আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ইতিহাস গড়ে ৫৪৬ রানের জয় বাংলাদেশের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টে আফগানিস্তানকে ৫৪৬ রানে হারিয়েছে টাইগাররা।

১৯২৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৬৭৫ রানে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর ১৯৩৪ সালে ইংল্যান্ডকে ৫৬২ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়া। ২ উইকেটে ৪৫ রান নিয়ে আজ শনিবার ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিন শুরু করেছিল আফগানিস্তান। তৃতীয় ওভারেই এবাদত হোসেন সাফল্য উপহার দেন।

তার বলে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হন নাসির জামাল (৬)। এরপর মঞ্চে শরীফুলের আবির্ভাব। তার বলে মেহেদি মিরাজের হাতে ধরা পড়েন আফসার জাজাই (৬)। এভাবেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে আফগানিস্তান।

বাহির শাহ (৭) শরীফুলের তৃতীয় শিকারে পরিণত হলে ২০.৫ ওভারে ৭৮ রানে তারা পাঁচ উইকেট হারায়। আফগানদের ৬ষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটান তাসকিন আহমেদ।অনেকটা সময় উইকেট আগলে রাখা রহমত শাহ (৩০) ক্যাচ তুলে দেন লিটন দাসের গ্লাভসে। ফিরতি ওভারে এসেই করিম জানাতকে (১৮) বোল্ড করে দেন তাসকিন। পেসারদের দাপটের পর মেহেদি মিরাজকে আক্রমণে আনেন অধিনায়ক লিটন।

মিরাজ তার দ্বিতীয় ওভারেই তুলে নেন আমির হামজাকে (৫)। ক্যাচের আবেদনে আম্পায়ার প্রথমে সাড়া না দিলে রিভিউ নিয়ে জয়ী হয় বাংলাদেশ। খেলা শেষের প্রত্যাশায় মধ্যহ্ণ বিরতি আধঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়। ইয়েমিন আহমেদজাইকে (১) মুশফিকের তালুবন্দি করে চতুর্থ শিকার ধরেন তাসকিন।

পরের বলেই জহির খানকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। রিভিউতে দেখা যায় বল ব্যাট স্পর্শ করেনি। অবশ্য ততক্ষণে পাঁচ উইকেট শিকারের উদযাপন করে ফেলেছিলেন তাসকিন। পরের বলে আবারও তাকে হতাশ হতে হয়। তৃতীয় বলেই দুর্দান্ত এক ফুলটসে জহির খানের (৪) স্টাম্প ছত্রখান করেছিলেন তাসকিন। কিন্তু সেটাকে নো বল ডাকেন আম্পায়ার। ওভারের শেষ বলটি ছিল শর্ট বল। যেটি গিয়ে জহিরের কনুইয়ে লাগে। তিনি আর ব্যাটিং করার অবস্থায় ছিলেন না। তাই ৯ উইকেটে ১১৫ রানেই শেষ হয় আগানিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। বাংলাদেশ পায় ৫৪৬ রানের বিশাল জয়। ৯ ওভার বল করে ২ মেডেনসহ ৩৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন। ২৮ রানে ৩টি নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। এছাড়া ১টি করে নিয়েছেন ইবাদত হোসেন আর মেহেদি মিরাজ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে আসর বয়কটের হুশিয়ারী দেয়ার একদিন পার হতে না হতেই সবাইকে অবাক করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসরের জন্য দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিব)। বিসিবিকে সমর্থন জানিয়ে আসর বর্জন করলে পিসিবিকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। আইসিসির এমন হুশিয়ারীর পরপরই বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান।

আধুনিক ক্রিকেটের রূপকার আরাফাত রহমান কোকো : চসিক মেয়র


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন সফল ক্রীড়া সংগঠক এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম এমনটি মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নির্মাণে কোকো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং রাজনীতির বাইরে থেকে খেলাকে কেবল খেলা হিসেবে দেখেই তিনি কাজ করে গেছেন।

শুক্রবার রাতে সন্ধ্যায় নগরীর লালদীঘি চসিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে মহানগর কোকো স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন এসব কথা বলেন।মেয়র আরও বলেন, আজকের ক্রিকেটের যে ভিত্তি এবং সাফল্য আমরা দেখতে পাই, তার পথপ্রদর্শক ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম-৯ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, কোকো ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, নিরহংকারী এবং প্রচারবিমুখ একজন মানুষ। তিনি একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও তার মৃত্যুতে মানুষের যে ঢল নেমেছিল, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল।

চট্টগ্রাম মহানগর কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি হাসান রুবেলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এন মোহাম্মদ রিমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, ইসমাইল বালি এবং সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া। এছাড়া মহানগর বিএনপি, অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং কোকো স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দোয়া শেষে স্থানীয় দুঃস্থ, অসহায় ও এতিমদের মাঝে খাবার এবং কম্বল বিতরণ করা হয়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ