আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

কক্সবাজার:

প্রতিমন্ত্রীর প্রোটোকল ভাঙ্গার অভিযোগে ইউপি সদস্যকে পুলিশে দিলেন কোস্টগার্ড।

টেকনাফ প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও তাঁর স্ত্রী আরিফা জেসমিন কনিকার প্রোটোকল ভাঙ্গার অভিযোগে সেন্টমার্টিন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আল নোমানকে আটক করে টেকনাফ থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে কোস্টগার্ড সদস্যরা।

আটক আল নোমান সেন্টমার্টিন ৪নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি। সেন্টমার্টিন পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা আমির হামজার ছেলে।

শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে টেকনাফের কেরুনতলি কোস্টগার্ড জেটি থেকে আল নোমানকে আটক করে কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনে নিয়ে যায়। পরে তাকে সেখান থেকে রাত ২টার দিকে টেকনাফ থানা পুলিশের সোর্পদ করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার অপারেশন কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক ।

শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও তাঁর স্ত্রী আরিফা জেসমিন কনিকার সেন্টমার্টিনের ২০ শয্যার হাসপাতাল, ইউনিয়ন পরিষদ ও নির্মাণাধীন ডাকঘর ভবন পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি তিনি দ্বীপের সৌন্দর্য্য উপভোগ করলেন স্বস্ত্রীক।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বলেন, মন্ত্রী মহোদয় সেন্টমার্টিন সফরে আসলে তার স্ত্রী সহ বিভিন্ন স্থানে তিনি পরিদর্শন করেছেন। ওই সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি মন্ত্রী মহোদয় ও তার স্ত্রীসহ জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ছবি তোলা হয়েছে।

তবে প্রোটোকল কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ এরফানুল হক চৌধুরী বলেন, শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মন্ত্রী মহোদয়ের প্রোটোকল কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত ছিলাম। মন্ত্রী নিজেও তার স্ত্রীসহ সফর-সঙ্গীদের কাছ থেকে কোন ধরনের অভিযোগ আমি পায়নি। তবে কোস্টগার্ড কি কারণে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে আমি কিছুই জানি না।

এ প্রসঙ্গে জানতে টেকনাফ কোস্টগার্ড ষ্টেশনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা সরকারি মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করে তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

টেকনাফ মডেল থানার অপারেশন কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কোস্টগার্ড অভিযোগের ভিত্তিতে ইউপি সদস্য আল নোমানকে বিকেলে দিকে কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ