আজঃ বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রায়পুরাতে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা।। বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

সাদ্দাম উদ্দীন রাজ জেলা প্রনিতিধি নরসিংদী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রায়পুরাতে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

সাদ্দাম উদ্দীন রাজ জেলা প্রনিতিধি নরসিংদী

নরসিংদীর রায়পুরায় এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী(৪১) নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে সোলায়মান মিয়া(৫৬) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ওই নারীকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বুধবার দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় রায়পুরা থানায় অভিযোগ করেন। ওই দিন বিকেলে উপজেলায় হাইরমারা বীরকান্দি এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
উপজেলার হাইরমারা ইউনিয়ের বীরকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত সোলায়মান মিয়া ওই এলাকার গনি মিয়ার ছেলে। সে পেশার একজন কৃষক।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, অভিযুক্ত সোলাইমান ভুক্তভোগীর আত্মীয় হন। সেই সুবাদে প্রায়ই ভুক্তভোগীর বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। গত ৩ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর কোন একদিন ভুক্তভোগীর বাড়িতে ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে সুকৌশলে ভয় ভীতি দেখিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে অভিযুক্ত বৃদ্ধ ভুক্তভোগী ওই নারীকে প্রাণনাশের হুমকি ভয় ভীতি দেখিয়ে গুপনে গর্ভপতের ঔষধ খাওয়ান।গত ২৭ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী ওই নারী অসুস্থ হলে স্বজনরা নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। ওইখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা নিরিক্ষার করে গর্ভবতী হওয়া কথা নিশ্চিত হন স্বজনরা। পরে ভুক্তভোগী ওই নারীকে বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদে গত ৩ মাস আগে সোলাইমান মিয়া কর্তৃক ধর্ষণের কথা বলেন।

রায়পুরা থানার উপ-পরিদর্শক রাতুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগের পর পর দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিএমপির নিষিদ্ধ ৩৩০ ‘দুষ্কৃতকারী’ তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী আকতার গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিএমপির নিষিদ্ধ ৩৩০ ‘দুষ্কৃতকারী’ তালিকার সন্ত্রাসী আক্তার হোসেন প্রকাশ আকতার (৪১) কে গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী। রোববার সকালে কর্ণফুলী থানাধীন বৈরাগ এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে যৌথ বাহিনী।

গ্রেফতারের বিষয়টি কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতার আকতার আনোয়ারা উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম বদনীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়াও সদ্য ঘোষিত সিএমপির নিষিদ্ধ ৩৩০ ‘দুষ্কৃতকারী’র তালিকায় আকতারের নাম ৪২ নাম্বারে রয়েছে।

চট্টগ্রামবাসীকে ন্যায়বিচার উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার- সিএমএম চট্টগ্রাম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৩১ জানুয়ারি ২০২৬: চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো. মহিদুল ইসলাম, বিজ্ঞ স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন জনাব মোঃ সোয়েব খান, বিজ্ঞ স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জনাব হামীমুন তানজীন, বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু বকর সিদ্দিক, জনাব মো: আলমগীর হোসেন, জনাব মোহাম্মদ মোস্তফা ও জনাব মুহাম্মদ আবুল মনছুর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ফাহমিদা সাত্তার।


পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে ডিসি (দক্ষিণ) জনাব হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া, ডিসি (প্রসিকিউশন) জনাব মো: হাসান ইকবাল চৌধুরী, শিল্প পুলিশের এডিশনাল পুলিশ সুপার জনাব সাইদুর রহমান, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব বিজয়া সেন, এসি (প্রসিকিউশন) জনাব মো: আরিফ ইকবাল, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সালাউদ্দিন, পিবিআিইয়ের পরিদর্শক (প্রশাসন) জনাব মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর) সিএমপি চট্টগ্রাম জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, এসি ট্রাফিক (নর্থ) কবির উদ্দিন সরকার, এসি ট্রাফিক (উত্তর) জনাব মো: সালাউদ্দিন, চমেক পরিচালকের প্রতিনিধি জনাব ডা. ইমরান হেসেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর আইন কর্মকর্তা জনাব মাসুম রেজা, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব রোমানা আক্তার, র‌্যাবের প্রতিনিধি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য অংশীজনসহ চট্টগ্রাম মহনগর এলাকার ১৬ থানার অফিসার ইন-চার্জবৃন্দ এবং পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ পরিদর্শকগণ উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি জনাব আবদুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ হাসান আলী চৌধুরী এবং মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যডভোকেট জনাব মোঃ মফিজুল হক ভূইয়া।

আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ মাহবুবুল হক, কমান্ডার ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রতিনিধি মেজর তানভীর।
কনফারেন্সের শুরুতে বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো. মহিদুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরে আজকের কনফারেন্সের আলোচ্য সূচী উপস্থাপন করেন।

এরপর বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকারের পরিচালনায় উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্বে কনফারেন্সে উপস্থিত মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানার অফিসার ইন-চার্জগণ তদন্তকাজে তাদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয় তুলে ধরেনে এবং সভাপতি মহোদয় তাদের সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন আইনগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পুলিশ কমিশনারের প্রতিনিধি ডিসি (দক্ষিণ) জনাব হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, নিরাপদ ব্যক্তিকে মামলা হতে অব্যহতির লক্ষ্যে সংশোধিত ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩-বি ধারা অনুযায়ী অন্তবর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রিমান্ড আবেদনে পর্যাপ্ত যৌক্তিক তথ্য উল্লেখ করার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান। ক্রোকি পরোয়ানামূলে জব্দকৃত মালামাল রাখার পর্যাপ্ত স্থান নেই মর্মে জানান।চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: হাসান আলী চৌধুরী বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি জনাব আবদুস সাত্তার বলেন, বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে রিমান্ড না-মঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চাইলে বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারে।
কমান্ডার ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রতিনিধি মেজর তানভীর বলেন, মাঠ পর্যায়ে পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছেন। আইন-শৃংঙ্খলা উন্নতিতে একযোগে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ মাহবুবুল হক বলেন, বিনা ময়না তদন্তে লাশ দাফনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানা অফিসার ইন-চার্জ আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন। তিনি আরো বলেন, ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারার মামলায় শান্তি-শৃংঙ্খলার আদেশ মানে মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা নয় বরঞ্চ মামলার কার্যক্রম চালু রেখে শান্তি-শৃংঙ্খলা বজায় রাখাকে বুঝায়।

বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার বলেন, শুধুমাত্র আসামীর দোষস্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির উপর ভিত্তি করে তদন্ত না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী ও সাক্ষী উপস্থাপন বিষয়ে নিয়মিত NER প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে পলাতক আসামীর সম্পত্তির বিবরণ প্রদান, জব্দকৃত আলামতের মালিককে মামলার সাক্ষী কিংবা আসামী করা ও মেডিকেল অফিসারদের হোয়াটসআপ মোবাইল নম্বর উল্লেখ করারও নির্দেশ দেন।

তিনি পিআরবির বিধি ২৮৩ অনুযায়ী মামলার আসামীকে আদালত চলাকালীন সময়ে উপস্থাপন করা এবং আসামীকে সনাক্ত করার জন্য টিআই প্যারেডের আয়োজন করারও নির্দেশ দেন। সঠিক সময়ে মেডিকেল সনদ সরবরাহের জন্য কমিটি বা বোর্ড গঠন করা যায় কিনা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালকের প্রতিনিধিকে নির্দেশ প্রদান করেন।

আদালতের চাহিতমতে জেলখানা থেকে আসামীদেরকে নিয়মিত উপস্থাপন না করা গেলে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপযুক্ত কারণ উল্লেখে প্রতিবেদন প্রদানের জন্য সিনিয়র জেল সুপারকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স, মোবাইল টিম প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেন।মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যডভোকেট জনাব মোঃ মফিজুল হক ভূইয়া আদালতের বিজ্ঞ বিচারক, আইনজীবী, সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় বিচার প্রশাসন, নির্বাহী প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ একে অপরের পরিপূরক। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তরিকতা ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে একযোগে ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে বিচার প্রার্থী মানুষের কল্যাণে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। বিচারপ্রার্থীর অধিকার নিশ্চিতে স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সাথে মামলা নিষ্পত্তিতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

পারস্পরিক মত বিনিময়ের মাধ্যমে ও বিদ্যমান সমস্যাসমূহ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করলে কাজের মুল্যায়ন হয় এবং পারষ্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। তিনি সামনের দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর পারষ্পরিক সমন্বয়ে আইনের অধীনে থেকে জবাবদিহিতার মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীকে ন্যায়বিচার উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে কনফারেন্সের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আলোচিত খবর

ডাকযোগে কারাবন্দিদের ভোট শুরু হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডাকযোগে কারাবন্দিদের ভোট শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আজ ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নির্বাচন কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটে কারাবন্দিদের জন্যও ভোট দেয়ার সুবিধা রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

দেশের ৭১টি কারাগারে বন্দি রয়েছে ৮৪ হাজার। অনেক বন্দির এনআইডি জটিলতা আছে, আবার অনেক বন্দি আশায় আছেন ভোটের আগে জামিনে বের হবেন। তা নাহলে বন্দিদের মধ্যে ভোটার সংখ্যা আরও বাড়তো বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ