আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

পঞ্চম বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত ফজলে করিম চৌধুরীকে রাউজান প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফলদ গাছের চারা উপহার

মিলন বৈদ্য শুভ ,রাউজান (চট্টগ্রাম)

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে পঞ্চম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেছেন রাউজানের সর্বস্থরের মানুষ। শপথ গ্রহণ শেষে ১৪ জানুয়ারি রবিবার সকাল ৮ ঘটিকায় রাউজানে এসে প্রথমে নিজ গ্রাম গহিরায় বাবা-মার কবর জিয়ারত করেন সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরী। এরপর সকাল ১০ ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে পৌঁছলে সেখানে পূর্ব থেকে অপেক্ষমান রাউজান উপজেলা প্রশাসন, রাউজান উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, রাউজান পৌরসভা, রাউজান ১৪টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, রাউজান দলিল লেখক সমিতি, রাউজান গার্ল গাইডস স্কাউটস, রাউজান প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন সামাজিক সাস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ফুল ও বৃক্ষের চারা দিয়ে এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে সংবর্ধিত করেন।
হাজারো মানুষের ভালোবাসায় আপ্লূত হয়ে এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করায় রাউজানের ভোটারসহ অকুন্ঠ সমর্থনের জন্য সর্বস্থরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় তিনি বলেন, আমি রাউজানবাসীর কাছে ঋণী। আমার রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে মানুষের ভাগ্যেন্নয়নে কাজ করা। ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী রাউজানের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা আরো বেগবান করে রাউজানের ভাবমূর্তি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
এ সময় রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম এহেছানুল হায়দর চৌধুরী বাবুল, রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল ওহাব, রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দীন পারভেজসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পঞ্চম বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে আম গাছের চারা উপহার দিয়ে সংর্বধিত করেন । পঞ্চম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে চারা উপহার দেন রাউজান প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিউল আলম, ক্লাবের সাবেক সভাপতি মীর আসলাম, প্রদীপ শীল, সিনিয়র সহ সভাপতি নেজাম উদ্দিন রানা, সহ সভাপতি জিয়াউর রহমান, কার্য নির্বাহী সদস্য কামাল হাবিবি, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, যুগ্ন সম্পাদক লোকমান আনচারী, অর্থ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন সাজ্জাদ, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক আবিদ মাহমুদ, সদস্য রতন বড়ুয়া।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ