাক বিপদে আপদে অতীতের মতই মানুষের সেবা দেব। তিনি তাঁর মহৎ কাজে সহযোগিতা কামনা করেন।
এ অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা অছিয়র রহমান। সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম মনোয়ননপত্র দাখিলের পূর্বে তিনি হযরত শাহ আমানত শাহ (র.) মাজার, হযরত মনছুর আলী শাহ (র.) মাজার, মাতা-পিতা ও আত্মীয় স্বজনের মাজার ও কবরের জেয়ারত করে তিনি তাঁর মনোনয়ন পত্রে স্বাক্ষর করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উৎসব মুখর পরিবেশে ঈদ হয়ে উঠুক আনন্দঘন ও নিরাপদ : আবু সুফিয়ান এম.পি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সর্বস্তরের জনসাধারণসহ চট্টগ্রামবাসীকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি চট্টগ্রাম-৯ আসনের সর্বস্তরের জনসাধারণ, বিএনপির সর্ব পর্যায়ের নেতাকর্মী, সাংবাদিক, পেশাজীবি এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

শুভেচ্ছা বার্তায় আবু সুফিয়ান বলেন, দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর ভাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক ভালোবাসার বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে সমাগত হয়েছে। সিয়াম সাধনার মাধ্যমে অর্জিত আত্মসংযম, ধৈর্য ও ত্যাগের শিক্ষা-আমাদের ব্যক্তি, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিফলিত হোক। পবিত্র ঈদুল ফিতর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে তিনি বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ুক এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। পবিত্র ঈদুল ফিতরের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠুক সকল নাগরিকের জীবন। ঈদের আনন্দঘন দিনে মানুষে মানুষে প্রীতি ও বন্ধনের যোগসূত্রের মাধ্যমে দূর হয়ে যাক সকল অনৈক্য ও বিভেদ। উৎসব মুখর পরিবেশে সকলের ঈদ হয়ে উঠুক আনন্দঘন ও নিরাপদ। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

প্রসঙ্গত, মাননীয় সংসদ সদস্য ঈদের দিন সকাল ৮টায় জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। পরে চান্দগাঁও আবাসিক এ-ব্লকে অবস্থিত নিজ বাসভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

ঈদের ২য় দিন সন্ধ্যায় বাকলিয়া শাহ আমানত সেতু সংযোগ সড়কে অবস্থিত কে.বি কনভেনশন হলে মাননীয় সংসদ সদস্য’র উদ্যোগে “ঈদ পুনর্মিলনী” অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে তিনি চট্টগ্রাম-৯ নির্বাচনী এলাকা, চট্টগ্রাম মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সাংবাদিক, পেশাজীবিসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ