আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নির্মূল কমিটির ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা

নিউজ ডেস্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গত তিন দশকে নির্মূল কমিটি ধর্মনিরপেক্ষ মানবিক রাষ্ট্র ও
সমাজ গঠনের বৃহত্তম নাগরিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে শহীদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১০১ জন বরেণ্য নাগরিক কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক ঘোষণার মাধ্যমে সূচিত হয়েছিল একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির এক দুর্গম অভিযাত্রা। বহু বাধাবিঘœ, জেল-জুলুম-হত্যা মোকাবেলা করে গত তিন দশকে নির্মূল কমিটি ধর্মনিরপেক্ষ মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের বৃহত্তম নাগরিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে এবং বিস্তার লাভ করেছে পাঁচটি মহাদেশে। আমাদের আন্দোলন ও সংগ্রামের তিন দশকের অধিক সময়ে বহু সাফল্য রয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, নির্মূল কমিটির ধারাবাহিক আন্দোলনের কারণে ’৭১-এর গণহত্যাকারীদের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে এবং শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়েছে। তবে আমাদের প্রধান দাবি-জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দর্শন, ৩০ লক্ষ শহীদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য এখনও আমাদের আন্দোলন করতে হচ্ছে। বিএনপি’র মদদে ’৭১-এর গণহত্যাকারী, মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক জামায়াত-শিবির চক্র এখনও মহাদর্পে রাজনীতির অঙ্গনে বিচরণ করার পাশাপাশি ’৭১-এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে এবং বাংলাদেশকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানাবার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর বার বার আঘাত করছে। বিশেষভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাদীপ্ত বাঙালির আবহমান সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জঙ্গি মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের উপর্যুপরি তান্ডব ও হামলায় বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির ঐক্যবদ্ধতার বিকল্প নেই এবং অতীব জরুরী হয়ে পড়েছে সকল দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্নে আপোষহীন থাকার ঐক্যবদ্ধ প্রক্রিয়ার।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৪ জানুয়ারি, বিকেল ৫টায় জামালখানস্থ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস. রহমান হলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির সভাপতিত্বে “সংবিধানের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার নাগরিক আন্দোলন” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. অলিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন-উপদেষ্টাম-লির সদস্য স্বপন সেন, কার্যকরী সভাপতি মুক্তিযুদ্ধ গবেষক অধ্যাপক ড. আলা উদ্দিন, সহ-সভাপতি স্বাধীনতা সংগ্রামী মানিক চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান, আওয়ামী লীগ নেতা দীপংকর চৌধুরী কাজল, মো. হাবিবউল্ল্যা চৌধুরী ভাস্কর, সহ-সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম জাবেদুল আলম সুমন, কাজী রাজিশ ইমরান, সুমন চৌধুরী, আবদুল মান্নান শিমুল, মিথুন মল্লিক, সূচিত্রা গুহ টুম্পা, সাহাব উদ্দিন আওরঙ্গজেব (আঙুর), আবু সাঈদ সুমন, রুবেল আহমেদ বাবু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, আবু মো. আরিফ, রাহুল দত্ত, মো. মাহাতাব হোসেন সজিব, মাহমুদুল করিম, মরিয়ম আক্তার মুক্তা, অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুবেল পাল, সহ-অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রক্তিম বিশ্বাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিক্ষিকা সৈয়দা তাহমীনা সুলতানা, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শুভ্রদেব কর, প্রচার ও গণমাধ্যম সম্পাদক সাংবাদিক আহমেদ কুতুব, সহ-প্রচার ও গণমাধ্যম সম্পাদক রুবেল চৌধুরী, প্রকাশনা সম্পাদক রাজীব চৌধুরী রাজু, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. সাহাব উদ্দিন, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক প্রণব দাশ, সহ-শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক সৈকত দাশ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অনিন্দ্য মজুমদার অথৈ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুমন সায়েদ সিদ্দিকি, দফতর সম্পাদক অসিত বরণ বিশ্বাস, কার্যনির্বাহী সদস্য নাছিমা আকতার, নাজমুল হক ভূইয়া রাজিব, শওকত খান, জয়নুদ্দীন জয়, আখতার হোসেন, কাজী রোকনুজ্জামান রোকন, রাকিব হাসান, লুৎফর রহমান জুয়েল, শৈবাল দাশ, অনিন্দ্য দেব, জিয়াউল হক জিবলু, ডবলমুরিং থানা শাখার আহ্বায়ক হুমায়ুন ছগির মহন, সদস্য সচিব জাহেদুল আলম মুরাদ, খুলশি থানা শাখার আহ্বায়ক মোস্তফা আমির, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহেদুল আলম, বাঁশখালী থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন, জাগরণের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলোকচিত্রী কমল দাশ, সহ-সভাপতি প্রবাল চৌধুরী মানু, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সাইমুন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান সুজন, দপ্তর সম্পাদক জামশেদ উদ্দীন, গ্রন্থণা ও প্রকাশনা সম্পাদক মোস্তফা আমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ তারেক, উপ-দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুল করিম ইমন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আমিনুর রহমান রাশেদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-সম্পাদক গোবিন্দ দত্ত, গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন উপ-সম্পাদক ইমরুল কায়েস, উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জাহেদ অভি, আহমেদ সাঈদী ইফাজ, আব্দুল্লাহ আল বোরহান, মো. ইরফানুল হক রেজা, মোহাম্মদ কাসরুল ইসলাম, কে.এইচ.এম মিসকাত, মো. নাফিস উদ্দিন আবির, মো. মনির হাওলাদার, মোহাম্মদ আলমগীর, ফয়সাল মাহমুদ জয়, দুর্জয় বড়ুয়া, শাওন বিশ্বাস, আদিত্য চৌধুরী, সৌমেন দাশ রনি, রতেœশ্বর দাশ জিতু, রিংকু দাশ রনী, সামাদ নাহিয়ান, মো. নাজিম উদ্দিন আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার রাজিব দাশ, ইফতি সিকদার, আমিনুল ইসলাম রাশেদ, মো. তারেক রহমান, মো. আব্বাস উদ্দিন, মো. সায়েদ হোসেন রিফাত, জামশেদ উদ্দীন, জয় সেন গুপ্ত প্রমুখ।
সভার প্রধান অতিথি দেশবরেণ্য মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ডা. মাহফুজুর রহমান বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে নির্মূল কমিটির আন্দোলন যেভাবে সফলতা পেয়েছে, ঠিক সেভাবে বাঙালিত্বের আন্দোলনেও নির্মূল কমিটিকে ভূমিকা রাখতে হবে। সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন আন্দোলনে নির্মূল কমিটিকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে শওকত বাঙালি বলেন, নির্মূল কমিটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতীয় নির্বাচনসমূহের আগে ‘রাজাকারমুক্ত সংসদ চাই’ এই দাবিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অভিযাত্রা শিরোনামে ব্যাপক প্রচারাভিযান চালিয়েছে। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটে নি। আশার কথা, এবারই সম্পূর্ণভাবে জাতীয় সংসদ রাজাকারমুক্ত হয়েছে। এতে আমাদের আন্দোলনের গুরুত্ব ও দায়িত্ব আরো অনেক বেড়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, রাজনীতিক, শহীদ পরিবারের সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভার পূর্বে আনন্দ র‌্যালী জামাল খান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয় এবং শহীদ জননীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

বোয়ালখালীতে অবৈধ ব্রিজ নির্মাণ বন্ধ করলেন ইউএনও।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কসকবাজার আরকান সড়কের বোয়ালখালীর গোমদণ্ডী ফুলতলার দক্ষিণ পাশে রায়খালী খালের ওপর অবৈধভাবে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালের ওপর অনুমোদনহীনভাবে ব্রিজটি নির্মাণ করা হলে বর্ষা মৌসুমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার ও ভয়াবহ বন্যা সহ জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে একই সাথে চাষবাদ ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) অবৈধ ব্রিজ নির্মাণের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হলে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা ঘটনাস্থলে সরেজমিনে পরিদর্শনে করেন ।

পরিদর্শনকালে তারা খালের ওপর অবৈধভাবে ব্রিজ নির্মাণের সত্যতা পান। এ সময় খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে নির্মাণকাজের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের নিজ দায়িত্বে সোমবারের মধ্যে নির্মাণাধীন ব্রিজটি অপসারণ বা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন প্রশাসন ।


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা প্রতিপালন না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ