দুবাইয়ের মিরাকল গার্ডেনের আদলে গড়া ডিসি পার্ক

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী সংযুক্ত আরব আমিরাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মাদকের রাজ্য হিসেবে পরিচিত স্থানটি দুবাইয়ের মিরাকল গার্ডেনের আদলে গড়া ডিসি পার্ক এখন ফুলের রাজ্যে পরিণত হয়েছে।এই পার্কে আগামী ২৫ জানুয়ারি শুরু হবে মাসব্যাপী ফুল উৎসব। এখানে থাকছে দেশি-বিদেশি ১২৭ প্রজাতিরি গাছের লক্ষাধিক চারায় ফুলের স্বর্গরাজ্য। ডিসি পার্কের বাগানের মাঝখানে বিশালাকার পুকুর। তাতে চলছে কায়াকিং। সন্ধ্যায় চালানো হবে পানির ফোয়ারা।

ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, ম্যাগনোলিয়া, শিউলি, হাসনাহেনা, কামিনী, বেলি, চেরিসহ দেশি-বিদেশি ফুলের সুবাসে ম–ম করছে চারপাশ। মাঠজুড়ে নানা নকশায় লাগানো হয়েছে ফুলগাছ। এছাড়াও থাকছে ১৫ প্রজাতির টিউলিপ, নৌকাবাইচ, ১০০ চিত্রশিল্পীর আর্ট প্রদর্শনী, নৌকা প্রদর্শনী, বইমেলা, ভায়োলিন-শো, ঘুড়ি উৎসব, পিঠা উৎসব, পুতুল নাচসহ প্রতি সন্ধ্যায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
থাকবে শিশুদের রাইড, ওয়াকওয়ে, সানসেট ভিউ পয়েন্ট, কবুতর শেড, কিডস জোন ও বিশেষ সেলফি কর্নার। ইতোমধ্যে দর্শনার্থীরা ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় করেছেন এখানে।

উল্লেখ্য, ১০ বছরের বেশি সময় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সাগর উপকূল ঘিরে ফৌজদারহাটের ১৯৪ একর জায়গা অবৈধভাবে দখলে রেখেছিল একটি চক্র। সেখানে গড়ে উঠেছিল মাদকের রাজ্য।দেড় বছর আগে জেলা প্রশাসন জায়গাগুলো উদ্ধার করে তৈরি করে ডিসি পার্ক। উচ্ছেদের এক মাসের মাথায় প্রথমবারের মতো সাত দিনব্যাপী ফুল উৎসবের আয়োজন করেছিল জেলা প্রশাসন। এতে মানুষের সাড়া পড়ে যায়। তাই এ বছর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের ডিসি পার্কে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ফুল উৎসব।সরেজমিন সেখানে দেখা যায়, বিস্তৃত পরিসরের ডিসি পার্কের ছায়াঘেরা একটি আঙিনায় চলছে আলো-ছায়ার লুকোচুরি খেলা। এখানে তৈরি করা হয়েছে একটি শেড। সেখানে রয়েছে বিদেশি টিউলিপ। টিউলিপের কলিগুলো দিচ্ছে উঁকি। লাল, হলুদ, গোলাপি, সাদা রঙের টিউলিপ শোভা ছড়াচ্ছে। সঙ্গে আছে লাল-হলুদ রঙের মিলিত টিউলিপ। এমন সব বর্ণিল এবং দৃষ্টিনন্দন ফুল নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে ব্যতিক্রমী এই ফুল উৎসব। এখানে ১২৭ প্রজাতির ফুলের পরিচিতিসহ বর্ণনা থাকবে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাসব্যাপী শুরু হতে যাওয়া মেলা উদ্বোধন করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। চট্টগ্রামের দুই মন্ত্রী বিভিন্ন ইভেন্টে থাকবেন। বইমেলায় থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী নওফেল। মাসব্যাপী এ উৎসব শেষ হবে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি। এবার প্রত্যেক দর্শনার্থীর পার্কে প্রবেশের জন্য ৩০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, মাসব্যাপী ফুল উৎসব ঘিরে নানা আয়োজন চলছে। ডিসি পার্কটিকে আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে নানা কাজ করা হয়েছে। এবার নেদারল্যান্ডস থেকে বীজ এনে ফোটানো হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার টিউলিপ ফুল।
উৎসবে প্রদর্শনীর জন্য থাকবে চট্টগ্রামের চিত্রশিল্পীদের প্রায় ২০০টি চিত্রকর্ম। উৎসবে আসা দর্শনার্থীদের নিজেদের ছবির ক্যারিকেচার আঁকার ব্যবস্থাও থাকবে। আয়োজন করা হবে ঘুড়ি উৎসব, আতশবাজি, পুতুলের নাচ ও জাদু প্রদর্শনী। এ ছাড়া প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকবে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‍‍`মাদকের রাজ্যকে ফুলের রাজ্যে পরিণত করা হয়েছে। গত বছর প্রথমবারের মতো ফুল উৎসবে লক্ষাধিক লোকের সমাগম ঘটে। মানুষের উৎসাহ দেখে এ বছর বৃহৎ পরিসরে মাসব্যাপী ফুল উৎসব শুরু করতে যাচ্ছি আমরা।’পার্কটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম বলেন, ডিসি পার্কে দ্বিতীয়বারের মতো ফুল উৎসবের জোর প্রস্ততি চলছে। আমরা পার্কটিকে সুসজ্জিত করতে কাজ করছি। যারা গতবার এসেছিলেন তারা এবার এলে পার্থক্য স্পষ্টই বুঝতে পারবেন। সব মিলিয়ে এবারের মাসব্যাপী উৎসবটি অনেক বেশি উপভোগ্য হবে।ইফা ল্যান্ড স্কিপ গার্ডেন কোম্পানীর দ্বারা নির্মিত ডিসি পার্ক সম্পর্কে স্বত্বাধিকারী কাউচার আল হোসাইন বলেন, দুবাইয়ের মিরাকল গার্ডেনের আদলে হচ্ছে পার্কটি, গত ২ মাস আগে থেকে ফুল সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে।
কেননা হঠাৎ করে এতগুলো ফুল পাওয়া সম্ভব নয়। ফুল উৎসবের জন্য দিনরাত আমাদের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ডিজাইনের কাজ শেষ হয়েছে। ফুল দিয়ে বানানো হয়েছে বিশেষ ঝর্ণা, গিটার। কাঠের নৌকার নিচে ফুল দিয়ে ডিসি পার্ক লেখা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন প্রমিতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এক দশক আগেও যে বিষয়টিকে নেহাত শখ বা সময় অপচয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করত সমাজ প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় তা-ই আজ দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা ও স্বাধীন পেশার নতুন দিগন্তে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হাত ধরে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে এক নতুন অর্থনৈতিক ভিত্তি কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং। বিশেষ করে তরুণদের ভাবনা, পোশাকের রুচি ও জীবনযাত্রার নানা অনুষঙ্গ উপস্থাপনের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড। ডিজিটাল বাস্তবতার এই নতুন ধারায় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল কেন্দ্রিক কনটেন্ট তৈরি করে তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছেন তাসনিম হোসাইন প্রমিতি।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যাদের উপস্থিতি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও পোস্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পেশাদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে যারা এগোচ্ছেন, প্রমিতি তাদের মধ্য অন্যতম। সম্প্রতি তার এই দীর্ঘ যাত্রার চ্যালেঞ্জ ও সাফল্য নিয়ে কথা হয়। দীর্ঘ আলাপে উঠে আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর নেপথ্যের গল্প।

তাসনিম হোসাইন প্রমিতির সাফল্যের গল্প

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চারটি প্রধান প্ল্যাটফর্মেই তার শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, তার কন্টেন্টের মূল কেন্দ্রবিন্দু ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক, যেখানে বর্তমানে তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১০ লাখের কাছাকাছি। এ ছাড়া ফেসবুকে আড়াই লাখের বেশি (২ লাখ ৫৪ হাজার), ইনস্টাগ্রামে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার এবং তরুণদের দীর্ঘ ভিডিওর জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবেও ৩৬ হাজারের বেশি গ্রাহক বা সাবস্ক্রাইবার রয়েছে তার।

তবে ১০ লাখেরও বেশি দর্শকের হৃদয়ে এই যে স্থান তৈরি তার পেছনের গল্পটি রাতারাতি কোনো অলৌকিক সাফল্যের নয় বলে জানান প্রমিতি। শুরুতে কোনো বিশাল দর্শকের সাড়া ছিল না, লাইক বা কমেন্টের সংখ্যাও ছিল হাতেগোনা। তবে সেই প্রাথমিক নিশ্চুপ পরিস্থিতি তাকে দমাতে পারেনি।

প্রথমদিকের কম সাড়ায় ভেঙে না পড়ে তিনি নজর দেন বিষয়বস্তুর গুণগত মান বাড়ানোর দিকে। কন্টেন্টের নান্দনিক উপস্থাপনা, ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল, নিখুঁত এডিটিং এবং নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশের ওপর তিনি জোর দিতে শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে যা সাধারণ দর্শককে আকৃষ্ট করতে শুরু করে এবং প্রমিতির কাজকে করে তোলে আরও গোছানো। আজকের ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ইন্ডাস্ট্রিতে যেখানে প্রতিনিয়ত হাজারো নতুন মুখ যুক্ত হচ্ছে, সেখানে নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি টিকিয়ে রাখা অত্যন্ত কঠিন চ্যালেঞ্জ। ফ্যাশন সচেতনতার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনের নানা ইতিবাচক দিক সাবলীলভাবে তুলে ধরার ক্ষমতাই তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছে।

বহুমুখী প্ল্যাটফর্মে প্রমিতির শক্ত অবস্থান

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর কাজের ধরন ও অ্যালগরিদম ভিন্ন। ফেসবুকের অডিয়েন্স যেভাবে কন্টেন্ট গ্রহণ করে, টিকটক বা ইনস্টাগ্রামের তরুণ দর্শক ঠিক সেভাবে গ্রহণ করে না। চার ধরনের প্রধান প্ল্যাটফর্মেই সমান ছন্দে কাজ করা তাই বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই বিষয়ে আলাপকালে জানা যায়, বিভিন্ন বয়সের ও মানসিকতার অডিয়েন্সের রুচি বুঝে কনটেন্ট সমন্বয় করার দক্ষতাই তাকে এক প্ল্যাটফর্মের গণ্ডি পেরিয়ে পুরো ডিজিটাল অঙ্গনে একটি শক্ত ভিত্তি এনে দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার : কণ্ঠশিল্পী জুলির বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে বিতর্কিত ঈদ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাযুক্ত শিল্পীকে দিয়ে গান পরিবেশন করানোর অভিযোগ তুলে একটি কুচক্রী মহল ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি। এসব অপপ্রচার সর্বতোভাবে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন এই শিল্পী।


বিবৃতিতে কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করা তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম এবং সামাজিকমাধ্যমে আমার ব্যাপারে ছড়নো বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিছু ব্যক্তি আমার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানীর সংবাদসহ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি উক্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, সংবেদনশীল কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় পদ-পদবীতে ছিলাম না এবং এখনো নেই। ১৭ বছর ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন আয়োজনে গান গেয়ে আসছি। কিন্তু অতীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের মানহানিকর মিথ্যাচার থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এই শিল্পী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ