আজঃ শুক্রবার ১০ জুলাই, ২০২৬

কক্সবাজারের ৪ টি আসনে শেষ মুহূর্তের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ২৪।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল মতে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর রবিবার কক্সবাজার ১ চকরিয়া-পেকুয়া এবং কক্সবাজার ২ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের ৩ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে আবেদন দিয়েছেন।
কক্সবাজারের অপর ২ টি আসনের কোন প্রার্থী এ পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। তবে শেষ মূহুর্তে এসে মনোনয়ন পত্র বাতিল হওয়া ২ জন স্বতন্ত্রী প্রার্থীকে আপীলের আদেশে বৈধতা দেয়া হয়েছে।

ফলে শেষ মূহুর্তে কক্সবাজারের ৪ টি আসনে মোট ২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন। তাদের সোমবার প্রতিক বরাদ্দ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন, কক্সবাজার জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহিন ইমরান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের তথ্য বলছে, রবিবার কক্সবাজার ১ আসনের বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবদুল আউয়াল মামুন, জাতীয় পার্টির এ. এইচ. সালাউদ্দীন মাহমুদ এবং কক্সবাজার ২ আসনের জাকের পার্টির মোহাম্মদ ইলিয়াছ মনোনয়ন পত্র করেছেন। একই সঙ্গে আপীলের আদেশের প্রেক্ষিতে মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছেন কক্সবাজার ১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কমর উদ্দীন এবং কক্সবাজার ৩ আসনের ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রার্থী শামীম আহসানের।

যার প্রেক্ষিতে বর্তমানে কক্সবাজারের ৪ টি আসনে ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করছেন। এর মধ্যে কক্সবাজার ১ এ ৭ জন, কক্সবাজার ২ এ ৬ জন, কক্সবাজার ৩ এ ৫ জন এবং কক্সবাজার ৪ এ ৬ জন প্রার্থী রয়েছেন।

কক্সবাজার ১ আসনের বর্তমানে প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, ওয়ার্কার্স পার্টির আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম, জাতীয় পার্টির হোসনে আরা, বর্তমান সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাফর আলম, এমপি জাফরের পুত্র তানভীর আহমদ সিদ্দিকী তুহিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কমর উদ্দীন ।

কক্সবাজার ২ আসনের বর্তমান প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি এনপিপির মাহাবুবুল আলম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মোঃ ইউনুস, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি -বিএসপির মোহাম্মদ খাইরুল আমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন বিএনএম এর প্রার্থী মোহাম্মদ শরীফ বাদশার।

কক্সবাজার ৩ সদর, ঈদগাও ও রামু আসনের প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ তারেক, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবদুল আউয়াল মামুন, বাংলাদেশ ন্যাশানালিস্ট ফ্রন্টের প্রার্থী মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রার্থী শামীম আহসান।

কক্সবাজার ৪ উখিয়া-টেকনাফ আসনের প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য শাহীন আক্তার, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি এনপিপির ফরিদ আলম, জাতীয় পার্টির নুরুল আমিন সিকদার ভুট্টো, তৃনমূল বিএনপির মুজিবুল হক মুজিব, ইসলামী ঐক্যজোটের মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী, বাংলাদেশ কংগেসের মো. ইসমাইলের মনোনয়ন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আগৈলঝাড়া থানায় হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৮ জন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগৈলঝাড়ায় গ্রেপ্তারকৃত আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে থানায় হামলা, ভাঙচুর করেছে একদল উশৃংখল জনতা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। থানায় হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আগৈলঝাড়া থানার ওসি মোহাম্মাদ মাসুদ খান।

তিনি বলেন, থানায় হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, থানায় ঢুকে এভাবে হামলা- ভাংচুর করে, আমরা কার কাছে যাব। এই পোশাক রাখব না। পাবলিক দেখেছে, সাংবাদিক দেখেছে। একটা যদি মিথ্যা প্রমাণিত হয়, একটা যদি ভুল তথ্য পায়, এই পোশাক খুলে ফেলব।

অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে একসঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস.এম. মনিরুজ্জামানের সাথে বুধবার এক সৌজন্য সাক্ষাতকারে মিলিত হন। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য লজিস্টিকস সহজীকরণ এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।আলোচনাকালে উভয় পক্ষই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে একসঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সাথে কাজ করার গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে উল্লেখ করেন যে, এই দেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং একদিন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

বৈঠকের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল বৈশ্বিক পুঁজি আকর্ষণের জন্য বাণিজ্য অবকাঠামোর আধুনিকীকরণ। চবক চেয়ারম্যান জোর দিয়ে বলেন, বন্দর এবং কাস্টমস এর অটোমেশন ও ডিজিটালাইজেশন অত্যন্ত জরুরী। উভয় পক্ষই একমত হন যে, এই দুটি সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টা ব্যবসা করার খরচ ও জটিলতা (ঊধংব ড়ভ ফড়রহম নঁংরহবংং) উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে, যা দেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (ঋউও) বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশকে একটি প্রধান আঞ্চলিক লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে চেয়ারম্যান বেশ কিছু দূরদর্শী উদ্যোগের কথা রাষ্ট্রদূতের কাছে তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে: বিশ্বমানের উৎপাদকদের উৎসাহিত করতে বিশেষায়িত ফ্রি ট্রেড জোনের পাশাপাশি রেল, সড়ক ও নৌপথে পণ্য পরিবহন আরও সহজ করা, ফল রপ্তানির উচ্চ সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের সুযোগ কাজে লাগানো, একটি প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে শুল্ক এবং কর কাঠামোর আধুনিকীকরণ ও সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা। বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প সক্ষমতার স্বীকৃতি দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান যে, তাঁর দেশ বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ খাত এবং ভারী শিল্পে ব্যাপক বিনিয়োগ করতে গভীরভাবে আগ্রহী।

এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশে উন্নত প্রযুক্তিগত দক্ষতা নিয়ে আসবে এবং বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপরন্তু প্রাকৃতিক ভৌগলিক অবস্থানগত কারনে মিরসরাই, সন্দ্বীপ হতে কক্সবাজার পর্যন্ত সমুদ্র অঞ্চলে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান এবং জাপানের কোবে ও ওসাকা এর আদলে মেরিটাইম ইকোনোমিক করিডোর হিসেবে উন্নয়নের অপার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষভাবে আলোচনা হয়। দক্ষিন কোরিয়ার প্রতিনিধি দল ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এই কৌশলগত লক্ষ্যগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।বন্দরের কার্যক্রম এলাকাগুলো সরজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে রাষ্ট্রদূতের সফর সমাপ্ত হয়। প্রতিনিধি দলটি চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক অগ্রগতি, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ