এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
আজ ঢাকায় বেশ কয়েক রাজনৈতিক সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এসব সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন থেকে বাংলাদেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় সে জন্য এক দফার ঘোষণা করা হবে। বিএনপি ছাড়াও এদিন অনন্ত ৩৭ টি দল এক দফার ঘোষণা দেবে বলে জানা গেছে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার পতনের এক দফার কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বিএনপি ও তাদের যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলো।
বুধবার (১২ জুলাই) দুপুর দুইটায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করে কর্মসূচি ঘোষণা দেবে। আর অন্য দলগুলোর এক দফার কর্মসূচি কেউ নিজ নিজ কার্যালয়ে, একাধিক দল জাতীয় প্রেসক্লাবে, কেউ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একদফার কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

আলাদা আলাদা জায়গা থেকে যুগপৎ ধারায় বৃহত্তর গণ-আন্দোলনের এক দফা যৌথ ঘোষণার জন্য নির্ধারিত জায়গা হলো- নয়াপল্টনের কার্যালয়ের সামনে, দুপুর দুইটা। প্রধান অতিথি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গণতন্ত্র মঞ্চ ঘোষণা করবে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে বিকেল ৪টায়, ১২ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বেলা ৩টায়, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট বিজয়নগর পানির ট্যাংক সংলগ্ন আলরাজি কমপ্লেক্স সামনে বেলা ৩টায়, এলডিপি দলীয় কার্যালয়ে (এফডিসি সংলগ্ন) বিকেল ৫টায়, গণফোরাম মতিঝিলের কার্যালয়ের সামনে (নটরডেম কলেজের বিপরীতে) বিকেল ৪টা, গণঅধিকার পরিষদ (নুর) প্রেসক্লাবের পরিবর্তে পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডের প্রিতম জামান টাওয়ারে বেলা ৩টায় একদফার ঘোষণা দেবে।
এছাড়া গণঅধিকার পরিষদ (রেজা অংশ) জাতীয় প্রেসক্লাবে বেলা ৩টায়, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য জাতীয় প্রেসক্লাব বেলা ৩ টায়, বাংলাদেশ লেবার পার্টি নয়াপল্টনের মসজিদ গলিতে নিজেদের কার্যালয়ে বেলা ৩টায়, সমমনা গণতান্ত্রিক পেশাজীবী জোট জাতীয় প্রেসক্লাব সামনে বেলা ৩টায় ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ জাতীয় প্রেসক্লাবে বেলা ৩টায় একদফার ঘোষণা দেবে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান একথা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।









