জাপান:

জাপানে ৯০ মিনিটে ২১টি ভূমিকম্প।

বহিবিশ্ব নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাপানের মধ্যাঞ্চলে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের পর একটি বড় সুনামির সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ…

কানাজাওয়া শহরে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, মাত্র নব্বই মিনিটের মধ্যে জাপানে পরপর ২১টি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এসব কম্পন ৪ দশমিক শূন্য মাত্রা বা এর চেয়ে শক্তিশালী ছিল। সোমবার জাপানের মধ্যাঞ্চলে এসব ভূমিকম্পের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এখবর জানিয়েছে।

ভূমিকম্পের পর জাপান সুনামির সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের উপকূলীয় নোটো এলাকার বাসিন্দাদের ‘তাৎক্ষণিকভাবে উঁচু ভূমিতে সরে যেতে’ বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ধন্যবাদ – অভিজিত দিপকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতে সরকারি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আন্দোলনের চাপে দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ করেছেন। এরপরেই দেশটির প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চলমান এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে।

শনিবার ২৫ জুলাই দিল্লির যন্তর মন্তরের মঞ্চে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে দিপকে বলেন, আমাদের ‘তেলাপোকা’ বলার জন্য ধন্যবাদ। আমি ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি যদি আমাদের তেলাপোকা না বলতেন, তাহলে আমি ভারতে ফিরতাম না। এই আন্দোলনেরও সূচনা হতো না।

তেলাপোকারা পাকরাও করে ক্ষমতা থেকে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীকে নামিয়ে দিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতে আন্দোলনের ক্রমবর্ধমান চাপ, বিরোধীদের সমালোচনা এবং জনমতের তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছে সেদেশের গণমাধ্যম এনডিটিভি।

ভারতের বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ছাত্র আন্দোলন। তার এই পদত্যাগকে শিক্ষাব্যবস্থার সংকট ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

আজ শনিবার ২৫ জুলাই আন্দোলনকারী সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের তৃতীয় দফার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়।

টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রধান ও অন্যতম শর্তই ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বরখাস্ত ও পদত্যাগ।
শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগকে অনেকেই স্বাগত জানিয়ে বলেন এটা তেলাপোকাদের আন্দোলনে গণতন্ত্রের অর্জন। আন্দোলনের অন্যতম মুখ ওয়াং চুক শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টিকে গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবে দেখছেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ