আজঃ সোমবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে বিশ্বের বিস্ময়-ফজলে করিম এম পি

রাজনৈতিক প্রতিবেদক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া বাংলাদেশ কারো হাতে নিরাপদ নয়। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে বিশ্বের বিস্ময়। সে ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে।

শুক্রবার ১ ডিসেম্বর দুপুরে তার নগরীর বাস ভবনে চট্টগ্রাম প্রেস প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, প্রায় ৩০ বছর ধরে রাউজানের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। এই এলাকার প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ আমার পরিবারের সদস্য। তাদের মুখে হাসি ফুটানোই আমার জীবনের ব্রত। রাউজানকে সার্বিকভাবে আরও মর্যাদাার আসনে অধিষ্টিত করা আমার স্বপ্ন। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে আবারও নৌকার প্রার্থী ঘোষণা করায় আমি কৃতজ্ঞ।তিনি আরও বলেন, অবাধ, সুষ্টু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাউজানে আরেক নতৃন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। সকল প্রতিদ্বন্ধির সাথে ভাতৃত্মপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশে উন্নত দেশের মতো একটি নির্বাচন সম্পন্নের ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা চাই। নির্বাচিনী প্রচারণা চালাতে চাই সবাইকে একই মঞ্চে নিয়ে। এমন পরিবেশ প্রত্যক্ষ করার জন্য রাউজানে আমি দেশী-বিদেশেী পর্যবেক্ষকের উপস্থিতি কামানা করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজা, সিনিয়র সহ-সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, সহ-সভাপতি মনজুর কাদের মনজু, সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক আল রাহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খোরশেদুল আলম শামীম।

প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ এবিএম ফজলে করিম এমপিকে আগামী ১৬ ডিসেম্বর কক্সবাজারে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আনন্দ সম্মিলনে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে এনসিপির এমপি প্রার্থী দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি। তিনি এনসিপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয় যুব শক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব। দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপ ইউনিয়নের রামগাঁতী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ভূমি কর্মকর্তা চৌধুরী বখতিয়ার মামুনের মেয়ে।

দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি ২০১৪ সালে উল্লাপাড়া মোমেনা আলী বিজ্ঞান স্কুল থেকে এসএসসি এবং ২০১৬ সালে উল্লাপাড়া বিজ্ঞান কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উর্দু সাহিত্য বিভাগে ভর্তি হয়ে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তিনি ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।


জুলাই-আগস্টে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। মনোনয়নপ্রাপ্ত এনসিপির নেত্রী দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি তার দল থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান জামায়াতে যোগ দিলেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান। শনিবার ১৩ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

জামায়াত আমিরের উপস্থিতিতে মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শ, দেশপ্রেম এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অবিচল অবস্থানের প্রতি গভীর আস্থা ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি সংগঠনের প্রাথমিক সহযোগী সদস্য ফরম পূরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ