আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ড.হাসান মাহমুদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাওয়ায় রাঙ্গুনিয়াজুড়ে উচ্ছ্বাস ও মিস্টি বিতরণ

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া,

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পর পর চারবার বিজয়ী ড. হাছান মাহমুদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শপথ গ্রহণ করেছেন। নবগঠিত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং শপথ গ্রহণ করেছেন সাবেক এ তথ্যমন্ত্রী।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পূর্বে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই চমৎকার মন্ত্রিপরিষদ হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত বিচক্ষণ। এবং বিচক্ষণতার সাথে বিবেচনা করে তিনি মন্ত্রিপরিষদ সাজিয়েছেন। সত্যিই চমৎকার মন্ত্রিপরিষদ হয়েছে।’

মন্ত্রী হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ ও বন এবং এর পূর্বে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী হাছান মাহমুদ এবার কোন দায়িত্ব পালনে আগ্রহী -এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন যে দায়িত্ব আমাকে দিয়েছেন, সেটি আমি নিষ্ঠার সাথে পালন করেছি। গতবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, সেটি আমি নিষ্ঠা, সততার সাথে পালন করেছি। এখন যে মন্ত্রণালয়েই দিন, আমি নিষ্ঠা, আমার একাগ্রতা, সমস্ত প্রচেষ্টা দিয়ে সে দায়িত্ব পালন করবো।এদিকে বৃহস্পতিবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় রাঙ্গুনিয়াজুড়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা, স্থানীয় দোকানদার, পথচারী, ভ্রাম্যমাণ দোকানি, গাড়ির ড্রাইভার ও যাত্রীসহ সর্ব সাধারণের মাঝে মিস্টি বিতরণসহ নানা কর্মসূচী পালন করেছে।

অন্যদিকে, মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়ার খবর পেয়ে ড. হাছান মাহমুদের ঢাকাস্থ সরকারি বাসভবনে রাঙ্গুনিয়া থেকে শুভেচ্ছা জানাতে ছুটে যায় উপজেলার বিভিন্ন স্তরের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় নেতৃবৃন্দদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মন্ত্রী বলেন, “আমি জাতীয় সংসদে টানা চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছি এবং আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছি। এ জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। ধন্যবাদ জানাই আমার নির্বাচনী এলাকার চট্টগ্রাম-০৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী আংশিক) সর্বস্তরের জনগণ, ভোটার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি। আপনাদের সহযোগিতা ও ভালবাসার প্রতিদান দেয়ার ভাষা এই মুহুর্তে হারিয়ে ফেলেছি, সময় স্বল্পতার কারণে আমি এলাকার জনগণ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে দেখা করতে পারিনি। ইনশাআল্লাহ কয়েকদিনের মধ্যেই সবার সাথে দেখা করার জন্য এলাকায় আসব।

নেতাকর্মীরা ড. হাছান মাহমুদকে তৃতীয়বারের মতো মন্ত্রীসভায় স্থান দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং চতুর্থবারের মতো উনাকে এমপি নির্বাচিত করায় রাঙ্গুনিয়ার আপামর জনসাধারণকেও ধন্যবাদ জানান। উনার হাত ধরে একসময়ের অবহেলিত রাঙ্গুনিয়া এখন আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে, ভবিষ্যতেও উনার হাত ধরে স্মার্ট রাঙ্গুনিয়া হিসেবে গড়ে ওঠবে এ জনপদ, সেই প্রত্যাশা করেন নেতাকর্মীরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ