আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

নির্বাচনী খবর:

শমসের মবিনের নির্বাচনি জনসভায় আওয়ামী লীগ নেতারা।

সিলেট প্রতিনিধি:

শমসের মবিন চৌধুরী তৃনমুল বিএনপি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা। রাজনীতির নানা হিসেব-নিকেশের পর পাল্টে গেছে সিলেট-৬ আসনের নির্বাচনের দৃশ্যপট। তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী শমসের মবিন চৌধুরীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

গোলাপগঞ্জ আওয়ামী লীগের একাংশের নেতারা শমসের মবিনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাকে নিয়ে নির্বাচনি সভাও করেছেন তারা। অপরদিকে নৌকার প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী বর্তমান সাংসদ নুরুল ইসলাম নাহিদের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন সিলেট জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে গোলাপগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরীর নির্বাচনি জনসভায় দেখা গেছে আওয়ামী লীগ নেতাদের। নৌকা ছেড়ে আওয়ামী লীগ নেতারা অংশ নিচ্ছেন শমসের মবিনের প্রচারণায়।

জানা যায়, এবার সিলেটের ছয়টি আসনের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার নিয়ে গঠিত সিলেট-৬ আসন। আসনটিতে ৪ জন হেভিওয়েট প্রার্থীসহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন। এ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন কানাডা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী সরওয়ার হোসেন, সোনালি আঁশ প্রতীক নিয়ে তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য পার্টির চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা সেলিম উদ্দিন লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী আতাউর রহমান আতা ছড়ি প্রতীক নিয়ে এবং ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী সাদিকুর রহমান মিনার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে এ উপজেলার আওয়ামী লীগ সমর্থিত কয়েকজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

বুধবার শমসের মবিনের জনসভায় সভাপতিত্ব করেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুবিন আহমদ জায়গিরদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হকের পরিচালনায় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী ও দলটির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মঞ্জুর কাদির শাফি চৌধুরী এলিম। এ ছাড়াও জনসভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জিল্লুর রহমান, রুকন উদ্দিন, আবুল ফজল চৌধুরী শাহেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খুরশেদ আলম চৌধুরী রিপন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রুহেল আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রুহিন আহমদ খান।

এ ব্যাপারে তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান ও সোনালি আঁশের প্রার্থী শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, ‘সিলেট-৬ আসন উন্নয়নবঞ্চিত। এই আসনের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আমার পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন, এজন্য আমি অভিভূত, উচ্ছ্বসিত। আশা করি, নির্বাচনে আমরা জয়লাভ করবোই।’

জানা যায়, বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ নিয়ে গঠিত সিলেট-৬ আসন। বিয়ানীবাজার পৌরসভায় রয়েছে ১০টি ও গোলাপগঞ্জ পৌরসভায় রয়েছে ১১টি ওয়ার্ড। এখানে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৯২টি। এর মধ্যে, বিয়ানীবাজারে রয়েছে ৮৯টি ও গোলাপগঞ্জে ১০৩টি স্থায়ী ভোটকেন্দ্র। একইসঙ্গে এই দুটি পৌরসভায় রয়েছে এক হাজার ৮৯টি ভোটকেন্দ্র। এর মধ্যে, বিয়ানীবাজারে রয়েছে ৪৮০টি স্থায়ী ও ৯টি অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র। গোলাপগঞ্জে রয়েছে ৬০০টি স্থায়ী ও ৩৫টি অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র। এ আসনে ভোটার রয়েছেন চার লাখ ৭২ হাজার ৭৪৯ জন। এর মধ্যে, বিয়ানীবাজার পুরুষ ভোটার এক লাখ ২৫ হাজার ৮৩ ও নারী ভোটার এক লাখ ৩৪ হাজার ৫৫ জন। সব মিলিয়ে বিয়ানীবাজারে নারী-পুরুষ ভোটার রয়েছেন দুই লাখ ৬০ হাজার ৩৮ জন। এ ছাড়া গোলাপগঞ্জে পুরুষ ভোটার রয়েছেন এক লাখ ৩৪ হাজার ৯২৬ ও নারী ভোটার রয়েছেন এক লাখ ৩১ হাজার ৭৮৪ জন। এখানে নারী-পুরুষ মিলিয়ে ভোটার রয়েছেন দুই লাখ ৬৬ হাজার ৭১১ জন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহরের বহরদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহেদুল ইসলাম, সহ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টিপু, চান্দগাও থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আলী আসমান, মোহাম্মদ ছাবের, ইমতিয়াজ নিশান, সহাব উদ্দিন শিহাব, মোহাম্মদ মোরশেদ, অহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, মো: খোরশেদ আলম, মো: মিনহাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক, মোহাম্মদ আরিফ, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ নুর নবী, আবদুল আজিজ, সহ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল,থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোশাররফ হোসাইন নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা বা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর মতো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলও প্রায়ই আনন্দ মিছিল ও স্বাগত কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানাতে এবং দলীয় প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ